মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী। গত ১৩ জুন বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল হাই বিপিএএ স্বাক্ষরিত ৪৫.১৫৫.১১৪.০০.০০.০০৮.২০১৫-১৬৫ নম্বর স্মারকের এক আদেশে চসিক মেয়রকে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়। আদেশে বলা হয়, ঢাকা সিটির বাহিরে অবস্থিত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর/ জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে কলাম-৫ এ বর্ণিত মাননীয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মেয়র ও সংসদ সস্যগণকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত¡াবধায়ক সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিকস) ডা. অজয় দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মন্ত্রলণালয় থেকে প্রেরিত আদেশের কপি গত ২৫ জুন মঙ্গলবার গ্রহণ করা হয়। এর আগে শিক্ষা মন্ত্রী ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি (সংসদীয় আসন-২৮৬, চট্টগ্রাম-৯ সদর আসন) জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। একই আদেশে শিক্ষা মন্ত্রীকে পূনঃরায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে।###

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ঠেকাতে জেলা পুলিশের সাইবার টিমকে বিশেষ নির্দেশনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত শনাক্ত, যাচাই ও প্রতিরোধে এ নির্দেশ দেয়া হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জুম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিম কর্তৃক করণীয়’ শীর্ষক সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের (বিপিএম) সভাপতিত্বে সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), ডিআইও-১, ওসি ডিবি এবং সাইবার মনিটরিং টিমের সদস্যরা অংশ নেন।সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য শনাক্ত, তথ্যের সত্যতা যাচাই, ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের উৎস চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বিশেষ করে দুর্গাপূজা, ধর্মীয় সম্প্রীতি, পূজামণ্ডপ ও সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ছড়ানো তথ্য সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুরোনো বা ভিন্ন ঘটনার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা এবং ধর্মীয় উসকানি বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এমন কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় পুলিশ সুপার গুজব শনাক্তের পর দ্রুত তথ্য যাচাই, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য তুলে ধরে কাউন্টার ন্যারেটিভ প্রচারের সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেন।এ সময় গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্টের লিংক, স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট আইডি বা পেজ, সময়সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় বলা হয়, কোনো ঘটনা বা তথ্য নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট থানা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে হবে। যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করতে সংক্ষিপ্ত, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী তথ্য প্রচার করতে হবে।পাশাপাশি থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সংস্থার মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য বা পোস্ট শেয়ার না করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। কোনো কনটেন্টে অপরাধের উপাদান পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা শনাক্ত, দ্রুত সত্যতা যাচাই এবং সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণে আসছেনা হামের প্রাদুর্ভাব, ৬ মসে ২১ জনের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নিয়ন্ত্রণে আসছে না হামের প্রাদুর্ভাব। ডেঙ্গুর চেয়ে হামে আক্রান্ত শিশু বেশি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানান, হামে আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে চরম পুষ্টিহীনতা অন্যতম কারণ। হামে আক্রান্তরা একই সঙ্গে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। চমেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ১০ বেডের আইসিইউ খালি নেই। হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮ হাজারের বেশি ওয়ার্ডে শয্যা সংকুলান না হওয়ায় ওয়ার্ডের বাইরে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে আক্রান্ত রোগীদের।

একদিকে হামের বিস্তার, অন্যদিকে ডেঙ্গুর ঊর্ধ্বমুখী প্রকোপ- দুই সংক্রামক রোগের প্রকোপে চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র রোগীর চাপ। বিশেষ করে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে শয্যার বাইরে মেঝেতেও রোগীদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও একটি শয্যায় রাখা হচ্ছে দুই শিশুকে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ। গুরুতর রোগীদের জন্য আইসিইউ ও কেবিনের সংকটের কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের মাঝামাঝি থেকে গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মহানগর ও জেলার ১৫ উপজেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ হাজার ৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৮৪ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৬ জন। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়ার পর মারা গেছেন ৩ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম পরীক্ষার জন্য ১৬ হাজার ৯৬০টি নমুনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪৩ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। মহানগরেই রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি। সেখানে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭ হাজার ৮৯৭ জন। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৬০৯ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ২৮৮ জন। মহানগরে পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ৪৮৬ জনের। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ১৯ ব্যক্তির মধ্যে ১৫ জন মহানগরের।

অন্যদিকে জেলার ১৫ উপজেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬৮ জন। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৭৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ২৯৫ জন। উপজেলাগুলোতে ২৫৭ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। হামের প্রকোপের চিত্র বোঝাতে শুধু আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট নয়। হাসপাতালগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, রোগীর চাপের সঙ্গে চিকিৎসা অবকাঠামোর সামঞ্জস্য রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ ক্রমেই বেড়েছে। গত রোববার এক দিনেই মহানগরে ৭১ জন হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এদিন কোনো উপজেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে কেউ ভর্তি হননি।
চমেক হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হামে আক্রান্ত বা হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের অনেকের অবস্থা গুরুতর। নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। তীব্র গরম ও বিদ্যুৎ-সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

হামের চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে বিশেষায়িত ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে ৫০টি। পিএসইউ ওয়ার্ডে হামের রোগীদের জন্য রয়েছে আরও ১০টি শয্যা। এর বাইরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে ১৬টি আইসোলেশন শয্যা। কিন্তু রোগীর সংখ্যা এসব শয্যার ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি হওয়ায় অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। কোথাও একটি শয্যায় দুই শিশুকেও রাখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদান এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে পৃথক রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি বাড়িতেও আক্রান্ত রোগীকে অন্যদের থেকে পৃথক রাখতে হবে। কিন্তু হাসপাতালেই যখন রোগীর চাপ ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।
হামের বিস্তার নিয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, হামের শিকার ১০ শিশুর প্রায় ৬ জনই কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সংক্রমিত হয়েছে। গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত শিশুদের ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ক্লিনিক বা হাসপাতালে অন্য রোগের চিকিৎসা নিতে গিয়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের ৪৮ শতাংশের বয়স ৯ মাসের কম। অর্থাৎ, বাংলাদেশের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে হামের প্রথম টিকা নেওয়ার বয়স হওয়ার আগেই তারা সংক্রমিত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের ৮৫ দশমিক ২ শতাংশই ছিল সম্পূর্ণ টিকাবিহীন। তাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আবার তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছিল। গবেষণাটি করেছে এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এআরএফ)।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ