চান্দগাঁও থানা পুলিশের অভিযান

আন্তঃ জেলার মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় ৩ জন সদস্য গ্রেফতার

স ম জিয়াউর রহমান

৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর), সিএমপি, চট্টগ্রাম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ চান্দগাঁও থানা জনাব মোঃ আফতাব উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই (নি:) ইমরান ফয়সাল সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ চান্দগাঁও থানার মামলা নং-১৬, তাং-১৭/১১/২০২৪ইং, ধারা-৩৮০ পেনাল কোড মামলার চোরাই যাওয়া মোটর সাইকেল উদ্ধার সহ আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনাকালে গুপ্তচরের তথ্যের ভিত্তিতে জানিতে পারেন যে, মামলার চোরাই যাওয়া মোটর সাইকেল ও আসামী ফেনী জেলা ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় আছে।
পরবর্তীতে এসআই (নি:) ইমরান ফয়সাল এসআই(নিঃ) মৃনাল কান্তি মজুমদার, এসআই(নিঃ) কাজী মনিরুল করিম, এসআই(নিঃ) হৃদয় মাহমুদ লিটন, এএসআই (নিঃ) জালাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স সহ ইং ০২/০১/২০২৫ তারিখ ১৪.০৫ ঘটিকার সময় নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন বসুরহাট নতুন বাস স্ট্যান্ড এর পশ্চিম পাশে মহিনের গ্যারেজে উপস্থিত হইয়া আসামী মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮)কে গ্রেফতার পূর্বক তাহার হেফাজত হইতে চোরাই যাওয়ার ০১টি Apache RTR উদ্ধার করেন। আটককৃত আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তি মতে এবং আসামীকে সহ অভিযান অব্যাহত রাখিয়া চান্দগাঁও থানাধীন ইং ০৩/০১/২০২৫ তারিখ রাত ০১.৩০ ঘটিকার সময় চান্দগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলায় (ব্যাচেলর বাসা) উপস্থিত হইয়া আসামী মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২) ও আসামী নীরব শীল @ সুজন (২৯) দ্বয়কে আটক করেন। উল্লেখিত আসামীদ্বয়ের স্বীকারোক্তি মতে চান্দগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলায় (ব্যাচেলর বাসা) সামনে হইতে ক) ০১ (এক)টি লাল কালো রংয়ের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল ও খ) ০১ (এক)টি লাল কালো সাদা রংয়ের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল এবং গ) ০১টি ডিসকভার মোটর সাইকেল, যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্টো-হ-১৮-৪১৫১ উদ্ধার করি।

উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল।
১) ০১ (এক)টি লাল কালো রংয়ের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল।
২) ০১টি ডিসকভার মোটর সাইকেল, যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্টো-হ-১৮-৪১৫১।
৩) ০১ (এক)টি লাল কালো সাদা রংয়ের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল।
৪) ০১টি Apache RTR মোটর সাইকেল গাড়ী।

গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম-ঠিকানা- ১। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮), পিতা-মৃত ইউসুফ আলী, মাতা-রাবিয়া বেগম, সাং-সাইতলা, তোফাজ্জল এর বাড়ী, পোঃ ঝালাইউরা, থানা-শ্রীমঙ্গল, জেলা-মৌলভীবাজার, বর্তমানে-ফতেয়াবাদ, সন্ধীপ কলোনী, ওয়ার্ড নং-০১, থানা-হাটহাজারী, জেলা-চট্টগ্রাম, ২। মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২), পিতা-মোঃ শাহাদাৎ হোসেন @ শাহাদাৎ মিয়া, মাতা-বকুল আক্তার @ পারভীন, সাং-রাঙ্গুনিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে, গুচ্ছ গ্রাম, বকুলের ৬০নং ঘর, থানা-রাঙ্গুনিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে- বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে, মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলা (ব্যাচেলর বাসা), ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড, থানা-চান্দগাঁও, জেলা-চট্টগ্রাম, ৩। নীরব শীল @ সুজন (২৯), পিতা-বাদল শীল, মাতা-মৃত স্বরসতী শীল, সাং-সাধনপুর, রেবোতি শীলের বাড়ী, ওয়ার্ড নং-০৪, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে, মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলা (ব্যাচেলর বাসা), ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড, থানা-চান্দগাঁও, জেলা-চট্টগ্রাম।
গৃহিত আইনগত ব্যবস্থাঃ চান্দগাঁও থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০১/২০২৪ইং, ধারা-৪১৩/১০৯ পেনাল কোড রুজু করা হয়েছে।
থানার রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস যাচাই করিয়া ধৃত ০১নং আসামী মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮) ১। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার ,এফআইআর নং-৩৮, তারিখ- ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৫২৪, তারিখ- ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৮০ পেনাল কোড, ২। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার এফআইআর নং-২৫, তারিখ- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৫১১, তারিখ- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৪৫৭/৩৭৯ পেনাল কোড, ৩। মৌলভীবাজার এর শ্রীমঙ্গল থানার নন জিআর নং-২৩৬/১৭, তারিখ- ০৯ আগস্ট, ২০২৩; ৪। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার এফআইআর নং-২৪/৬৭, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২; জি আর নং-৬৭/২২, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২; ধারা- ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন এর ১৯(ধ)/১৯(ভ), ৫। সিএমপি এর বায়েজিদ বোস্তামি থানার এফআইআর নং-৭/৫১০, তারিখ- ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৮; ধারা-১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১) এর ৯(খ), ৬। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার এফআইআর নং-১৬, তারিখ- ০৯ জুলাই, ২০১৭; ধারা-১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২২(গ), ৭। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার , এফআইআর নং-৭, তারিখ- ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৩১০, তারিখ- ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, ৮। ফেনী এর সোনাগাজী থানার ,এফআইআর নং-১৫, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; জি আর নং-১৭৩, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; ধারা- ৩৭৯/৪১১/৪১৩ পেনাল কোড, ৯। ফেনী এর সোনাগাজী থানার এফআইআর নং-১৩, তারিখ- ০৬ জুন, ২০২৩; জি আর নং-১৪২, তারিখ- ০৬ জুন, ২০২৩; ধারা- ৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড মামলা সমূহে এবং ধৃত ০২নং আসামী মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২) ১। চট্টগ্রাম এর রাউজান থানার এফআইআর নং-১৪, তারিখ- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; জি আর নং-৩১, তারিখ- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; ধারা- ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, ২। ফেনী এর সোনাগাজী থানার এফআইআর নং-১৫, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; জি আর নং-১৭৩, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; ধারা-৩৭৯/৪১১/৪১৩ পেনাল কোড মামলা সমূহে অভিযুক্ত মর্মে পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ