আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, গোপন গুদামে তেলের সাম্রাজ্য

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও বাড়তি দামে বিক্রিসহ নানান অভিযোগে দুই মুদির দোকানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তাধিকার চট্টগ্রাম। রোববার সকালে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোমিন রোড এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়। এতে জরিমানার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়।

অভিযানে দোকানে যথাযথভাবে তেলের বোতন প্রদর্শন না করে গোপন গুদামে প্রচুর তেলের সংরক্ষণ করার অভিযোগে এবং সঠিক ক্রয় ভাউচার দেখাতে না পরায় “শরীফ স্টোর”কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পরে গায়ে লিখিত মূল্যে উপস্থিত ভোক্তাদের কাছে বেশ কয়েকটি তেলের বোতল বিক্রি করে ভোক্তাধিকারের কর্মকর্তারা।

এছাড়া তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে মূল্য তালিকা মুছে দিয়ে বাড়তি দামে বিক্রি করার অপরাধে “স্বপন এন্টারপ্রাইজকে” ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় উক্ত দোকানে কোন সয়াবিন তেলের বোতল দেখা না গেলেও পাশের ঐ দোকান মালিকের বাসায় প্রচুর তেলের বোতল পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে ভোক্তাধিকার চট্টগ্রামের উপ পরিচালক ফয়েজ উল্লাহ বলেন, তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ঐ দোকানে (শরীফ স্টোরে) অস্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়েছে। অনেকে অজান্তে খাবারে ব্যবহার করছে। যা স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর। আমরা তাদেরকে সতর্ক করেছি ভবিষ্যতের জন্য। ভোক্তাদের কোন অভিযোগ থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।

জরিমানা গুনা ব্যবসায়ীরা বলেন, ভোক্তাধিকার যে জরিমানা করেছে তা মেনে নিয়েছি। কিন্তু আমরা পাইকারদের থেকে তেলগুলো কিনি নাই। পাইকাররা গায়ে মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নিয়ে নেন। যেহেতু বেশি দামে কিনতে হচ্ছে সেহেতু খুচরা পর্যায়েও আমাদের বেশি বিক্রি করতে হয়। আর খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবারহ করছে পাইকাররা। পাইকার ও

ডিলারদের অভিযানের আওতায় আনতে পারলে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই প্রসঙ্গে ভোক্তাধিকার কর্মকর্তা ফয়েজ উল্লাহ বলেন, যত বড় পাইকার ও লিডার হউক অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরও অভিযানের আওতায় আনা হবে। বাজার অস্থিতিশীল সৃষ্টিকারী কোন ছাড় নেই বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ