চট্টগ্রামে নিয়োগে অনিয়ম, জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দুদকের হানা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নকল-নবিশ নিয়োগে অনিয়ম, বিভিন্ন কাজে ঘুষ দাবি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে পরিচালিত অভিযান শেষে দুদক কর্মকর্তারা অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন। বুধবার দুদক জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক সাইয়েদ আলমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান শেষে সাইয়েদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, এখানে জেলা রেজিস্ট্রার আগে যিনি ছিলেন মিশন চাকমা ওনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর অভিযোগ ছিল ওখানে অফিস সহকারী এবং প্রধান সহকারী তারা হোতা ছিল এখানে টাকা-পয়সা তারা কালেকশন করে। এছাড়া চাকরির পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ ছিল। সন্দ্বীপে কিছু নকল-নবিশের নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম ছিল। সবগুলো আমরা রেকর্ডপত্র চেয়েছি এবং পেয়েছি।

নকল-নবিশ নিয়োগে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে অনেক আগে থেকেই নকল-নবিশ নিয়োগ বন্ধ ছিল। তারপরও আইজিআরের পারমিশন ছাড়া এখানে নকল-নবিশের নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইজিআর একটি শোকজ করা হয় এবং সাময়িকভাবে নিয়োগটি বাতিলও করা হয়। আমরা জিনিসটা দেখবো এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে কিনা। আর্থিক অনিয়ম ঘটেছে

অবশ্যই। এখানকার কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। তাদের আমরা ব্যক্তিগত নথি তলব করেছি। তাদের নামে কোনো ধরনের সম্পদ আছে কি-না, সেটাও দুদক খতিয়ে দেখবে। আমরা বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশন বরাবর জমা দেব। আর আরও কিছু রেকর্ডপত্র আমরা সংগ্রহ করবো। স্বন্দ্বীপে ১৯ জন নকল-নবিশ নিয়োগ দেওয়া হয়। সেটা নিয়ম অনুযায়ী হয়নি যতটুকু আমরা চিঠিতে দেখেছি। বাকি অভিযোগগুলোর বিষয়ে রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দেব।

নামজারির জন্য ঘুষ দাবি করা হয় বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ আছে, আমরাও শুনেছি। আমরা যখন সরেজমিনে আসি তখন সবাই অ্যালার্ট হয়ে যায়। আমরা সেটা নিয়েও কাজ করছি। মানুষের ভেতরে সচেওতনতা তোইরির চেষ্টা করছি। যেন ঘুষ চাইলেই না দেয়। আমরা ক্যাশ ড্রয়ার তল্লাশি করেছি। সেরকম টাকা-পয়সা পাওয়া যায়নি। কিছু ডকুমেন্টস পাওয়া গেছে। সেগুলো আমরা পর্যালোচনা করবো।

জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে দালালদের আধিপত্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা আজকে এসে এ পর্যন্ত দালালদের দেখিনি। আমরা নিজেরাই দেখলাম সবকিছু। তারপরও দালাল পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সোনাগাজীর উন্নয়নে ৫ দফা দাবিতে সোনাগাজী সমিতি’র সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ নিরসনে একাধিক দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে সোনাগাজী সমিতি, চট্টগ্রাম। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুল খালেক মিলনায়তনের (২য় তলা) এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে সোনাগাজীর যোগাযোগ, পানি নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রশাসনিক অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

সমিতির পক্ষ থেকে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে (১) লালপুল ফ্লাইওভার নির্মাণ। (২) মুছাপুর রেগুলেটর পুনর্র্নিমাণ। (৩) মঙ্গলকান্দি (ডাকবাংলা) ২০ শয্যাবিশিষ্ট বন্ধ হাসপাতাল চালু করা। (৪) কুঠিরহাটে একটি প্রশাসনিক থানা ও সরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। (৫) সোনাগাজী হাসপাতালকে আধুনিকীকরণ।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সোনাগাজীর বিপুল জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ প্রয়োজন।

জনস্বার্থে দাবিগুলো বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তারা। সোনাগাজী সমিতি, চট্টগ্রাম নেতৃবৃন্দ বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে সোনাগাজীর যোগাযোগব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসনিক সুবিধা ও জননিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সমিতির সহ-সভাপতি সাইফুল আলম, সোনাগাজী সমিতি, চট্টগ্রাম এর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রবিউল হক শিমুলের পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল হক, গিয়াস উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার তৌহিদ, আবু আহম্মদ মিঞা, সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান, সমিতির নির্বাহী সদস্য মহিউদ্দিন হেলাল, মহিউদ্দিন মজনু প্রমুখ।

৮০০ কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ২০ লাখ মেরিনারদের পারফর্ম্যান্সের ওপর : নৌপরিবহন মন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ৮০০ কোটি মানুষের অর্থনীতি, বাণিজ্য, পণ্য এবং ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ১৮ থেকে ২০ লাখ মেরিনারদের পারফর্ম্যান্সের ওপর। নিশ্চয়ই তাদের যোগ্যতা, সাহস, বিশেষ জ্ঞান আছে বলেই আলাদাভাবে আমি তাদের সম্পদ মনে করি। যথেষ্ট সম্ভাবনা আমাদের ছিল, আমরা সেটাকে কাজে লাগাতে পারিনি। পারিনি বিধায় পারব না সেটা তো নয়। কিন্তু মেরিটাইম সেক্টরের সম্ভাবনাকে অযত্নে, অবহেলায়, বিনা পদক্ষেপে ব্যর্থ হতে দিতে চান না নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এই সেক্টর দেশের অর্থনীতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি বুঝেছি।

প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করেছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেগুলো সমাধানে বিশেষ পদক্ষেপের অঙ্গীকার করছি।
চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ‘বিশ্ব মেরিটাইম দিবস’ এবং ‘মেরিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই অঙ্গীকারের কথা জানালেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারায় একাডেমি ক্যাম্পাসে ছিল এ অনুষ্ঠান। এর আগে অনুষ্ঠানে নৌমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিবের সামনে মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই, মেরিন পেশাজীবী, মেরিটাইম সেক্টরের কর্মরত প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ সেক্টরের সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রবন্ধ উত্থাপন করেন। এরপর বক্তব্যে সমস্যা, চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়। পরে উত্তরণের উপায় জানান মন্ত্রী।

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বললেন, ক্যাডেটদের ১ বছর জাহাজে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে জটিলতা দূর করা, ভিসা জটিলতা নিরসনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছি। এ সেক্টরে মনোযোগ বাড়িয়েছি। সরকার অনেক ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ ব্যয় করছে, প্রচুর বাজেট দিচ্ছে। অর্থনীতি পাল্টে দেওয়ার সক্ষমতা রাখা এ সেক্টরে কীভাবে দেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যায় সেটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা দিচ্ছি।
একাডেমির ক্যাডেটদের দারুণ প্রশংসা করে মন্ত্রী জানালেন, ক্যাডেটরা সাহসী ও পরিশ্রমী। তাদেরকে আমি সম্পদ মনে করি। আপনারা ভালো সবকিছু করতে পারেন। আমরা এ ফোর্সটাকে আলাদা গুরুত্ব, আলাদা মর্যাদা দিতে চাই। তাদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলেই আজকের অনুষ্ঠান সফল।

নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া বললেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ। জনশক্তি রপ্তানিতে প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে আছে বাংলাদেশ। আর সিফেয়ারার বা মেরিনারস সরবরাহকারী দেশ হিসেবে যখন দেখি, তখন অবস্থান ৫০ দেখে মনটা খারাপ হয়ে যায়। কই আট, কই পাঁচ, আর সিফেয়ারারের ক্ষেত্রে আমরা ৫০ নম্বর!সেই অবস্থা থেকে আমাদের বের হয়ে আসা দরকার। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জগুলো আমরা মোকাবিলা করে মেরিনারস সরবরাহকারী হিসেবে আমরা প্রথম ১০ নম্বরে যেতে চাই।স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিকে এগিয়ে নিতে সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মূল প্রবন্ধে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর শফিউল বারি ২৯টি আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুমোদন, পুরনো রেগুলেশন সংশোধন এবং ‘গ্রিন ভয়েজ ২০৫০’-এর অংশ হিসেবে জীবাশ্মজ্বালানি থেকে বিকল্প জ্বালানিতে রূপান্তরের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মহাসাগরকে শুধু সম্পদের উৎস নয়, বরং দায়িত্ব¡ ও যৌথ নেতৃত্বের সুযোগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী জানালেন, যে খাতে হাজার হাজার মার্চেন্ট মেরিন কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করছেন, সেই খাতের নীতিনির্ধারণী ও অ্যাকাডেমিক নেতৃত্বে অংশগ্রহণ বেশ সীমিত। আমাদের প্রশাসনে বিশেষায়িত মেরিন ক্যাডারের ঘাটতি রয়েছে। দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শিপিং প্রশাসনে মেরিন ক্যাডার ও দক্ষ মেরিটাইম পেশাজীবী অর্ন্তভূক্তি জরুরি।
বঙ্গোপসাগরের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শুধু সমুদ্রগামী নাবিক তৈরিই যথেষ্ট নয়; শিপ ম্যানেজমেন্ট, পোর্ট অপারেশন, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত, শিপ রিসাইক্লিং, মেরিন ইনস্যুরেন্স এবং অন্যান্য শোর-বেজড মেরিটাইম সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন কাজী এ বি এম শামীম।

দিবসটি উপলক্ষে ক্যাডেট কর্তৃক প্রধান অতিথিকে গার্ড অব অনার, প্যারেড পরিদর্শন, র‌্যালি, বেলুন উড্ডয়ন, বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা, মেরিটাইম খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্যাডেট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ ৬৪ বছরের পথচলায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি দেশের মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের ব্লু ইকোনমি, আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও সামুদ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একাডেমি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।একাডেমির প্রশিক্ষিত ৫ হাজারের বেশি মেরিনার বর্তমানে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ও বিশ্বের বিভিন্ন মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ও ঊর্ধ্বতন পদে কর্মরত রয়েছেন। তাদের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক আয় ও রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। একই সঙ্গে নারী ক্যাডেটদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ১২৫ জনেরও বেশি নারী মেরিনার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি গত ৬৪ বছর ধরে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে আসছে। কর্ণফুলীর মোহনায় জুলদিয়ায় অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠান ওগঙ ঝঞঈড মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ