আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

তিস্তা রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের ডাক, মতবিনিময় সভায় মেজর হাফিজ ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক সংসদ সদস্য, ভোলা-৩ আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে তিস্তা বাঁচাও শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকায় আয়োজিত এ সভায় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, তিস্তা নদী বাঁচানোর দাবি এবং ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রজন্ম ৭১ কেন্দ্রীয় কমিটি।

সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলীনা রহমান। আলোচনায় অংশ নেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুল কবির খোকন, আব্দুস ছালামসহ বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়বাদী শহীদ জিয়ার প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তিস্তা রক্ষার আন্দোলন কেবল উত্তরাঞ্চলের মানুষের নয়, বরং দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম। বিএনপি জনগণের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে এই আন্দোলনকে বিজয়ী করবে।

বক্তারা বলেন, তিস্তা নদী শুধু উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার উৎস নয়, এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবেশের সঙ্গেও নিবিড়ভাবে জড়িত। এ নদী শুকিয়ে গেলে পুরো উত্তরবঙ্গ মরুকরণের ঝুঁকিতে পড়বে। তাই তিস্তা বাঁচাতে সমন্বিত পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

একইসঙ্গে তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের নানামুখী অবস্থান, ইসির রোডম্যাপ ও বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

সাবেক এমপি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “তিস্তা বাঁচানো এখন শুধু একটি আঞ্চলিক ইস্যু নয়, বরং জাতীয় স্বার্থে বড় একটি প্রশ্ন। বিএনপি জনগণের পাশে থেকে এই নদী রক্ষায় সব ধরনের আন্দোলনে অংশ নেবে। একইসঙ্গে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী এবং প্রজন্ম ৭১ কমিটির নেতারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোড দোকান মালিক সমবায় সমিতি’র নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ ২০২৬-২৮ শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১৯ জানুয়ারি সকাল ১০.০০ ঘটিকায় সি ইপিজেড ব্যারিস্টার কলেজ সংলগ্ন আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোডস্থ মাঠে অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ রানা এর সভাপতিত্বে ও উপদেষ্টা বাবু শ্যামল বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় হাফেজ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শপথ বাক্য পাঠ করান নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অন্তবর্তী কমিটির সদস্য প্রকাশ কান্তি দাশ।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রবিএ গীতা পাঠ করেছেন শ্রী আপেল দেবনাথ মহোদয় এবং প্রবিএ এিপিটক পাঠ করেছেন সন্জয় চাকমা।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সভাপতি মোহাম্মদ কাউসার,সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আজাদ,সহ সাধারণ সম্পাদক অনিক দে,অর্থ সম্পাদক ইকবাল বাহার,সহ অর্থ সম্পাদক সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় কুমার দে, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রবিউল হক সুমন,প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো: ইব্রাহীম, সদস্য দীপন চাকমা,আজিজ মিয়া।
উপদেষ্টা সদস্য হলেন – সাইফুল ইসলাম মিয়া,বাবু শ্যামল বিশ্বাস, হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, স্বপন গোলদার,মনির হোসেন,আফজাল হোসেন।
এছাড়া উপ কমিটির সদস্য হলেন যারা,

মোহাম্মদ আবুল কাশেম,নাঈম উদ্দিন রানা,মোহাম্মদ হিরো, মোহাম্মদ নুর আলম,ইয়াছিন উদ্দিন, শাকিল বড়ুয়া।এতে উপস্থিত ছিলেন দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্যদের শুভেচ্ছা বক্তব্য, উপস্থিত সদস্যদের সাথে পরিচয় শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ আব্দুর রহিম। তিনি ব্যবসায়ীদের একতা সততার উপর গুরুত্ব দিয়ে সংগঠন এর উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন

সমিতির নিয়ম কানুন মেনে চলা, একে অপরের সহযোগী হিসেবে কাজ করা,রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে দিকে গুরুত্ব দিয়ে সকলকে সততার সঙ্গে ব্যবসায় পরিচালনা আহবান জানিয়ে ধৈর্য্য সহকারে অনুষ্ঠানে থাকায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সভাপতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শতাধিক গণমাধ্যম কর্মচারীর মাঝে কম্বল বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত শতাধিক কর্মচারীর মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মুহাম্মদ আজাদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের সহসভাপতি হেলাল সিকদার এবং সোনালী কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান প্রণয় দাশ গুপ্ত শিমুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, শীতবস্ত্র বিতরণ একটি মহৎ ও মানবিক উদ্যোগ। যাদের মাঝে এই কম্বল বিতরণ করা হয়েছে, তা তাদের জন্য উপহারস্বরূপ। তীব্র শীতের এই সময়ে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরের মানুষ যদি এভাবে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে মানবিকতার জয় হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান কামরুল কায়েস চৌধুরী এবং প্রেস ক্লাবের উপকমিটির উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। এছাড়া বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও আজিজা হক পায়েল। অনুষ্ঠান শেষে শতাধিক গণমাধ্যম কর্মচারীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ