বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য আহরণ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোস্ট গার্ডের জনসচেতনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে প্রজননকালে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ২০ মে থেকে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর লক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কোস্ট গার্ড বেইসে ৬৫ দিনের সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ বিষয়ের উপর এক মিডিয়া বিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এজন্য বঙ্গোপসাগরে সকল প্রকার মৎস্য আহরণ বন্ধে কোস্ট গার্ডের জাহাজ, বোট, স্টেশন এবং আউটপোস্ট গুলো সার্বক্ষণিক টহলের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে জানায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বিসিজিএস পোর্টে গ্রান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোসাব্বির চৌধুরী বলেন, সমুদ্র হতে মৎস্য আহরণে স্থানীয় জেলেদের নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা, সাঙ্গু, সন্দ্বীপ, ভাটিয়ারি, মীরসরাই এবং কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া, মাতারবাড়ী, মহেশখালী, কক্সবাজার, বাহারছড়া, ইনানী, হিমছড়ি, টেকনাফ, শাহপরী ও সেন্টমার্টিন এলাকার বিভিন্ন ঘাটে জনসচেতনতামূলক মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং সুনীল অর্থনীতি সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কোস্ট গার্ডের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলো জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

পুরোনো শেড সংস্কার এবং আধুনিক ফিড মিল স্থাপন করা হলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী আঞ্চলিক মুরগি খামারটি জনবল সংকটে ধুঁকছে। নগরীর আঞ্চলিক সরকারী এ মুরগী খামারে কম দামে ভালো মানের ডিম ও বাচ্চা কিনতে খামারি এবং সাধারণ মানুষের ভিড় থাকলেও অবকাঠামো ও জনবল সংকটে খামারের উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। নব্বইয়ের দশকে তৈরি মুরগির শেডগুলো এখন জরাজীর্ণ, চলছে জোড়াতালি দিয়ে। ১৯৯১ সালে বসানো ফিড মিলটিও পুরোনো হয়ে পড়েছে। বাজারে এখন অনেক অত্যাধুনিক ফিড মিল এলেও তিন দশকের পুরোনো মিল দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। তার ওপর রয়েছে জনবল সংকট। হ্যাচারি অ্যাটেনডেন্টের দুটি পদের দুটিই শূন্য। ফিড মিল অ্যাটেনডেন্টের তিনটি পদের মধ্যে একটি শূন্য। বাধ্য হয়ে একজন ট্রাক সহকারী অন্যের কাজ দেখে শিখেই ফিড মিলে কাজ চালাচ্ছেন।

তবে সংকটের মধ্যেও সীমিত সামর্থ্যে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন খামার কর্তৃপক্ষ। খামারে প্রতিটি মুরগি থেকে বছরে ১৮০টি করে মোট আট লাখ ১০ হাজার ডিম এবং সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ একদিনের বাচ্চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকে।

গত তিন অর্থবছরের হিসাবে দেখা যায়, খামারে উৎপাদন ও রাজস্ব আয় বেড়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খামারে তিন লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৮টি বাচ্চা এবং পাঁচ লাখ ৭৫ হাজার ৮৪০টি ডিম উৎপাদন হয়। পরের বছর (২০২৪-২৫) তা বেড়ে দাঁড়ায় তিন লাখ ৭৮ হাজার ৮৩১টি বাচ্চা ও ছয় লাখ ১৫ হাজার ১১৫টি ডিমে। আর সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চার লাখ সাত হাজার ৩২২টি বাচ্চা এবং ৮ লাখ ১৮ হাজার ২৭৩টি ডিম উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদন বাড়ায় সরকারের রাজস্ব আয়ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ৭৪ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৩ টাকা থেকে বেড়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৫ টাকায় এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪৮ টাকায় পৌঁছেছে।

এর আগে প্রান্তিক খামারিদের সুবিধার্থে সরকারি ভর্তুকিতে সাশ্রয়ী মূল্যে ডিম ও একদিনের বাচ্চা সরবরাহের লক্ষ্যে ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নগরীর খুলশী আঞ্চলিক মুরগি খামার। মানসম্মত ডিম ও বাচ্চা দিয়ে ক্ষুদ্র খামারিদের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি বছরে প্রায় কোটি টাকা রাজস্ব আয় করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও জরাজীর্ণ অবকাঠামো, পুরোনো ফিড মিল ও জনবল সংকটে বর্তমানে ধুঁকছে সরকারি এই খামার। এতে স্থানীয় ক্ষুদ্র খামারিদের চাহিদার সিকিভাগও মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশে সরকারি পর্যায়ে ঢাকার মিরপুরে একটি কেন্দ্রীয় মুরগির খামার রয়েছে।

আর আঞ্চলিক খামার আছে মাত্র দুটি-তা হলো চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে। খুলশীর এ আঞ্চলিক খামারে মিসরীয় ‘ফাওমি’ এবং আমেরিকান ‘রোড আইল্যান্ড রেড’ (আরআইআর) জাতের মুরগির একদিনের বাচ্চা উৎপাদন করা হয়। এর মধ্যে বাজারে ফাওমি জাতের মুরগির চাহিদা বেশি। খামারে উৎপাদিত বাচ্চা সীতাকুণ্ড, নোয়াখালী, কুমিল্লা, সিলেট ও রাঙামাটির সরকারি মুরগির খামারে সরবরাহ করা হয়। সেখানে দুই মাস পালনের পর সেগুলো ক্ষুদ্র খামারিদের কাছে বিক্রি করা হয়। সরকারি খামারগুলোতে দেওয়ার পর যেসব বাচ্চা বাকি থাকে, তা প্রতি রবিবার খুলশী আঞ্চলিক মুরগী খামার থেকে সরাসরি ক্ষুদ্র খামারিদের কাছে বিক্রি করা হয়। আর বাচ্চা ফোটানোর পর উদ্বৃত্ত ডিম প্রতি সপ্তাহের সোমবার সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়। একদিনের বাচ্চা নেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আবেদন ফরমে আবেদন করতে হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই খামারে চার হাজার ৫০০টি লেয়ার মুরগি আছে। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার ২০০ মুরগি ডিম দেয়। বাজারদরের চেয়ে অর্ধেক দামে, মাত্র ৮ টাকা পিস হিসেবে এখানে ডিম বিক্রি হয়। অন্যদিকে, একদিনের প্রতিটি মুরগির বাচ্চার দাম বছরের নয় মাস রাখা হয় ১৫ টাকা। তবে শীতকালে (নভেম্বর থেকে জানুয়ারি) মুরগির চাহিদা ও উৎপাদন দুটোই কম থাকায় তখন বাচ্চার দাম রাখা হয় ১২ টাকা।

আঞ্চলিক মুরগি খামারের উপ-পরিচালক ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ ওয়ারেস কামাল জানান, ক্ষুদ্র খামারিদের ডিম ও একদিনের বাচ্চার যে বিপুল চাহিদা রয়েছে, তার সিকিভাগও তারা পূরণ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, খামারে জনবল সংকট প্রকট। বর্তমানে যারা শেড অনুযায়ী টেকনিক্যাল কাজগুলো করছেন, তারা আগামী ছয় মাসের মধ্যে অবসরে চলে যাবেন। নতুন করে জনবল নিয়োগ না হলে খামার চালানোই কঠিন হয়ে যাবে। তার মতে, দ্রুত শূন্য পদে জনবল নিয়োগ, পুরোনো শেড সংস্কার এবং আধুনিক ফিড মিল স্থাপন করা হলে খুলশীর এই সরকারি খামারের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ