আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চিটাগাং চেম্বারে শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে মানের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন, চট্টগ্রাম এবং দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (সিসিসিআই)’র যৌথ উদ্যোগে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে মানসম্মত পণ্যের প্রাপ্তি নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই এর ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা গতকাল সোমবার সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বিএসটিআই’র মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস আলম, বিশেষ অতিথি কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), চট্টগ্রামের সভাপতি জনাব এস এম নাজের হোসেন বক্তব্য রাখেন। মতবিনিময় সভায় আলোচনায় অংশ নেন চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মাহফুজুল হক শাহ, সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন’র যুগ্ম সম্পাদক গোলাম রব্বানী ও কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল হক খান স্বপন, ক্যাব’র সাধারণ সম্পাদক ইকবাল বাহার সাবেরী, বিএসপি ফুড প্রোডাক্টস লিঃ’র অজিত কুমার দাশ, এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি’র এএসএম সোলায়মান, অরবিস ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল’র জাফর উল্লাহ, আবুল খায়ের গ্রুপের জহিরুল ইসলাম। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, আখতার উদ্দিন মাহমুদ ও ওমর মুক্তাদির, বিএসটিআই’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সেক্টরের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিএসটিআই’র মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস আলম বলেন-ঐতিহাসিকভাবে চট্টগ্রাম ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। তাই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সাথে আগামীতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে কিভাবে মানসম্মত পণ্যের প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্টেকহোল্ডারদের মতামত জানতে এ সভার আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের মাথায় রাখতে হবে মানসম্মত পণ্য যদি বিদেশে রপ্তানি করতে না পারি তাহলে দেশের সুনাম যেমন নষ্ট হবে তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের ব্যবসায়ীগণ। আবার আমদানিকৃত পণ্যের সাথে ভেজাল ও অসাধুতা অবলম্বন করে মানুষের স্বাস্থ্যহানি ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়া যাবে না। তাই যেকোন পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে মানের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তিনি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের পণ্য পরীক্ষণে সময়ক্ষেপন কমিয়ে আনা, চট্টগ্রাম বন্দরে নমুনা সংগ্রহের সময় সকাল ১০.০০ টা থেকে বিকেল ৬.০০ টা পর্যন্ত, শনিবারও কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দেন। একই সাথে সোনালী ব্যাংকের গেটওয়ে ব্যবহার করে নমুনা পরীক্ষার ফি জমাদান এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমেও ফি জমাদান করার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। পাশাপাশি জনবল সংকট নিরসনে লোকবল পদায়ন এবং ব্যবসায়ীদের সমস্যার সমাধানে চট্টগ্রামে নতুন নির্মিত বিএসটিআই ভবনে প্রতি সপ্তাহে ১দিন করে অফিস করার ঘোষণা দেন।

ক্যাব সভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন-বিএসটিআই জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান। এজন্য এখানকার গভর্নিংবডিতে রাখা হয়েছে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাসহ বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিদের। তাই আমরা ভোক্তাদের প্রতিনিধি হিসেবে এবং জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে বিএসটিআই’র সাথে কাজ করে যাচ্ছি। এক্ষেত্রে বিএসটিআই এর সক্ষমতা বাড়াতে হবে, বাড়াতে হবে ল্যাব সুবিধা। যাতে করে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের যেন চট্টগ্রাম থেকে নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় যেতে না হয়। কারণ ব্যবসায়ীদের কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস বেড়ে গেলে তার চাপ পড়বে ভোক্তাদের উপর। তিনি ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও তার প্রতিকার দ্রুতকরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব বলেন-ব্যবসায়ীদের সততা নিয়ে কাজ করতে হবে। গুটি কয়েক অসাধু ব্যবসায়ীদের দায়ভার সকলে বহন করবে না। আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি যাতে না বাড়ে তা মাথায় নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। একই সাথে কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমানোর জন্য এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে কমন টেস্টিং সুবিধা বাড়ানোর জন্য মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। এছাড়াও ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন এর অংশহিসেবে পণ্যের গুণগতমান বজায় রেখে কিভাবে বিদেশে রপ্তানি বাড়ানো যায় তা উদ্যোক্তাদের জানানোর জন্য চিটাগাং চেম্বারের সাথে যৌথভাবে নলেজ শেয়ারিং ও প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করেন চেম্বার সহ-সভাপতি।

বক্তারা বলেন-দ্রুত জনবল সংকট নিরসন, ল্যাব ফ্যাসিলিটি আধুনিকায়ন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবগুলোর সাথে সমন্বয় করা, দ্রুত ছাড়পত্র প্রদান করা, নমুনা পরীক্ষার সময় কমানো, ক্ষেত্রবিশেষে বিএসটিআই’র ছাড়পত্র কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গ্রহণ না করা, শনিবারও নমুনা সংগ্রহ এবং ফি জমাদান চালু রাখা, বন্দরভিত্তিক পণ্যগুলোর নমুনা পরীক্ষা জরুরীভিত্তিতে রাখার উপর মতামত তুলে ধরেন তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ