দরপত্রে সাড়া নেই

ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্থায়ী-অস্থায়ী ১২টি পশুর হাট বসাতে চায় চসিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ১২টি পশুর হাট বসাতে চায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এর লক্ষে চসিক দুইটি গরুর বাজারের দরপত্র আহবান করলেও এখন পর্যন্ত কেউ সাড়া দেয়নি। এবার সাগরিকা গরুর বাজারের জন্য ইজারা দর নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ কোটি ৮৯ লাখ ১ হাজার ৯০৭ টাকা আর বিবির হাট গরুর বাজারের জন্য ২ কোটি ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৭৭৭ টাকা। ইজারাদার না পাওয়ায় বর্তমানে সাগরিকায় আগের ইজারাদার আর বিবিরহাটে খাস কালেকশনের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় করছে সংস্থাটি। গত ১৩ মে তৃতীয়বারের মতো দরপত্র আহ্বান করে চসিক। কিন্তু দরপত্রে অংশ নিতে গতকাল বুধবার পর্যন্ত কেউ সাড়া দেয়নি।

চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নগরের ৯টি স্থানে অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি চেয়ে গত ৯ এপ্রিল জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়েছে চসিক। এতে বলা হয়, স্থানীয় জনসাধারণ ও জনপ্রতিনিধিদের চাহিদার ভিত্তিতে কোরবানির পশুর চাহিদা মিটাতে অস্থায়ীভাবে পশু বাজার ইজারা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পরবর্তীতে গত ৫ মে জেলা প্রশাসন, সিএমপি কমিশনারের কাছে মতামত চায়। যদিও চিঠিটি গত ১৩ মে সন্ধ্যায় হাতে পেয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহের ভেতর বৈঠক বসবে সিএমপিতে। গোয়েন্দা প্রতিবেদন এবং সার্বিক যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশের মতামতের প্রেক্ষিতে নগরে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিবে জেলা প্রশাসন।
জানতে চাইলে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে গতকালই চিঠি পেয়েছি আমরা। আমাদের কাজ চলছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদন এবং সার্বিক যাচাই-বাছাই শেষে আমাদের পক্ষ থেকে মতামত দেওয়া হবে।
এদিকে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ১২টি পশুর হাট বসাতে চসিক। এর মধ্যে তিনটি স্থায়ী এবং ৯টি অস্থায়ী হাট। অস্থায়ী এসব পশুর হাট বসানোর জন্য অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদনও করেছে সংস্থাটি। অবশ্য প্রস্তাবিত পশুর হাটগুলোর বিষয়ে নগর পুলিশের মতামত পাওয়ার পর চসিককে সিদ্ধান্ত জানাবে জেলা প্রশাসন। অনুমতি পাওয়ার পর দশ দিনের জন্য এসব পশুরহাট ইজারা দেওয়া হবে।
জানা গেছে, বর্তমানে নগরে তিনটি স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। এগুলো হচ্ছে সাগরিকা, বিবিরহাট ও পোস্তারপাড় বাজার। গত কোরবানির ঈদে তিনটি স্থায়ী পশুর হাটের পাশাপাশি আরও ২৩টি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর অনুমতি চেয়েছিল চসিক। পরবর্তীতে স্থায়ী তিনটি হাট ছাড়াও শর্তসাপেক্ষে ৯টি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসাতে সিটি করপোরেশনকে (চসিক) অনুমতি দেয় জেলা প্রশাসন। কিন্তু জেলা প্রশাসন থেকে অনুমোদন দেরিতে দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত দুটি পশুর হাটের ইজারাদার পায়নি চসিক। একইসাথে দ্বিতীয় দফায় দরপত্র আহ্বানের সুযোগ না থাকায় ওই দুইটি হাটের ইজারা কার্যকম বন্ধ রাখে সংস্থাটি। সাতটি হাটের জন্য ইজারাদার পেলেও অনেকটা পানির দামেই ইজারা দিতে বাধ্য হয় চসিক। শেষে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ১০টি স্থানে পশুর হাট বসে চট্টগ্রামে।
এবারে চসিকের প্রস্তাবিত ৯টি অস্থায়ী পশুর হাট হলো— এক নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের চৌধুরীহাট, তিন নম্বর পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের ওয়াজেদিয়া মোড়, ছয় নম্বর পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডের কর্ণফুলী গরু বাজার (নুর নগর হাউজিং এস্টেট), ২৬ নম্বর উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডের বড়পোল সংলগ্ন মহেশখালের দুই পাড়ের খালি জায়গা, ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডের সল্টগোলা রেলক্রসিং সংলগ্ন হাট, ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের আউটার রিং রোডের সিডিএ বালুর মাঠ, ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের পূর্ব হোসেন আহম্মদ পাড়া সাইলো রোডের পাশে টিএসপি মাঠ ও মুসলিমাবাদ রোডের সিআইপি জসিমের খালি মাঠ, এবং ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে টি কে গ্রুপের খালি মাঠ।
এ বিষয়ে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সিএমপির মতামত পাওয়ার পর আমাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। এরপর আমরা দরপত্র কার্যক্রম শুরু করব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমরা সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যারা গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জুমার নামাজ আদায়ের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।দুদিনব্যাপী এ দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসলামবিদ্বেষী শক্তির হাত থেকে মুক্ত হয়েছি। বিগত ১৬-১৭ বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমিও তাদের একজন ছিলাম। মানুষ বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমরা সেই হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করতে চাই।

তিনি বলেন, ধর্মের নাম বিক্রি করে যারা রাজনীতি করছে, তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা শুধু দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। ইসলামের মূলনীতি অনুসরণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনীতি প্রতিষ্ঠার কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা এ দেশের সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এখানে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। দেশের মানুষের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে কখনো ম্লান হতে দিতে চাই না।জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর পাশাপাশি সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনঃস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি থেকে দেশকে বের করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের পূর্ববর্তী নীতিগুলোর পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনরায় ধারণ করব।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্যায়, অবিচার, দুঃশাসন ও দুর্নীতির কারণে দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার মতো একজন মানুষকেও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তাদের আর এ দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ থাকতে হবে। একেকজনের একেক রকম আদর্শিক রাজনীতি থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয়ে আমরা একমত যারা এ দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না।

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি : পুলিশ সুপার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে সিভিক সেন্টারে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, উন্নত কর্মপরিবেশ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত স্থান সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব জায়গায় শাকসবজি ও ফলমূল চাষের উদ্যোগ নিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করেন।এতে অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও স্বনির্ভরতা বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।
এ ছাড়া প্রতিটি থানায় প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহের বিষয়েও নির্দেশনা দেন।

সভায় পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার, সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধী ও পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন পুলিশ সুপার। সেগুলো সমাধানে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ এবং পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (অ্যাডমিন), ডিআইও-১, আরআই, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ