দেশের মানুষ যেটা ন্যায়সঙ্গত হয়, সেটাই করে

নিজস্ব প্রতিবেদক

মানুষ সেই বাধা মানলো না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা বলেন, এক প্রকার জোর করেই আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকলাম। তখন সেখানে উপস্থিত ছিল হাজার হাজার মানুষ। আমরা দিবসটি উদযাপন করলাম। এখন কিন্তু পহেলা বৈশাখ, নববর্ষ আমরা পালন করি। এই উৎসব কিন্তু জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে পালন করি। প্রত্যেক ধর্মীয় উৎসবে সব ধর্মের মানুষ এই দেশে অংশ নেয়। পৃথিবীর আর কোনো রাষ্ট্রে এটি আছে বলে আমার জানা নেই।

জাতির পিতা সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে যার যার ধর্ম সে পালন করবে। এটাই ধর্ম নিরপেক্ষতা। ধর্ম নিরপেক্ষতার ব্যাখ্যাও বিকৃত করে দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল। ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। কেউ কেউ এটার অপব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেছিল। এটা আমরা স্পষ্ট করেছি।

সরকার প্রধান বলেন, জাতির পিতা আজ আমাদের মাঝে নেই কিন্তু তিনি যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তুলেছিলেন সেই চেতনায় বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত করে গড়ে তোলাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য

এ সময় বৌদ্ধ ধর্মসহ দেশের সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাঁর সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।দারিদ্র বিমোচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে একটি মানুষও ভূমিহীন-গৃহহীণ থাকবে না। দরিদ্র ভুমিহীনদের বিনামূল্যে ঘর করে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের জীবন-জীবিকারও ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামেও তাঁর সরকার অনেক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। দেশের বিভিন্ন এলাকার দুর্ভিক্ষ যেমন দূর করেছে, তেমনি ওইসব এলাকার মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তারও ব্যবস্থা করেছে।

দারিদ্রের হার ইতোমধ্যে তাঁর সরকার বিএনপি আমলে থাকা ৪১ ভাগেরও ওপর থেকে ১৮ দশমিক ৭ ভাগে নামিয়ে এনেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালে দেশে হতদরিদ্র ছিল ২৫ দশমিক ১ ভাগ। সেখান থেকে আমরা ৫ দশমিক ৬ ভাগে আমরা নামাতে পেরেছি। কেউ এদেশে হতদরিদ্র থাকবেনা, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নই তাঁর সরকারের উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্ন আমরা পূরণ করবো।-বাসস

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো ডিসেম্বরের মধ্যে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করার বিষয়ে একমত হয়েছেন শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। নতুন কাঠামো অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে বেতন পাবেন শ্রমিকরা। তবে ন্যূনতম মজুরির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

৪ নভেম্বর বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে এ তথ্য জানান বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী এবং শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা।তিনি বলেন, আগের মতো মজুরি নির্ধারণে দীর্ঘসূত্রতা করা হবে না।

শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা এবং শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের বিষয়ে শ্রমিক ও মালিকপক্ষ একমত হয়েছে। সেই অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে শ্রমিকরা নতুন কাঠামোয় বেতন পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশ সেরা ঢাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এবারের র‌্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৩৬তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৬তম।

গত বছরও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ কিউএস এ র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করে।এবারের র‌্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় হয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ