আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

আশ্রয়ণের ঘরে বদলে গেছে অর্ধকোটি অসহায় মানুষের জীবন

ডেস্ক নিউজ:

জাতীয়:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর সারা দেশে প্রায় অর্ধকোটি ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে। একসময়ের ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব পরিবারকে এখন আর অন্যের ঘরে বা ভাসমান অবস্থায় থাকতে হয় না। মাথা গোঁজার নিশ্চিত আপন স্থায়ী ঠিকানা পেয়ে তারা খুশি। সরকারের দেওয়া এই সুবিধা পেয়ে তাদের চোখে-মুখে এখন স্বস্তির হাসি। সামাজিক মর্যাদা পেয়ে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা।

এদিকে সরকারিভাবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের গড়ে তোলা হচ্ছে দক্ষ জনশক্তিতে। দেওয়া হচ্ছে ঋণ সহায়তা। অনেকেই এখন স্বনির্ভর। বাড়ির আঙিনায় করছেন শাকসবজির চাষ। কেউ হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল লালন পালন করছেন।
একসময়ের নিঃস্ব, রিক্ত ও অসহায় অর্ধকোটি মানুষের স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করেছে ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প’। দেশের পিছিয়ে পড়া ছিন্নমূল মানুষকে পুনর্বাসন তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূলধারায় আনার লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যার দৃষ্টি থেকে বাদ পড়েনি ভিক্ষুক, খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানের চালকসহ সাধারণ শ্রমজীবী, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারী, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী, কর্মহীন ও অসুস্থ এবং নদী ভাঙনে সব হারানো আর জলবায়ু উদ্বাস্তু মানুষগুলোও। সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া), বেদে, দলিত, হরিজন, কৃষক, জেলে, তাঁতি, কামার-কুমার-সবাই রয়েছেন প্রকল্পের সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠীর তালিকায়। বিশ্বের সর্ববৃহত এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল’ হিসেবে পরিচিত, যার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে দেশের গ-ি ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে দুই শতক জমিসহ ঘর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ঘরে দুটি শয়নকক্ষ, একটি করে বারান্দা, রান্নাঘর ও বাথরুমসহ নানা সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। উপকারভোগীর সংখ্যা ও পুনর্বাসনের পদ্ধতি বিবেচনায় এটি বিশ্বের বৃহত্তম সরকারি পুনর্বাসন কর্মসূচি। আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯০৪টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। পুনর্বাসিত মানুষের সংখ্যা ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫২০ (এক পরিবারের সদস্য আনুমানিক পাঁচ জন হিসাবে)। গড়ে প্রতি পরিবারে ছয় জন সদস্য হলে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৫২ লাখ ৭ হাজার ৪২৪।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর প্রতিনিধি দলের বৈঠক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাপানের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মিৎসুই অ্যান্ড কোম্পানির বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারম্যান কেনিচিরো কাওয়ামোটো’র নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চবক চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এর সাথে ঢাকায় সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিনিধিদল বিস্তারিত আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দর সফর করেন। এ সময় তারা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পর্ষদ সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সাক্ষাতকালে সদস্য (হারবার ও মেরিন) চট্টগ্রাম বন্দরের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কার্যক্রম যেমন: ডিজিটালাইজেশন, অটোমেশন, রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং, আইএসপিএস জিরো অবজারভেশন এবং জিরো ওয়েটিং টাইম অর্জনসহ প্রভৃতি উন্নয়ন প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরেন ।

বৈঠকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের উন্নয়ন এবং এর বাণিজ্যিক ও পরিচালনাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিৎসুই-এর বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় । প্রতিনিধিদলটি চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ সম্ভাব্যতা ও সুনীল অর্থনীতির উন্নয়নে একসাথে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন মিৎসুই-এর ডেপুটি কান্ট্রি চেয়ারম্যান রেইজি নাকানিশি এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড এনার্জি ডিভিশনের ডেপুটি ম্যানেজার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম।

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরুতে ৩ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ২৮ এপ্রিল ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার যে অঙ্গীকার করেছিল, তার একটি এটি।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, জ্বালানি লোডিংয়ের পর তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবেো।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ