আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬

রাজশাহীতে যুবলীগ কর্মী নিহত

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  • রাজশাহীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মীম নামে এক যুবলীগের কর্মীকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
    নিবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবলীগ কর্মীকে জরুরি বিভাগের সামনে ফেলে রেখে চলে যান অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।
    পরে হাসপাতালের ট্রলি ম্যানরা তাকে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তির নির্দেশ দেন। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবলীগ কর্মী মীমের মৃত্যু হয়।রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) তাজমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    মীম রাজশাহী রামচন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুল মোমিন। তিনি ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর দুহাতে গুলি চালানো গ্রেফতার যুবলীগ নেতা রুবেলের নিকট আত্মীয় ও সহযোগী ছিলেন।

    পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুরিকাঘাতে নিহত ওই যুবলীগ কর্মীকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যান দুর্বৃত্তরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) তাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, মীম যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করতে এরইমধ্যে মাঠে নেমেছে পুলিশ। জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

  • শেয়ার করুন-

    Share on facebook
    Share on whatsapp
    Share on twitter
    Share on linkedin

    আরও খবর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, এলাকায় উত্তেজনা

    সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

    এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হাসপাতাল সড়কের আমবাজার এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে মো. রজব (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রজব শহরের মসজিদপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। একই এলাকার দুই বন্ধু মো. মেহেদী (২৪) ও মো. জিসান (২৭) দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব বিরোধে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে আমবাজার এলাকায় রজবের সঙ্গে জিসানের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জিসান রজবের বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় মেহেদী রজবকে ধরে রাখে বলেও স্থানীয়দের বরাতে জানায় পুলিশ।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একরামুল হক জানান, ঘটনার সময় অভিযুক্ত দুই যুবকই মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা রজবকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন পিপিএম জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

    বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল এবং লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল জব্দ

    সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

    এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

    কর্ণফুলী নদীর ডাঙ্গারচরে একটি অননুমোদিত কারখানায় বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল এবং লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। ২৩ জুন বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান-এঅবৈধ কারখানাটিতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল, লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন ডাঙ্গারচর এলাকার একটি কারখানায় নষ্ট ও ব্যবহৃত তেল পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে ভেজাল লুব অয়েল উৎপাদন করা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, সোমবার বিকেল ৩টায় কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের সমন্বয়ে ওই কারখানায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    পরবর্তীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ভেজাল লুব অয়েল তৈরি ও মজুতের দায়ে মালিকপক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন এবং কারখানাটি ১৫ দিনের জন্য সিলগালা করা হয়।জব্দ করা ভেজাল লুব অয়েল, লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জনস্বার্থ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

    আলোচিত খবর

    আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

    সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

    এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

    ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


    রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

    আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

    যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

    আরও পড়ুন

    সর্বশেষ