ঠাকুরগাঁও:

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট করলেন স্হানীয় সাংবাদিকরা

জাহিদুল ইসলাম রুহিয়া ঠাকুরগাঁও:

সংবাদ কর্মী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট করলেন ঠাকুরগাঁও জেলার সকল সাংবাদিকরা। রবিবার দুপুর ১২ টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অনুষ্ঠান বয়কট করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ঠাকুরগাঁও জেলা সাংবাদিক সংগঠনের সকল নেতাকর্মীরা।

এ সময় সাংবাদিকরা বলেন, আমাদেরকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আমরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতেছি।

এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কবির বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানের সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত দেওয়া হয়। দাওয়াত দেওয়ার পরও তাদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং তাদেরকে বসার কোন জায়গা দেওয়া হয়নি এরই প্রতিবাদে আজকে আমরা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতেছি।

ঠাকুরগাঁও সময় টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান বকুল বলেন, আজকে শ্রম ও কর্মসংস্থার প্রতিমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এরই প্রতিবাদে আমরা ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতেছি এটি গণমাধ্যমের জন্য একটি হুমকিস্বরূপ এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানু বলেন, আজকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানের প্রতিবন্ধী অনুষ্ঠানে আমার সংবাদ কর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি ।আমি তারপরও সে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করি এবং দেখি যে আমার প্রেস ক্লাবের সভাপতি অনুষ্ঠানে পিছনে। তার জন্য কোন ধরনের চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়নি এরই প্রতিবাদে আমরা আজকে জেলা পরিষদের কাজলের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতেছি। জেলা প্রশাসক মহোদয় অবশ্যই এটার একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থা নিবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হোচট খেয়ে ট্রেেেনর ইঞ্জিনের নিচে পড়ে সিপাহীর হাত বিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে দায়িত্বপালনরত অবস্থায় ট্রেনের কাটা পড়ে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর এক সিপাহির। চট্টগ্রাম স্টেশনে ময়মনসিংহ হতে আগত চট্টগ্রাম বিজয় এক্সপ্রেসে ট্রেন ঢুকার পথে দায়িত্বপালনের সময় অসর্তক থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। রোববার সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে হাত হারানো সিপাহীর নাম আবু জাফর মুন্না (৩৫)। তিনি অস্ত্র শাখায় কর্মরত। চট্টগ্রাম সিআই আমান উল্লাহ আমান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেল স্টেশন প্রবেশের সময় কদমতলী রেল লাইনে দায়িত্ব পালনকালে রেললাইনে হোচট খেয়ে অসর্তক এ সিপাহী ট্রেেেনর ইঞ্জিনের নিচে পড়ে গেলে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
রেল নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট শহিদ উল্লাহ বলেন, আহত মুন্নার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছেন।

রূপগঞ্জে নয়া দিগন্ত পত্রিকার সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  • নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় নয়া দিগন্ত পত্রিকার কাঞ্চন শিল্পাঞ্চল প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মীরকে পিটিয়ে আহত করেছে দু্র্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতে উপজেলার সাওঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম মীর জানান, তিনি দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার রূপগঞ্জের কাঞ্চন শিল্পাঞ্চল প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। গতকাল শুক্রবার রাত ১০ দিকে উপজেলার সাওঘাট এলাকায় স্থানীয় সন্ত্রাসী সিয়াম সহ তার সহযোগীরা শফিকুলের চাচাতো ভাই মনিরের ভাড়াটিয়া গার্মেন্টস শ্রমিক জহিরুলকে মারধোর করে একটি মোবাইল ও পকেটে থাকার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
বিষয়টি গার্মেন্টস শ্রমিক জহিরুল সাংবাদিক শফিকুলকে জানালে তিনি সিয়ামকে জিজ্ঞাসা করে এর প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিয়ামসহ তার সহযোগীরা তার উপর হামলা করে পিটিয়ে আহত করে। এসময়
শফিকুলের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় রাতেই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, সাংবাদিক শফিকুলের উপর হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ