আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমন্বয় সভা

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই মাসিক সমন্বয় সভায় বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতির সভাপতিত্বে হাসপাতাল এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, মেডিকেল অফিসার, সিনিয়র স্টাফ নার্স ও স্যাকমোদের নিয়ে এই মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সর্পদংশনে আগত রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্সদের মধ্যে এক মতবিনিময় এর আয়োজন করা হয় যাতে উপজেলা পর্যায়ে সাপে কাটা রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
উক্ত সভায় বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জাফরিন জাহেদ জিতি বলেন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আমাদের কাছে সাপে কাঁটা অনেক রোগী নিয়ে আসে। কাঁটার উপরে শক্ত বাধন দিয়ে নিয়ে আসে, যার ফলে আক্রান্ত অঙ্গ চাপ খেয়ে পচন বা ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে।

বিষধর সাপ না হলেও আলাদা করে আমাদের চিকিৎসা করা লাগছে আক্রান্ত অঙ্গের। তিনি বলেন সাপে কাটার স্থানে কোনো ধরনের শক্ত বাঁধন/গিঁট দেওয়া যাবে না। সাপে কামড়ালে এমনিতে আক্রান্ত স্থানটি ফুলে যায়। এর মধ্যে সেই স্থান আরও শক্ত করে বাধা হলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে তা আরও ফুলে যাবে এবং আক্রান্ত অঙ্গে রক্ত প্রবাহিত হবে না। এতে করে ওই অঙ্গের টিস্যুতে পচন ধরে পুরো অঙ্গটি পচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে অঙ্গচ্ছেদও করা লাগতে পারে। এছাড়া শক্ত করে বাঁধার ফলে ধমনীতেও রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা পেশী এবং স্নায়ুগুলিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ডাঃ জাফরিন জাহেদ জিতি আরও বলেন বাধন বা গিট না দিয়ে ব্যান্ডেজের সাহায্যে একটু চাপ দিয়ে প্যাঁচাতে হবে। একে প্রেসার ইমোবিলাইজেশন বলে। ব্যান্ডেজ না পাওয়া গেলে গামছা, ওড়না বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ