আমরা করবো জয় আয়োজিত সভায় সুজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

নিজস্ব প্রতিবেদক

আমরা করবো জয় আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। আজ বুধবার (১০ জুলাই ২০২৪ইং) বিকেলে খোরশেদ আলম সুজন এর উত্তর কাট্টলীস্থ বাসভবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আমরা করবো জয়’ আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত আহ্বান জানান সুজন।

এ সময় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্ত এবং দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতার উষালগ্নে মাত্র তিন বছরের মাথায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারবর্গকে হত্যা করে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মৃত্যুঞ্জয়ী মূল্যবোধগুলোকে পরবর্তী সরকারগুলো পদদলিত করে দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। অনেকেই তখন বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে উপহাস করেছে। আজকের বাংলাদেশে দাড়িয়ে আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশ আজ শুধুই দারিদ্র্যের উদাহরণ নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সমৃদ্ধি এবং অগ্রযাত্রার উদাহরণ হয়ে দাড়িয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর বুকে এক অপার বিস্ময়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আজ ঈর্ষনীয়। আর তাই বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা অনেকের গা-জ্বলার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। এই অগ্রযাত্রা অনেকে সহ্য করতে পারছে না বলে তারা ছলে বলে কৌশলে ষড়যন্ত্র করছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে রুখে দাড়ানোর জন্য। একই ষড়যন্ত্র বলে তাঁরা ১৯৭৫’র ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমরা সেদিন স্লোগান দিয়েছিলাম এক মুজিবের রক্ত থেকে লাখো মুজিব জন্ম নেবে। আমাদের সেই স্লোগান আজ সত্যি হয়েছে। আজ বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে অজস্র মুজিব জন্ম নিয়েছে। তারা আজ সকল ষড়যন্ত্র চক্রান্ত রুখে দিতে বদ্ধ পরিকর। যুগে যুগে এদেশের ছাত্র যুব সমাজ সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আজও ছাত্র যুব সমাজকে দেশ রক্ষায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সূচিত জাতীয় উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা ও সমৃদ্ধিকে টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম ইমরান হাসান আহমেদ ইমু’র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আ ফ ম সাইফুদ্দিন, তালেব আলী, শওকত আলী রনি, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, নোমান চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুজন বর্মন, রনি মির্জা, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. রায়হান, শফিকুল আলম পারভেজ, আমির হোসেন সোহাগ, আব্দুল মান্নান রুবেল, আজিজুল হক আজিজ, শহীদুল্লাহ বাবলু, শেখর দাশ, মনিরুল হক মুন্না, শুভ ঘোষ, কপিল কর, হাবিবুর রহমান, হাসান আলী, মো. রাশেদ, সজোয়ার জিকু, মো. আরাফাত রুবেল প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নীরব সমাজব্রতী ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব আবুল হোছাইন সওদাগর (রহ.) অধ্যাপক মাওলানা এস এম ইউনুছ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত বাকলিয়া একটি ঐতিহাসিক এবং ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এই এলাকাকে কেন্দ্র করে একাধিক ওয়ার্ড এবং একটি প্রশাসনিক থানা। হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম, ধনী, দরিদ্র শ্রমজীবী ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বহু মানুষের আবাসস্থল বাকলিয়া এলাকা। পূর্ব বাকলিয়ার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল হোছাইন (প্রকাশ বাংলাদেশ বাণিজ্য ভান্ডার)। চলন বলন আচরণে তিনি একজন নীরব ও নিরহংকার মানুষ ছিলেন। সদা হাসিমাখা চেহারা নিয়ে কথা বলতেন। কখনও কারো সাথে রূঢ় আচরণ করেছেন বলে আমার জানা নেই। তাঁর পিতার নাম মরহুম কালা মিয়া, মাতা মরহুমা মেওয়াজান খাতুন। তিনি স্থানীয় ঘাটকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী শেষ করে কাজেম আলী উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৫৮ সনে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি পরিবারের হাল ধরেন এবং তাঁর মামা দানবীর আহমদীয়া করিমিয়া সুন্নিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব সোনামিয়া সওদাগরের ব্যবসায়িক সহায়ক হিসেবে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। অত্যন্ত সততা আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে মামার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে মামার আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন। মামা-ভাগিনার যৌথ প্রচেষ্টায় ব্যবসার পরিধি অধিকতর সম্প্রসারিত হয়। শুটকির আড়ত ব্যবসা ছাড়াও নতুনভাবে আমদানি ব্যবসা এবং শিল্প কারখানা, হাসেম টেক্সটাইল মিলস লি: এবং চম্পা অয়েল মিলস লি: সহ আরও নানাবিধ প্রতিষ্ঠান তিনিই তদারকি করতেন। একযুগেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের পর নিজে আছদগঞ্জ ইসলাম কলোনীর মুখে বাংলাদেশ বাণিজ্য ভান্ডার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। অতি অল্প সময়ের মধ্যে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এবং শীপ ব্রেকিং সহ নানাবিধ ব্যবসার মাধ্যমে প্রভূত উন্নতি সাধন করেন।

ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখেন। তাঁর সামাজিক ও দ্বীনি কর্মের উন্নত নিদর্শন হচ্ছে বাকলিয়াস্থ আহমদীয়া করিমিয়া সুন্নিয়া ফাযিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা। আলহাজ্ব সোনামিয়া সওদাগর তাঁর পীর ও মুর্শিদ গাউসে জামান শাহসুফি আল্লামা সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রহ.) কর্তৃক স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে এ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মামাকে নানাভাবে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দিয়ে উজ্জীবিত করেন এবং ১৯৭৩ সনে প্রথমে তাঁর পীর ও মুর্শিদের নামে আহমদিয়া ফোরকানীয়া মাদ্রাসা চালু করেন। পরবর্তীতে পিতার নামসহ আহমদিয়া করিমিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা নামে ১৯৭৭ সনে দাখিল স্তরে উন্নীত করেন এবং বোর্ডের স্বীকৃতি লাভ করেন। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকাল হতে সুদীর্ঘ সময় তিনি এই মাদ্রাসার সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। আমি ১৯৮৩ সনে এ মাদ্রাসায় সহসুপার পদে যোগদান করি। উনার অনুপ্রেরণায় ১৯৮৬ সনে অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করি এবং তাঁর ঐকান্তিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণায় ১৯৮৯ সনে এই মাদ্রাসাকে আলিম স্তরে উন্নীত করে ১৯৯১ সনে তৎকালীন মন্ত্রী মরহুম জিয়াউদ্দিন বাবলুর সহযোগিতায় এম.পি.ও ভুক্ত করতে সক্ষম হই।

আমার সুদীর্ঘ ছয় বছর অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনকালে মাদ্রাসার সময়ে এবং দুঃসময়ে তিনি বটবৃক্ষের ছায়া দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করেন এবং কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ রেখেছেন। এর জন্য আমি তাঁর কাছে ঋণী।

বৃহত্তর বাকলিয়া বিভিন্ন শ্রেণি পেশার বিশাল জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হলেও এলাকাটি শিক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ ছিল। আজ থেকে তিন দশক পূর্বে পূর্ব বাকলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ব্যতীত বৃহত্তর বাকলিয়ায় আর কোনো বিদ্যালয় ছিল না। এলাকার মানুষগুলো শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকলেও তারা ছিলেন শিক্ষানুরাগী। প্রায় প্রতিটি পরিবার ছিল একটি মিনি পাঠশালা, প্রত্যেক ঘরে ঘরে লজিং মাস্টার থাকতো। তখনকার দিনে একটি প্রবাদ বাক্য ছিল, “বাকলিয়ার ভাত না খাইলে শিক্ষিত হওয়া যায় না।” বৃহত্তর চট্টগ্রামের অনেক বড় বড় শিক্ষাবিদ বাকলিয়ায় লজিং থেকে শিক্ষিত হয়েছেন। বাড়িতে লজিং মাস্টার রাখা বাকলিয়ার মানুষের পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ। শিক্ষায় পশ্চাৎপদ এলাকাকে আলোকিত করতে স্কুল, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা ছিল সময়ের দাবি। এই দাবি পূরণ করার লক্ষ্যে তিনি উত্তর-পূর্ব বাকলিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বাস্তবায়ন কমিটির সম্পাদক ছিলেন আবুল হোছাইন সওদাগর। পরে তা নুরুল ইসলাম বি.এস.সির অর্থায়নে সানোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণ হয়। ঐ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি ঘাটকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বায়তুর জমা জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন। পটিয়া বানিগ্রাম হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) জামে মসজিদের প্রধান উপদেষ্টাসহ বহু দ্বীনি, সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মরহুম আবুল হোসাইন ছিলেন ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত ধার্মিক এবং সামাজিক। সমাজের গরিব দুঃখী-দুস্থ মানবতার সেবায় তিনি সবসময় নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করতেন। তাঁর সক্ষমতা অনুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করতেন। তিনি ধর্মীয় অনুশাসন ব্যক্তিগতভাবে এবং পারিবারিকভাবে যথাযথ পালন করতেন। তিনি হুজুর কেবলা আল্লামা সৈয়দ তৈয়ব শাহ (রহ.)-এর ভক্ত ও মুরিদ ছিলেন। তিনি তাঁর সন্তানদেরকেও ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলতে তাগাদা দিতেন। আর্থসামাজিক ও পারিপার্শ্বিক কারণে তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে না পারলেও তাঁর সন্তানদের সবাইকে উচ্চ শিক্ষিত করেছেন। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই মেয়ে ও ছয় ছেলে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বাকলিয়ায় তাঁর জন্মস্থান হলেও সন্তানদের ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা শেখানোর জন্য জীবনের বেশিরভাগ সময় শহরের প্রাণকেন্দ্র আসকারদীঘির পশ্চিমপাড়, নন্দনকানন, জামালখান এলাকায় অতিবাহিত করেন এবং জীবন সায়াহ্নে নিজ এলাকায় পৈতৃক ভিটায় সুরম্য বাড়ি তৈরি করে সুখে সানন্দে শেষ জীবন সম্পন্ন করেন। ২০২৪ সনের ১১ অক্টোবর শুক্রবার রাত ৯.৩০ মিনিটে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ তাঁর জীবনের সকল খেদমতকে কবুল করুন এবং তাঁকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে উচ্চাসনে সমাসীন করুন আমিন।

মাওলানা এস.এম.ইউনুছ:
সাবেক বিভাগীয় প্রধান
আরবী ও ইসলামি শিহ্মা বিভাগ চট্টগ্রাম কলেজ
চট্টগ্রাম।

বিউটি রানী পাল সিলেট জেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেটে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল। ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’ গানের সঙ্গে তাঁর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশব্যাপী আলোচনা চলে তাকে নিয়ে।

সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশাদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত চার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে বিউটি রানী পাল ছাড়াও সিলেট সদর উপজেলার জহিরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন লস্কর, ওসমানীনগর উপজেলার আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাম্মত নুরজাহান বেগম এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর চৌধুরীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আদরী রানী দাস রয়েছেন।

বিউটি রানী পাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ