হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৪৪০৬৭ হাজি, মৃত্যু ১০১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন শেষে ৪৪ হাজার ৬৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। আর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ১০১ জন হাজি মারা গেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা ও সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।

তথ্যমতে, তিন এয়ারলাইন্সের মোট ১১৫টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ৪৫টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট ৪৬টিএবং ফ্লাইনাসের ফ্লাইট ২৪টি।

এ বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত নিহত ১০১ জন হাজির মধ্যে ৭৭ জন পুরুষ ও ২৪ জন নারী। এদের মধ্যে মক্কায় ৮৫, মদিনায় ৫, জেদ্দায় ১, মিনায় ৭, আরাফায় ২, মুজদালিফায় ১ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন বলে বুলেটিনে জানানো হয়।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে মারা গেলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে নিতে দেয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না।

কোন হজযাত্রী মক্কায় মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয়। আর মদিনায় মারা গেলে মসজিদে নববীতে জানাজা হয়। জেদ্দায় মারা গেলে জেদ্দায় জানাজা হয়। জানাজা শেষে মক্কার শারায়া কবরস্থানে, মদিনার জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে অথবা জেদ্দায় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সদস্যসহ মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৮৮৪ জন হজে যান। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে ৬১ হাজার ১৫১ জন হজযাত্রী, সৌদি এয়ারলাইন্সে ৪১ হাজার ৪৬৮ জন হজযাত্রী ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সে ২০ হাজার ২৩৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাবেক মেয়র মনজুরের সঙ্গে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আলহাজ্ব হোসনেরা মনজুর আলম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমের সঙ্গে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন। সাক্ষাৎকালে হযরত শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান গাউসুল আজম বাবাভাণ্ডারী (ক.)-এর খলিফা, মাইজভাণ্ডারী গানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকার এবং ফটিকছড়ির দক্ষিণ ধর্মপুরের মহান অলি হযরত শাহসূফি সৈয়দ আমিনুল হক ধর্মপুরী মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর আধ্যাত্মিক জীবন, সাধনা ও ধর্মীয় অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ধর্মীয় ঐতিহ্য আধ্যাত্মিক সাধনা ও মাইজভান্ডারী সংগীতের ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ মতবিনিময়ীকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ সময় প্রতিনিধিদল তাঁর আধ্যাত্মিক দর্শন, মাইজভাণ্ডারী সংগীত ও সুফিবাদী ভাবধারার তাৎপর্য তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমকে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে তাঁকে আমিন ভাণ্ডার দরবার শরীফের আমন্ত্রণপত্র এবং ‘সৈয়দ আমিনুল হক ধর্মপুরী মাইজভাণ্ডারী গান সমগ্র’ বইটি সৌজন্য উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। সভায় হযরত শাহসূফি সৈয়দ আমিনুল হক ধর্মপুরী মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর পরিবারের সদস্য শাহজাদী ফাতেমা বেগম (খুশি), শাহজাদী আকলিমা আক্তার (পুতুল) ও শাহজাদী রাজিয়া সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক সাংবাদিক আল সিরাজ মাইজভাণ্ডারী, মো. জাভেদ হাসান, রাকিব, পিএস লিটনসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ সহ উপস্তিত ছিলেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বড়াল ও গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন; শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বড়াল ও গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
ষষ্ঠী থেকে বিজয় দশমী পর্যন্ত,পাঁচ দিনব্যাপী পূজা-অর্চনা, আনন্দ, উৎসব ও নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার ২১ অক্টোবর সন্ধ্যার পূর্বলগ্নে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা।

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটলেও ভক্তদের মনে রয়ে গেছে বিদায়ের বিষাদ আর আগামী শরতে দেবী কে আবার বরণ করে নেওয়ার প্রত্যাশা।
বুধবার দুপুর ২টা থেকে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরের পূজামণ্ডপ থেকে ঢাক-ঢোল ও বাদ্যযন্ত্রের তালে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে প্রতিমা নিয়ে নদীর ঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পরে নির্ধারিত স্থানে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এ সময় ভক্তদের মধ্যে একদিকে ছিল প্রিয় দেবীকে বিদায় জানানোর আবেগ, অন্যদিকে ছিল পরিবার, সমাজ ও দেশের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়।

বড়াল নদীতে ভাঙ্গুড়া কেন্দ্রীয় মন্দির, কালীবাড়ি দুর্গা মন্দির, জগাতলা দুর্গা মন্দির, পাথরঘাটা দুর্গা মন্দির ও শরৎনগর বাজার মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। অন্যদিকে চড়-ভাঙ্গুড়া ঘোষপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, কৈডাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, নৌবাড়ীয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বেতুয়ান সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, দিলপাশার দুর্গা মন্দির ও অষ্টমনিষা দুর্গা মন্দিরে প্রতিমাও বিসর্জন দেওয়া হয়।

প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে নদীর ঘাটগুলোতে ভক্তদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান তারা। বিসর্জনের সময় ভক্তরা সব অশুভ শক্তির বিনাশ, শুভ শক্তির বিকাশ এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, বিজয়া দশমীর তাৎপর্য শুধু প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের মনের কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসার মতো আসুরিক প্রবৃত্তি বিসর্জন দেওয়াই এর অন্যতম শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার মধ্য দিয়েই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতিবছর শরৎকালে দেবী দুর্গা পিতৃগৃহে আগমন করেন। কয়েক দিনের পূজা-অর্চনা ও আনন্দ-উৎসব শেষে বিজয়া দশমীতে তাকে বিদায় জানানো হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, দেবী ফিরে যান কৈলাসে স্বামী মহাদেবের গৃহে। এরপর আবারও শরতের আগমনে দেবীর আগমনের অপেক্ষায় থাকেন ভক্তরা।
প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নেওয়া ভক্তরা জানান, বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসবের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। দেবী দুর্গার কাছে তারা পরিবার-পরিজনের সুখ-শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করেছেন। আগামী বছর আবারও উৎসবের আনন্দে দেবীকে বরণ করে নেওয়ার প্রত্যাশা তাদের।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি বাবু সংগীত কুমার পাল বলেন, প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সূরাইয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিকাশের মধ্য দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে উঠুক—এটাই তাদের প্রত্যাশা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে, শারদীয় দুর্গোৎসবের শিক্ষা হোক সেই মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ