আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

কোর জামে মসজিদ ভেঙ্গে অ্যাডভোকেটদের অফিস বানানোর প্রতিবাদে নওগাঁয় মানববন্ধন নওগাঁ প্রতিনিধি

মাহাবুব হাসান মারুফ নওগাঁ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নওগাঁয় কোর জামে মসজিদ ভেঙ্গে অ্যাডভোকেটদের অফিস বানানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নওগাঁ জেলা শাখা। রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জেলা আদালত চত্ত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সভাপতি মাস্টার মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ নাজমুল হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,

অত্র মসজিদ স্থাপিত হওয়ার মূল ভিত্তির ছায়ালিপিসহ প্রতিবেদন আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মসজিদ পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আন্দোলন কারীদের নিকট পেশ করা হবে। আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর পর কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে উক্ত মসজিদ ভেঙ্গে উকিলদের চেম্বার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তার লিখিত ফতোয়া আন্দোলনকারীদের নিকট পেশ করতে হবে। উক্ত মসজিদ ভেঙ্গে উকিল চেম্বার করার ক্ষেত্রে যাদের নিকট হতে অর্থ নেওয়া হয়েছে তার সঠিক ব্যবহার হয়েছে কি না তার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তার প্রতিবেদন পেশ করতে হবে।

উক্ত দাবী সমূহ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অত্র মসজিদের নীচতলায় সালাত আদায় করা ও অজু খানাসহ যা কিছু ভাঙ্গা হয়েছে তা পুনরায় মেরামত করতে হবে। চুড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত যাদের নিকট থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে তাদের পনর্বাসনের ব্যবস্থা করা বা অর্থ ফেরৎ এর ব্যবস্থা করতে হবে।

উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী যুব আন্দোলন নওগাঁর সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ নাজিবুদ্দীন চৌধুরী, জেলা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের সেক্রেটারী মুহাম্মদ নূর মমিনূল হক, মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ সাদেক আলী, মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ, মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ হারুন অর রশিদ, মুহাম্মদ আব্দুল হক, মাওলানা মুহাম্মদ শাহেদ আরাফাত, মাওলান মুফতি মুহাম্মদ হাফিজুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ রউফুজ্জামান রাইট, মাওলানা মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান, মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহমান, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, হাফেজ মুহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল, মাওলানা মুহাম্মদ আজিমুদ্দীন, মুহাম্মদ তারেক হোসন মিঠু, প্রভাষক মুহাম্মদ শহিদুল আলম, প্রভাষক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আজ বুধবার চারঘাট মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন এই দম্পতি। পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার ওই দম্পতি প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার বিকেলে ট্রেনে পপকর্ন বিক্রির জন্য বাড়ি থেকে বের হন।

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি শেষে রাত প্রায় ১টার দিকে তারা সরদহ স্টেশনে নামেন। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে বিস্কুট খাচ্ছিলেন তারা। এ সময় এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং তাকে একটি পরিত্যক্ত দোকানের পাশে বেঁধে রাখে। এরপর তার স্ত্রীকে স্টেশনসংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় তাদের পপকর্ন বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী স্বামী জানান, তিনি চিৎকার করলে প্রায় ৪৫ মিনিট পর আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তিনি জঙ্গল থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে অভিযুক্তের নাম আশরাফুল ইসলাম বলে জানতে পারেন। আশরাফুল চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

চট্টগ্রামের আবাসিক হোটেলে অভিযানে গ্রেফতার-১১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকায় মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে রাজাখালীর ইউনিপার্ক হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. শাহীন (২০), মো. কামাল উদ্দীন (২৫), মো. নয়ন (২৬), শারমিন আক্তার (১৯), রিনা আক্তার (৩৮), বিউটি আক্তার (২০), শারমিন আক্তার (২০), মো. ইউসুফ (৩২), মনি আক্তার (২৫), মো. শাহাদাত হোসেন (২৫) এবং মনি আক্তার (১৯)।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, এদের বিরুদ্ধে সিএমপি অধ্যাদেশের ৭৬ ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নম্বর মূলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ