আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

দুর্নীতি প্রতিরোধ মঞ্চ দক্ষিণ ধলীগৌরনগর ইউনিয়ন শাখা গঠিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক ন্যায়বিচার কায়েম, সুশাসন বাস্তবায়ন, সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ দেশগঠনের লক্ষ্য নিয়ে, ভোলার লালমোহন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ ধলীগৌরনগরে আত্মপ্রকাশ করলো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুর্নীতি বিরোধী সংগঠন ‘দুর্নীতি প্রতিরোধ মঞ্চ’ । দক্ষিণ ধলীগৌরনগরের চতলা বাজারের জুঁই রেস্তোরাঁয় ৩০ আগস্ট ২০২৪ সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সর্বস্তরের নাগরিক বৈঠকে মাওলানা মোঃ সফিউল্লাহর সভাপতিত্বে এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ মঞ্চের সভাপতি প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান । অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন- চতলা করিমুন্নেছা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক মাওলানা মফিজুল ইসলাম, গিয়াসউদ্দিন মহিম, চতলা ফুটবল একাদশের সভাপতি তামিম মহাজন, চতলা দক্ষিণ বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত নাগরিকগণের সর্ব সম্মতিক্রমে প্রভাষক কবি রিপন শানকে প্রধান উপদেষ্টা, মাওলানা মোঃ সফিউল্লাহ, মাওলানা মোঃ ওমর ফারুক, শিক্ষক মোঃ গিয়াস উদ্দিন মহিম ও শিক্ষক মফিজুল ইসলাম নাসিমকে উপদেষ্টা করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয় ।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সমাজকর্মী তামিম মহাজনকে সভাপতি, মাওলানা মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক, শিক্ষক কৌশিক আহমেদ কে সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ রুবেল শান কে অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয় ।
কমিটির সহসভাপতিগণ হচ্ছেন- মাওলানা মোঃ জসিম উদ্দিন, মাওলানা মোঃ মফিজুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম রুমেন ও মোঃ হেমায়েত উদ্দিন।
কমিটির সম্পাদকমন্ডলীতে রয়েছেন- আকবার হোসেন মাতাব্বর ও মোঃ জিয়াউর রহমান ( যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), ফয়সাল মাহমুদ (প্রচার ও প্রকাশনা), যুবরাজ মহাজন ( শিক্ষা ও মানবসম্পদ), উদয় করিম মহাজন (সাহিত্য সংস্কৃতি ও ক্রীড়া ), মোঃ ফয়জুল্লাহ (সমাজকল্যাণ ও জনসংযোগ) । নির্বাহী সদস্যগণ হচ্ছেন- আ: জলিল আজাদ, মোহাম্মদ মনীর, মোঃ ফখরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া, রাজ্জাক আহমেদ প্রমুখ। আগামী ৩০ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত একবছর মেয়াদী এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

নাড়ির টানে বন্দর নগরী ছাড়ছে মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নাড়ির টানে গন্তব্যে ছুড়ছে মানুষ। পথে পথে ভোগান্তি এড়াতে মানুষ আগ থেকে বন্দর নগরী ছাড়তে শুরু করেছে। শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। এর আগে শুক্রবার থেকে তাদের এই ঈদ যাত্রা শুরু হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরের এ কে খান মোড়, অলংকার ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস ও ট্রেনে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন অনেকে। কেউ যাচ্ছেন কুমিল্লা, কেউ ঢাকা, কেউ সিলেট বা রাজশাহীর দিকে। যাত্রীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি না হলেও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরা হচ্ছে আগামী ২১ মার্চ। ফলে এখনো কয়েক দিন সময় থাকলেও অনেকেই বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।মূলত ঈদের আগমুহূর্তে বাড়তি যাত্রী চাপের ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আগেভাগে শহর ছাড়ছেন।

পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, দিন দিন ঈদযাত্রা আরও জমে উঠবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ছুটি শুরু হলে নগর ছাড়ার মানুষের ঢল নামতে পারে। তখন এ কে খান, অলংকার, কদমতলী বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের বড় ভিড় দেখা যাবে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের পূর্বাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে নানামুখী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বছর চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ার্কশপে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি যাত্রী পরিবহনে এসব কোচ বিভিন্ন ট্রেনে সংযোজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিশেষ ট্রেন, বাড়তি ইঞ্জিন যুক্ত করাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, যাত্রীর চাপ বাড়ায় পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হচ্ছে। চলমান ৭৫টি ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে আরও ১০টি ইঞ্জিন। এ ছাড়া চালানো হবে আটটি বিশেষ ট্রেন। এরমধ্যে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২ চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর আসা-যাওয়া করবে। এর যাত্রী ধারণক্ষমতা ৬৬৮ জন। এছাড়া ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে স্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে এ কে খান এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রী আবুল কালামের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেন, তিনি নগরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এবার একটু আগেভাগেই বাড়ি যাচ্ছেন। কারণ, বাড়িতে একজন অসুস্থ আত্মীয় রয়েছেন।

ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে থাকতে চান বলেই আগে বেরিয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে নোয়াখালীগামী একটি বাসে উঠেছিলেন সায়েরা আক্তার। দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি গ্রামে ফিরছেন। সায়মা বলেন, পরে গেলে খুব ভিড় থাকে। বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্ট হয়। তাই আগেই চলে যাচ্ছি। তবে তাঁর স্বামী হায়দার আলী এখনই যেতে পারছেন না। তিনি জানান, তাঁর স্বামীর এখনো ছুটি হয়নি। ঈদের আগের দিন তিনি বাড়ি যাবেন।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের মাঝে প্রতিদিন পূর্বাঞ্চলের ১৬টি ট্রেনের ৮ হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ট্রেনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছিল। ৯ মার্চ শেষ হয়েছে। অগ্রিম টিকিটের যাত্রীরা যেতে শুরু করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ