চট্টগ্রাম জেলা:

চট্টগ্রামে নারীর চেয়ে অবিবাহিত পুরুষের সংখ্যা বেশি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

বানিজ্যিক নগরী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পুরুষের সংখ্যা ৪৫ লাখ ৭০ হাজার ১১৩ এবং নারীর সংখ্যা ৪৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৬ জন। ২৬.৫২ শতাংশ অবিবাহিত নারীর বিপরীতে পুরুষের হার ৪২.৪৩ শতাংশ। আবার নারীর চেয়ে অবিবাহিত পুরুষের সংখ্যাও বেশি।

জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের জনশুমারি ও গৃহগনণা ২০২২ এর রিপোর্ট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এ রিপোর্ট উপস্থাপন করেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ওয়াহিদুর রহমান।
রিপোর্টের তথ্যনুযায়ী, চট্টগ্রাম জেলায় জনসংখ্যা ১৫ লাখ ৫৩ হাজার বেড়ে ৯১ লাখ ৬৯ হাজার ৪৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। চট্টগ্রামে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি। তবে স্বাক্ষরতায় এগিয়ে রয়েছে পুরুষ। পুরুষের সাক্ষরতার হার ৮২.৮৮ শতাংশ এবং নারী ৭৯.২৬ শতাংশ।

জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ওয়াহিদুর রহমান জানান, ২০২২ সালে ১৪ জুন পর্যন্ত চট্টগ্রামে জনসংখ্যা ছিল ৯১ লাখ ৬৯ হাজার ৪৬৫ জন। এর মধ্যে পল্লী অঞ্চলে জনসংখ্যা ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ২৪৯ জন এবং শহর অঞ্চলে জনসংখ্যা ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ২১৬ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাস করেন ১৭৩৬ জন। ২০১১ সালে ছিল ১৪৪২ জন। জেলায় জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২০১১ সালে এ হার ছিল ১ দশমিক ৪০ শতাংশ।

চট্টগ্রামে মুসলিম জনসংখ্যা ৮৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। হিন্দু জনসংখ্যা ১০.৭২ শতাংশ। বৌদ্ধ জনসংখ্যা ১.৬৩ শতাংশ। এছাড়া জেলায় অবিবাহিত নারীর চেয়ে পুরুষে সংখ্যা বেশি। নারী ২৬.৫২ শতাংশের বিপরীতে পুরুষের হার ৪২.৪৩ শতাংশ। পুরুষের চেয়ে বেশি নারীর সংখ্যা। প্রতি ১০০ জন নারীর অনুপাতে পুরুষের সংখ্যা ৯৯.৩৭ শতাংশ। চট্টগ্রামে পুরুষের সংখ্যা ৪৫ লাখ ৭০ হাজার ১১৩ এবং নারীর সংখ্যা ৪৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৬ জন। সে হিসেবে চট্টগ্রামে ২৮ হাজার ৮১৩ নারী বেশি। চট্টগ্রামে সাক্ষরতা হার ৮১.০৬ শতাংশ, এর মধ্যে নারী ৭৯.২৬ শতাংশ এবং পুরুষ ৮২.৮৮ শতাংশ। জেলায় ১৫-২৪ বছর বয়সী জনসংখ্যা প্রায় ৩০.৩৮ শতাংশ তরুণ-তরুণী পড়ালেখা, কাজ বা কোনো ট্রেনিং কার্যক্রমে যুক্ত নেই। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৪৬.৬২ শতাংশ, পুরুষ সংখ্যা ১২.১৬ শতাংশ।

চট্টগ্রামে কমছে কৃষি নির্ভর পেশার পরিমাণ। জেলায় কৃষি ক্ষেত্রে কাজ করা জনসংখ্যার পরিমাণ ১৭.৪৬ শতাংশ। এর বিপরীতে শিল্প খাতে ২৮.৭৪ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৫৩.৮০ শতাংশ জনসংখ্যা জড়িত রয়েছে। ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭৭.০৭ শতাংশ। এর মধ্যে নারী ৬৮.৫০ শতাংশ। পুরুষ ৮৫.৯৮ শতাংশ। অন্যদিকে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৫০. ৮২ শতাংশ। এর মধ্যে নারী ৪২.৪৩ শতাংশ এবং ৫৯.৫৪ শতাংশ।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্মসচিব দেব দুলাল ভট্টাচার্য্যের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চন্দন কুমার পোদ্দার। এছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, পরিসংখ্যান ব্যুরো যে তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেছে তা চট্টগ্রামের জেলার বিভিন্ন উন্নয়নে কাজে লাগবে। বিশেষ করে স্যানিটেশন, জ্বালানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রামে এখনো ১.৪৯ শতাংশ কাঁচা/খোলা টয়লেট ব্যবহার করেন। এটিকে কিভাবে শূন্যে নামিয়ে আনা যায় তা নিয়ে কাজর জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগকে অনুরোধ করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার পূর্বধলায় নানাবিধ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পূর্বধলা উপজেলা সদরের হেলিপ্যাড সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা তরুণ দলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।​প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরবর্তীতে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবু তাহের তালুকদার।

নেত্রকোনা জেলা তরুণ দলের সভাপতি শেখ ফারুকের সভাপতিত্বে এবং পূর্বধলা উপজেলা তরুণ দলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মিজানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সায়েদ আল মামুন শহীদ ফকির, রুহুল আমিন ফকির, সেলিম উদ্দিন, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, সালাউদ্দিন আহমেদ নওয়াব ও আশরাফ উদ্দিন তালুকদার।

​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিকাশ ঘোষ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী তুরাগ ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণে আসছেনা হামের প্রাদুর্ভাব, ৬ মসে ২১ জনের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নিয়ন্ত্রণে আসছে না হামের প্রাদুর্ভাব। ডেঙ্গুর চেয়ে হামে আক্রান্ত শিশু বেশি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানান, হামে আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে চরম পুষ্টিহীনতা অন্যতম কারণ। হামে আক্রান্তরা একই সঙ্গে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। চমেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ১০ বেডের আইসিইউ খালি নেই। হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮ হাজারের বেশি ওয়ার্ডে শয্যা সংকুলান না হওয়ায় ওয়ার্ডের বাইরে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে আক্রান্ত রোগীদের।

একদিকে হামের বিস্তার, অন্যদিকে ডেঙ্গুর ঊর্ধ্বমুখী প্রকোপ- দুই সংক্রামক রোগের প্রকোপে চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র রোগীর চাপ। বিশেষ করে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে শয্যার বাইরে মেঝেতেও রোগীদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও একটি শয্যায় রাখা হচ্ছে দুই শিশুকে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ। গুরুতর রোগীদের জন্য আইসিইউ ও কেবিনের সংকটের কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের মাঝামাঝি থেকে গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মহানগর ও জেলার ১৫ উপজেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ হাজার ৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৮৪ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৬ জন। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়ার পর মারা গেছেন ৩ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম পরীক্ষার জন্য ১৬ হাজার ৯৬০টি নমুনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪৩ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। মহানগরেই রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি। সেখানে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭ হাজার ৮৯৭ জন। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৬০৯ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ২৮৮ জন। মহানগরে পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে ৪৮৬ জনের। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ১৯ ব্যক্তির মধ্যে ১৫ জন মহানগরের।

অন্যদিকে জেলার ১৫ উপজেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬৮ জন। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৭৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ২৯৫ জন। উপজেলাগুলোতে ২৫৭ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। হামের প্রকোপের চিত্র বোঝাতে শুধু আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট নয়। হাসপাতালগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, রোগীর চাপের সঙ্গে চিকিৎসা অবকাঠামোর সামঞ্জস্য রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ ক্রমেই বেড়েছে। গত রোববার এক দিনেই মহানগরে ৭১ জন হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এদিন কোনো উপজেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে কেউ ভর্তি হননি।
চমেক হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হামে আক্রান্ত বা হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের অনেকের অবস্থা গুরুতর। নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। তীব্র গরম ও বিদ্যুৎ-সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

হামের চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে বিশেষায়িত ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে ৫০টি। পিএসইউ ওয়ার্ডে হামের রোগীদের জন্য রয়েছে আরও ১০টি শয্যা। এর বাইরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে ১৬টি আইসোলেশন শয্যা। কিন্তু রোগীর সংখ্যা এসব শয্যার ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি হওয়ায় অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। কোথাও একটি শয্যায় দুই শিশুকেও রাখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদান এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে পৃথক রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি বাড়িতেও আক্রান্ত রোগীকে অন্যদের থেকে পৃথক রাখতে হবে। কিন্তু হাসপাতালেই যখন রোগীর চাপ ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।
হামের বিস্তার নিয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, হামের শিকার ১০ শিশুর প্রায় ৬ জনই কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সংক্রমিত হয়েছে। গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত শিশুদের ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ক্লিনিক বা হাসপাতালে অন্য রোগের চিকিৎসা নিতে গিয়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের ৪৮ শতাংশের বয়স ৯ মাসের কম। অর্থাৎ, বাংলাদেশের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে হামের প্রথম টিকা নেওয়ার বয়স হওয়ার আগেই তারা সংক্রমিত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের ৮৫ দশমিক ২ শতাংশই ছিল সম্পূর্ণ টিকাবিহীন। তাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আবার তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছিল। গবেষণাটি করেছে এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এআরএফ)।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ