বানিজ্যিক রাজধানী:

হামলাকারী ইউপি সদস্যকে গ্রেফতারে সাংবাদিকদের আল্টিমেটাম, দায়িত্বে অবহেলা করলেই কঠোর আন্দোলন

চট্টগ্রাম অফিস:

বাঁশখালী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ভয়—ভীতি প্রদর্শনপূর্বক সাংবাদিকের স্বাধীনতা হরণ, হামলা, মামলা ও নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারী ইউপি সদস্য মোঃ আনোয়ারুল ইসলামসহ তার সহকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা (চসাস) ও চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকরা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার (২০জুন) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চসাস সভাপতি সৈয়দ দিদার আশরাফীর সভাপতিত্বে ও রাজীব দাস তুষারের সঞ্চালনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকরা হামলাকারী ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। বাঁশখালী থানা পুলিশ ভুক্তভোগীর পক্ষে বারবার মামলা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও মামলা না নেওয়ায় আন্দোলনরত সাংবাদিকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। তারা বলেন, মামলা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সময় অতিবাহিত করা হয়েছে। এমনটা উচিত নয়। যদি আগামী শুক্রবারের মধ্যে থানা পুলিশ মামলা না নেয় তাহলে আমরা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করব। সেই সাথে মামলা নেয়ার কথা বলে সময় বিলম্বের কারণে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আমরা আদালতে মামলা করব। কে কোথায় অনিয়ম করছে আমাদের সব জানা আছে। প্রয়োজনে আমরা থলের বিড়াল খুঁজে বের করব।

চসাস সাধারণ সম্পাদক ওসমান এহতেসাম বলেন, বাঁশখালী উপজেলার ৩নং খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দীন হায়দারের চাল চুরির দুর্নীতি গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় সাংবাদিক গাজী গোফরানের বড় ভাই মোঃ বোরহান উদ্দিনের উপর অভিযুক্ত ইউপি সদস্য চেয়ারম্যানের নির্দেশে হামলা করে। এমনকি সাংবাদিকের মায়ের শাড়ি ধরে টানা হেচড়া করে। উল্টো তিনিই আবার টাকা ও মদদদাতাদের সুপারিশে সরকারি কাজে বাধার অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে। যা ইউপি সদস্য নিজে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন। এমন অন্যায় হতে দেয়া যায় না। আমরা এই অপরাধের শাস্তি চাই। আমরা একদিনের আল্টিমেটাম দিলাম। যদি এই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা না হয় আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামব।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে সাংবাদিক গাজী গোফরান বলেন, তাদের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পরের দিন আমার ভাই বাজারে যাওয়ার সময় ওই ইউপি সদস্য তার পথ আটকে দেয়। জানতে চান, তোর ভাই কেন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিউজ করেছে। আমার বড় ভাই এ বিষয়ে আমার সাথে কথা বলতে বললেই, তাকে বেধরক থাপ্পড় ও কিল ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আত্ম রক্ষার্থে আমার ভাই ছুটাছুটি করলে তার গালে থাপ্পড় লাগে। আমার মতে, নিজেকে আত্মরক্ষা করা দোষের না। সবাই বাঁচতে চায়।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চসাস’র অন্যতম সংগঠক প্রণবরাজ বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মানবকন্ঠ প্রতিনিধি ওমর ফারুক, সহ-সাংগঠনিক পলাশ কান্তি নাথ, অনুষ্ঠান সম্পাদক ঈসা মোহাম্মদ, বাংলাদেশ কৃষক আম জনতার মহাসচিব সাংবাদিক মনজুরুল আলম, দৈনিক জনবাণী প্রতিনিধি আইয়ুব মিয়াজী, সাংবাদিক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, চসাস সদস্য জিয়াউল ইসলাম জিয়া, সদস্য সেলিম রেজা, ক্রাইম রিপোর্টার আব্দুল মোমিন, কবি অভিলাষ মাহমুদ, সংগঠক মীর বরকত হোসেন, সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর, হাফেজ আহমেদ, সাংবাদিক আব্দুল সাত্তার টিটু, চসাস সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ জামশেদ ও মোঃ সাজ্জাদ।

উল্লেখ্য, বাঁশখালী উপজেলার জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল সঠিকভাবে বন্টন করা হচ্ছে কিনা তা দেখতে গত ১২ জুন সকালে খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে যান চট্টগ্রাম বাঁশখালী—১৬ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সিআইপি। যেখানে ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ে। এই অনিয়মের তথ্য পেয়ে গত ১৩ জুন সংবাদ প্রকাশ করে সরকার নিবন্ধিত জেএ টিভি প্রতিনিধি সাংবাদিক গাজী গোফরান। উক্ত সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গত শুক্রবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় খানখানাবাদ জেলেপাড়া বাজার এলাকায় ইউপি সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা মিলে গাজী গোফরানের বড় ভাই মোঃ বোরহান উদ্দিনের উপর হামলা করে। এমনকি ঘন্টা দুইয়ের ব্যবধানে পুরুষ শূন্য বাড়িতে প্রবেশ করে নিরুপায় নারীদের শাড়ি ধরে টানা হেচড়া করে ওই ইউপি সদস্য ও তার লোকজন। কিন্তু এ ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করতে সরকারি কাজে বাঁধা দেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ এনে উল্টো ওই ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। পরে আবার সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নানা জনের তদবিরে রচিত মামলার কথাও স্বীকার করেন ওই ইউপি সদস্য। দাবি করেন, আরেকটু সময় পেলে অবস্থা খারাপ হতো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমরা সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যারা গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জুমার নামাজ আদায়ের আগে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।দুদিনব্যাপী এ দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসলামবিদ্বেষী শক্তির হাত থেকে মুক্ত হয়েছি। বিগত ১৬-১৭ বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমিও তাদের একজন ছিলাম। মানুষ বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আমরা সেই হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করতে চাই।

তিনি বলেন, ধর্মের নাম বিক্রি করে যারা রাজনীতি করছে, তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা শুধু দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। ইসলামের মূলনীতি অনুসরণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনীতি প্রতিষ্ঠার কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা এ দেশের সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এখানে আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। দেশের মানুষের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে কখনো ম্লান হতে দিতে চাই না।জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর পাশাপাশি সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনঃস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি থেকে দেশকে বের করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের পূর্ববর্তী নীতিগুলোর পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি পুনরায় ধারণ করব।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্যায়, অবিচার, দুঃশাসন ও দুর্নীতির কারণে দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার মতো একজন মানুষকেও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তাদের আর এ দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ থাকতে হবে। একেকজনের একেক রকম আদর্শিক রাজনীতি থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয়ে আমরা একমত যারা এ দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর আলেম-ওলামাদের রক্ত নিয়েছে এবং মসজিদকে রক্তাক্ত করেছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না।

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি : পুলিশ সুপার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে সিভিক সেন্টারে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, উন্নত কর্মপরিবেশ, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত স্থান সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব জায়গায় শাকসবজি ও ফলমূল চাষের উদ্যোগ নিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করেন।এতে অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার, পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও স্বনির্ভরতা বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও কর্মস্পৃহা বাড়াতে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।
এ ছাড়া প্রতিটি থানায় প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহের বিষয়েও নির্দেশনা দেন।

সভায় পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার, সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধী ও পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন পুলিশ সুপার। সেগুলো সমাধানে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ এবং পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেল অফিসার, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (অ্যাডমিন), ডিআইও-১, আরআই, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ