রাণীশংকৈলে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত

বিজয় রায়, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কন্যাশিশুর স্বপ্নে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়েছে।সোমবার ৩০সেপ্টেম্বর সকালে দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও)রকিবুল হাসান’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আর্নিকা আক্তার, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিপ্লব,পৌর বিএনপি সভাপতি শাহজাহান আলী, অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম,শিক্ষিকা মেহবুবা আখতার প্রমুখ।

এ সময় শিশুদের প্রতি সব ধরনের ভেদাভেদ ও বৈষম্য দূর করে সচেতনতা তৈরিতে পিতামাতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন বক্তারা। এমনকি নানারকম বাধা-বিঘ্ন পেরিয়ে কন্যা শিশুরা এখন পুত্র সন্তানের মতো সমানতালে পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রে অবদান রাখছে।

এছাড়াও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক,প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাহিম উদ্দিন, থানার প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ের গোলাম রাব্বানী, সাংবাদিক আশরাফুল আলম,কিশোর কিশোরী ক্লাবের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমল মতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শেষে কয়েকজন শিক্ষার্থীর মঝে পোশাক বিতরণ করা হয়।
রাণীশংকৈলে নবাগত ডিসির সভা বর্জন,
সাংবাদিকদের ক্ষোভ প্রকাশ

বিজয় রায়, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি)ইশরাত ফারজানা’র সভা বর্জন করেছে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় রাণীশংকৈল উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে ঠাকুরগাঁও জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা মতবিনিময় করবেন বলে সাংবাদিকদের ফোন করে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান।সোমবার বিকালে উপজেলা হলরুমে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হতে থাকেন সাংবাদিকেরা কিন্তু দীর্ঘ এক ঘন্টা সাংবাদিকদের অপেক্ষায় রেখে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পুজা মন্ডপের সভাপতি সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।পরে ব্যানার পরিবর্তন করে সাংবাদিকদের সভা শুরু হওয়ার আগেই দেখা যায় ব্যানারে লেখা রয়েছে, উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা তবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় এ রকম কোন লেখা না থাকায় এবং সাংবাদিকদের ফোন করে বলা হয় সিনিয়রা যেন মেনটেন্ট করে বসে আর জুনিয়ররা যেন পিছনে বসে ইউএনও`র এমন নির্দেশনায় সাংবাদিক নেতারা হলরুম থেকে সভা বর্জন করে বেরিয়ে চলে আসে।রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফারুক আহম্মদ সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এমন আচরণ একজন উপজেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছে আশা করিনি।এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি আশরাফুল আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সাংবাদিকদের দাওয়াত দিয়ে এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি এবং ইউএনও অফিসের ওয়েশ আতিক বলেছেন শুধু মাত্র নাকি সভাপতি সম্পাদকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে এমন কথা বলা সাংবাদিকদের সাথে দুঃখ জনক।প্রেসক্লাব পুরাতনের যুগ্ম আহব্বায়ক মাহাবুব আলম বলেন, আমাকে গতকাল ইউএনও রকিবুল হাসান ফোন করে জানিয়েছেন আপনাদের সকল সাংবাদিকদের দাওয়াত থাকলো নবাগত জেলা প্রশাসক আপনাদের সাথে বিকাল ৪ টায় মতবিনিময় করবেন। সে হিসেবেই প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের জানানো হয়।এখানে এসে দেখি ব্যানারে আমাদের কোন জায়গায় নেই।তাই আমরা সভা বর্জন করে চলে এসেছি এবং যতদিন পর্যন্ত এর কোন ব্যবস্থা না হবে ততদিন উপজেলা প্রশাসনের সকল সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখবে সাংবাদিকরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন তারেক রহমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সম্মানে আয়োজিত জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন।দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলনের পর আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কান্তেই’তে আয়োজিত এ মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার নির্ধারিত শীর্ষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার)। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি জানিয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ