চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ

সম্মেলনকে ঘিরে পুরোনো কোন্দল নতুন করে চাঙা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ দুই ধারায় বিভক্ত। নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরে পুরোনো কোন্দল নতুন করে চাঙা হয়ে উঠেছে। নগর আওয়ামী লীগের কোন্দলের প্রভাব পড়েছে মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে। নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং কোষাধ্যক্ষ ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আবদুচ ছালামকে ঘিরে দুইটি ধারা চলে আসছে। দুই নেতাকে ঘিরে দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়েছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারা।
জানা গেছে, মহানগর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বিরোধের প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিট সম্মেলনে। মোহরা ওয়ার্ডে ইতিমধ্যেই দুই পক্ষ ইউনিট পর্যায়ে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করছে। গতকাল শুক্রবার ‘সি’ ইউনিট আওয়ামী লীগের কর্মীসভাকে ঘিরে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এতে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গত শুক্রবার ওয়ার্ডের ‘সি’ ইউনিট আওয়ামী লীগের কর্মীসভার আয়োজন করে ইউনিট আওয়ামী লীগ। এই পক্ষটি নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। একতরফাভাবে সভা করার অভিযোগ করে সভাস্থলে উপস্থিত হয় ছালামের অনুসারীরা। এক পক্ষ কার্যালয়ে ও অন্য পক্ষ কার্যালয়ের নিচ অবস্থান নেয়। সভাকে ঘিরে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়ায়। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, হৈ-হুল্লোড় ও স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মোহরা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী নুরুল আমিন মামুন বলেন, দলের একটি বড় অংশকে বাদ দিয়ে কর্মীসভা ও সম্মেলন করার পাঁয়তারা করায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে আমাকেও বলা হয়নি। মেয়র সাহেব ও পুলিশের অনুরোধে উপস্থিত হয়ে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের আমরা সরিয়ে দিয়েছি। এরফলে কোনো অঘটনা ঘটেনি।
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য অলিদ চৌধুরী বলেন, একটি পক্ষ পছন্দনীয় লোকদের নিয়ে একতরফাভাবে সম্মেলনের মাধ্যমে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা করছে। এতে দলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, ১৫ দিন আগে ছালামের অনুসারীরা তিন ইউনিটে কর্মীসভা করেছেন। এই অংশের নেতা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মো. ফারুক বলেন, দলীয় গঠনতন্ত্র মেনে ত্যাগী-পরীক্ষিতদের নিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ইউনিট ও ওয়ার্ড সম্মেলনের দাবি করে আসছিলাম। কিন্তু একটি পক্ষ স্বেচ্ছাচারিতা ও পক্ষপাতমূলক সম্মেলন করার পাঁয়তারা করছে। বিষয়টি সিনিয়র নেতা ও ইউনিট আওয়ামী লীগের নেতা নগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সমন্বয়ক সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্র আরো জানায়, অভিযোগ পাওয়ার পর মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। সম্মেলন করার জন্য ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের তিন নেতার সঙ্গে সমন্বয় করতে ছালাম অনুসারীদের পক্ষ থেকে তিনজনকে সম্পৃক্ত করেন। তারা হলেন, দলের সিনিয়র সদস্য এসএম আনোয়ার মীর্জা, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ও মো. সেকান্দর।
নাছির অনুসারী হিসেবে পরিচিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুক খান বলেন, একটি পক্ষ বিচ্ছিন্নভাবে কর্মীসভা করেছে। তাদের তো সভা করার কোনো এখতিয়ার নেই।
যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুক খান বলেন, ইউনিটের কর্মীসভা শেষে দুই পক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিয়ে সম্মেলনের বিষয়ে বৈঠক করা হবে। নগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ও নগর আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করে সম্মেলনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জানা গেছে, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। এর আগে আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে ইউনিট ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অসমাপ্ত সম্মেলন শেষ করার সিদ্ধান্ত হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশবিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্র ও অগ্নি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে-বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর ১৫ নং বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির পক্ষ থেকে এক সন্ত্রাস বিরোধী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সন্ত্রাস বিরোধী মিছিলের নেতৃত্ব দেন মোহাম্মদ মিজান ও মোঃ ফজর আলী। সন্ত্রাসীরা কোন বিশৃংখলা করলে শক্ত হাতে দমন করা হবে। সন্ত্রাস বিরোধী মিছিলে উপস্থিত ছিলেন – ওয়ার্ড সভাপতি চৌধুরী সায়েফুদ্দিন রাশেদ সিদ্দিকী প্রধান অতিথি হিসেবে, সদস্য সচিব মোহাম্মদ সরোয়ার উদ্দিন, মোঃ কচি ভাই, মোঃ ফজর আলী,


মোঃ মামুন, মোঃ ইব্রাহিম লালন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ মুন্না খান, মোহাম্মদ মিজান, মোঃ আবু মুসা,মোহাম্মদ মিন্টু, মুনমুন জাহাঙ্গীর, বাদশা জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ নাজমুল, মোহাম্মদ শফি, কুতুব উদ্দিন নয়ন, মোহাম্মদ রুবেল, মোহাম্মদ আরিফ,ফারুক হোসেন, জালাল উদ্দিন জনি, মোহাম্মদ নাজিম, মোঃ মহিউদ্দিন, মোঃ হানিফসহ বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপি, র অংগ সংগঠনের নেতা কর্মী ও সদস্যবৃন্দ।


বিক্ষোভ মিছিল প্রাক্কালে বক্তাগণ বলেন -নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতা দেশবিরোধী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র ও অগ্নি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই অপশক্তি কোন ডিস্ট্রংঘর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।

অপরাজনীতি, সহিংসতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি কোনোভাবেই জনগণের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেন, অপরাজনীতি, সহিংসতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি কোনোভাবেই জনগণের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। বিএনপির রাজনীতি হলো মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি।

তিনি আজ ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্বক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, স্বৈরশাসক সারা দুনিয়ায় কোথাও আর রাজনীতেতে ফিরে আসতে পারে নাই। এদেশেও পারবে না। ১৮ কোটি মানুষ প্রতিহত করবে হাসিনার আগুন সন্ত্রাসকে। অপরাজনীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—সহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। প্রতিহিংসা নয়, আইনের শাসন। আমার বিভাজন চাই না, চাই জনগণের ঐক্য।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, আমরা এমন রাজনীতি চাই না, যেখানে মানুষের জানমাল ঝুঁকিতে পড়ে, ভিন্নমত দমনের চেষ্টা হয় কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমরা চাই যুক্তির রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাজনীতি।
নিষিদ্ধ সংগঠন এদেশের প্রচলিত আইনে রাজনীতি করতে পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বিএনপি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কিন্তু দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থ যে কোন সময় কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

তিনি আরো বলেন, দেশের বাইরে থেকে এদেশে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ফিরে আশার স্বপ্ন আমৃত্যু স্বপ্ন’ই থেকে যাবে। দেশের স্বার্থে আসুন, আমরা সবাই মিলে অপরাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করি এবং একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলি। যুবদল নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩ সাংগঠনিক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যুবদলের নেতা-কর্মীদের সর্বদা অপরাজনীতির বিরুদ্ধে সর্তক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেন।

বৃষ্টির মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বিক্ষোভ মিছিলটি জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দান থেকে শুরু হয়ে ওয়াসা মোড় হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিইসি মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মোঃ হারুন, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের আহবায়ক অরূপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন, রাশেদুল হাসান লেবু, এরশাদ উল্লাহ, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, সেলিম উদ্দীন রাসেল, ইকরামুল হক ছুট্টু, রাজন খাঁন, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, ওসমান গনি সিকদার, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, এস এম ফারুক, সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ ইকবাল, আসাদুজ্জামান রুবেল, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, জহিরুল ইসলাম জহির, কামরুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, কোরবান আলী, হামিদুল হক চৌধুরী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, মোঃ জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, মোহাম্মদ ইদ্রিস, ইদ্রিস আলম, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হোসেন উজ জামান, নুর জাহেদ বাবলু, এ কে আজাদ, মোঃ সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দীন শিকদার টিটু, মোহাম্মদ ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, বেলাল উদ্দিন, সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, জাহেরু মাসুদ, থানা যুবদলের আহবায়ক নুর হোসেন নুরু, শফিউল আজম, বজল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন টুনু, কুতুব উদ্দিন, মোশাররফ আমিন সোহেল, খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মো: মুসা, মুসফিকুর রহমান নয়ন, তাজ উদ্দিন তাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, নুর খান, মুস্তাকিম মাহমুদ, আশিক মল্লিক, সাইফুল আলম রুবেল, মো: ইয়াছিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, সাজ্জাদ আহমেদ সাদ্দাম, নুর উদ্দিন শরীফ দিদার, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আবু বকর বাবু, এস এম আলী, সাইফুল আলম, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ হাসান, জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ এস্কান্দার, মেহেদী হাসান, মাসুদ আলম ও সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ