আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সদিচ্ছা থাকলে মানুষের কল্যাণ সম্ভব।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ সচিব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, এই সরকার গরিবের সরকার। অস্বচ্ছল ও সমাজে নিগৃহীত মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছে বর্তমান সরকার। আগামী অর্থবছরে সামাজিক সুরক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এবার ঈদের আগে প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ সুবিধাভোগীর মাঝে তাদের ভাতার অর্থ প্রেরণ করা হয়েছে।

আজ ৫ এপ্রিল শনিবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদপরবর্তী মতবিনিময় সভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্যসচিব জাহিদুল করিম কচি।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা হলেন সমাজের দর্পন। সাংবাদিকদের সাথে সরাসরি জনসম্পৃক্ততা রয়েছে। আপনাদের থেকে শোনার পর আমাদের কর্মকাণ্ডে কোনো ভুল থাকতে তা শোধরাতে পারবো। আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। সততা এবং নিষ্ঠার সাথে চলতে চাইলে কম আয় করেও ভালোভাবে চলা যায়। কাজের ক্ষেত্রে সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা দরকার। চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে চট্টগ্রামের প্রতি আমার দরদ একটু বেশি। চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা অনেক যোগ্য। দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের ভূমিকা লক্ষ্যণীয়। ভবিষ্যতে সমাজসেবা অধিদপ্তর সাংবাদিকদের কল্যাণেও কাজ করবে। বর্তমান সরকার বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে বৈষম্য কমাতে কাজ করে যাচ্ছে।

দ্রব্যমূলের প্রসঙ্গ টেনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, সম্প্রতি রমজানের সময় সরকার যেভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন তা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। ঈদের সময় ঘরমুখী মানুষ ট্রাফিক জ্যাম ছাড়াই নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পেরেছে। সদিচ্ছা ও সৎ চিন্তা-ভাবনা থাকলে মানুষের কল্যাণ করা সম্ভব। অতীতকে ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ এই দেশ আমার-আপনার সকলের। দেশপ্রেমের ব্রত নিয়ে কাজ করলে অবশ্যই দেশ এগিয়ে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রেস ক্লাবের সদস্যসচিব জাহিদুল করিম কচি বলেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আহবায়ক ফরিদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এগিয়ে চলেছে। গত ছয় মাসের কর্মকান্ড শীঘ্রই আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত হওয়ায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। একইসঙ্গে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য শাহনেওয়াজ রিটনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) নুরুল্লাহ নুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক কাজী নাজিমুল ইসলাম, উপপরিচালক মো, ফরিদুল আলম, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্য মুস্তফা নঈম, গোলাম মাওলা মুরাদ, হাসান মুকুল, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মজুমদার নাজিমউদ্দিন, সোহাগ ‍কুমার বিশ্বাস, কিরণ শর্মা, আবু বকর, মাহবুবুল মাওলা রিপন, আলমগীর নূর, এনাম হায়দার,জাহাঙ্গীর আলম, ফারুক মুনির, রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক সায়েম ফারুকী, নওশীন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ