আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকাননের মতিন বিল্ডিংয়ে ৯টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকাননস্থ মতিন বিল্ডিংয়ের নীচ তলার দোকানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছেন সদর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান মাহমুদ ডালিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকাননস্থ জে.সি গুহ রোডের সরকারী পরিত্যক্ত বাড়ি ‘মতিন বিল্ডিং’ এর নীচ তলার ইলেকট্রিক সামগ্রী ও গ্লাসের দোকান এবং মালামালের ২টি গোডাউনসহ মোট ৯টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে গণপূর্ত বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা নিজ দায়িত্বে তাদের দোকানের মালামাল সরিয়ে নেন। দোকানগুলো হলো-

আলো নিকেতন, উদয়ন কর্পোরেশন, দি ইউনিভার্সেল ইলেকট্রিক এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, বিনিময় গ্লাস, যমুনা ইলেকট্রিক ও মহিউদ্দিন ইলেকট্রিক। রোববার সকালে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন মহানগরীর সদর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান মাহমুদ ডালিম। গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষন বিভাগ, পাঁচলাইশের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সৌমিক তালুকদার, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পুষণ চক্রবর্তী, সহকারী প্রকৌশলীগণ ও মেট্টোপলিটন পুলিশ অভিযানে সহযোগিতা করেন।

গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নন্দনকাননস্থ সরকারী পরিত্যক্ত বাড়ি ‘মতিন বিল্ডিং’-এর নীচ তলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উপরে সরকারী কর্মচারীদের বরাদ্ধপ্রাপ্ত ঘর ছিল। পুরো বিল্ডিংটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় এটি ভেঙ্গে ফেলে নতুনভাবে আবাসন গড়ার জন্য সরকার গত পাঁচ বছর পূর্বে প্রকল্প গ্রহণ করে। সে সময়ে ‘মতিন বিল্ডিং’-এ বরাদ্ধপ্রাপ্ত সরকারী কর্মচারীরা নোটিশ পেয়ে অন্যান্য সরকারী বাসায় চলে গেলেও নীচ তলায় উপ-ভাড়াটিয়া হিসেবে অবস্থানরত ইলেকট্রিক সামগ্রী ও গ্লাসের দোকানদারেরা তাদের ব্যবসা অব্যাহত রাখে। এর পরেও দোকান ঘরগুলো ছেড়ে দেয়ার জন্য তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে নোটিশের মাধ্যমে কয়েকবার তাগাদা দেয়া হয়। এক পর্যায়ে ব্যবসায়ীরা (উপ-ভাড়াটিয়া)

দোকানগুলো বুঝিয়ে না দিয়ে সরকারকে বিবাদী করে আদালতে মামলা রুজু করেন। প্রায় পাঁচ বছর পর আদালত থেকে সরকার পক্ষে মামলার রায় হওয়ায় উপ-ভাড়াটিয়াগণ আবারও আপীল করেন। আপীলেও সরকার পক্ষে রায় বহাল রাখেন আদালত। আজ ৪ মে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে ২টি গোডাউনসহ মোট ৯টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে গণপূর্ত বিভাগের কাছে পরিত্যক্ত মতিন বিল্ডিংটি হস্তান্তর করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

বোয়ালখালীতে অবৈধ ব্রিজ নির্মাণ বন্ধ করলেন ইউএনও।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কসকবাজার আরকান সড়কের বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী ফুলতলার দক্ষিণ পাশে রায়খালী খালের ওপর অবৈধভাবে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালের ওপর অনুমোদনহীনভাবে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার ও ভয়াবহ বন্যা সহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে একই সাথে চাষবাদ ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অবৈধ ব্রিজ নির্মাণের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন ।

পরিদর্শনকালে তারা খালের ওপর অবৈধভাবে ব্রিজ নির্মাণের সত্যতা পান। এ সময় খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নির্মাণকাজের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে সোমবারের মধ্যে নির্মাণাধীন ব্রিজটি অপসারণ বা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন প্রশাসন ।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা প্রতিপালন না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ