বীরের বেশে আসছে ফিরে তারেক রহমান।

মোঃ জহিরুল ইসলাম (জহির) :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কাছে বার বার পরাজিত হয়েছেন পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা। তিনি সুদূর লন্ডনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে পতন ঘটিয়েছেন হাসিনার ফ্যাসিবাদের। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবনের সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্বাসনের কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে তিনি আজ আবার বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রে। তাঁর প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার ফেরা নয়-এটি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। খুনী হাসিনা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, দেশপ্রেমিক চেতনা ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা-সব মিলিয়ে তারেক রহমান আজ কোটি মানুষের আশার নাম।

এক-এগারো সরকারের কুশীলবদের ষড়যন্ত্রে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতনের শিকার হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সপরিবার লন্ডনে পাড়ি জমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান; পরে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। প্রায় ১৭ বছর ধরে লন্ডনে আছেন তিনি। সেখান থেকেই নিজ বাসায় বসে অনলাইনে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন দিনরাত নিরলসভাবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন তিনি।

একটি ছোট রুম, থাকে থাকে সাজানো বই, একটি চেয়ার, একটি টেবিল-টেবিলের উপর ডাইরি, কলম, আর একটি কম্পিউটার সঙ্গী করে-আমাদের প্রিয় নেতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রবাসের মাটিতে থেকেও দলের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। এই সীমিত পরিবেশে থেকেও তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, দেশ-বিদেশে নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর নিয়েছেন, দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে থেকেছেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সংকট দূরীকরণে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন।

খুনী হাসিনার একটি স্বপ্ন ছিলো বিএনপি ভেঙে টুকরো টুকরো করবে কিন্তু বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দুরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বের কাছে খুনী হাসিনা বার বার পরাজয় বরণ করেন। ফিনিক্স পাখির মতো বার বার বিএনপির নেতা-কর্মীরা গায়েবি মামলার বেড়াজাল, গুম-খুন শতো কষ্ট উপেক্ষা করে প্রিয় নেতা তারেক রহমানের ডাকে রাজপথে নেমে আসে বার বার।

দেশবিরোধী অপতৎপরতা দেমে নেই তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঠেকাতে এবং আগামী নির্বাচন যাতে যথাসময়ে হতে না পারে সেজন্য নানা রকম ষড়যন্ত্র চলমান। একদিকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র অসুস্থতার সময় তারেক রহমান কেনো দেশে আসে নাই মায়া কান্নার নাটক অন্যদিকে যখনই দেশে আসতে সব ঠিক করলেন তখনই ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি, দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

গত ১২ ডিসেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চে মুখপাত্র ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদি’র উপর নির্মম ভাবে দিনে-দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। ক্ষমতাচ্যুত পলাতক খুনী হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হাদির মাথায় গুলি করেন। শহীদ হাদির জানাজার লাখো লাখো মানুষের জনস্রোত বলে দেয় এদেশের জনগণ বাংলাদেশ পন্থী এরা কারো গোলামী করবে না। তারেক রহমানের ঘোষণা সবার আগে বাংলাদেশ আজ ১৮ কোটি মানুষের হ্নদয়ে ধ্বনিত হচ্ছে।

বিএনপি ১২ ডিসেম্বর রাতেই সাংবাদিক সম্মেলন করে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বার্তা দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের সব সময় চাঙা রেখেছেন, আগলে রেখেছেন। বিএনপি সহ দেশের মানুষ উনার বক্তব্যে, দিক, নির্দেশনাতে আশার আলো দেখতে পেয়েছেন। খুনী হাসিনা গং উনার নেতৃত্ব কে সব সময় ভয় পেতো, তাই তারেক রহমানের নামে নানাবিধও প্রোপাগান্ডা অতীতের ন্যায় বর্তমানেও চালাচ্ছে। ষড়যন্ত্র এখনও চলমান যা এদেশের মানুষের পাশাপাশি সারাবিশ্বের গণতান্ত্রিগামী মানুষ অবগত।

জুলাই যোদ্ধা ওসমান শরীফ হাদি ঢাকার রাজপথে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছিল অন্তর্র্বতী সরকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যুর কাছে হার মানলেন বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর প্রচারিত হওয়ার পরেই ঢাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শাহবাগে জমায়েত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

একটি দেশবিরোধী চক্র আবারও মেতে উঠে নতুন খেলায়। প্রথম আলো-ডেইলি স্টার অফিস ভাংচুর, আগুন দেয় ছায়ানট ভবনে। সব কিছুর পিছনেই দেশবিরোধী চক্রের হাত রয়েছে। তারেক রহমান দেশে আসলে নির্বাচন হবে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে। এটা পলাতক হাসিনার বন্ধু রাষ্ট্র সহজে মেনে নিতে পারছে না। জিয়া পরিবারকে এদেশের জনগণের ভালোবাসা থেকে দুরে রাখতে সব আয়োজন করেছিলো হাসিনা গং। কিন্তু সত্য চিরন্তন জিয়া পরিবারই এদেশকে আপন করে নিয়েছে সকল সংকটে দেশের আপামর জনসাধারণের পাশেই ছিলো, ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ।

এদিকে তারেক রহমান কে অভ্যর্থনা জানাতে গঠন করা কমিটির প্রধান ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যক ফ্লাইটে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫শে ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসছেন। ওইদিন ফ্লাইটটি ১১টা ৫৫ মিনিটে অবতরণ করবে তারেক রহমান কে বরণ করে নিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ব্যাপক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

নানা অরাজনৈতিক সংগঠন ও দেশের আপামর জনসাধারণ তারেক রহমান কে স্বাগত জানাতে ঢাকার রাজপথে নেমে আসবে কারণ উনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশে নবজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি শুধু বিএনপির নেতা নন ১৮ কোটি মানুষের নেতায় পরিণত হয়েছেন। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রুপসা থেকে পাথুরিয়া আজ তারেক রহমানের আগমনে উচ্ছ্বসিত। চারিদিকে আজ একই রব বীরের বেশে আসছে ফিরে তারেক রহমান। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা সব ই একসূত্রে গাঁথা। বাংলাদেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই ১ম তারেক রহমান বগুড়া-৬ থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।

সুদীর্ঘ প্রবাস জীবন ছেড়ে মা, মাটি ও মানুষের ডাকে এদেশ বির্নিমানে তারেক রহমান জনগণের পালস বুঝে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে যাবেন এটা আমাদের সকলের চাওয়া। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য সন্তান, যিনি আজ নিজ যোগ্যতায়, নিজ কর্মগুনে, নেতৃত্বগুনে এদেশের আপামর জনসাধারণের কন্ঠস্বরে পরিনত হয়েছেন।

বাংলাদেশের স্টেটসম্যানে পরিনত হয়েছেন। ফ্যাসিস্টমুক্ত নতুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাহেন্দ্রক্ষণ এক অনন্য গৌরবময় অধ্যায়। দীর্ঘ লড়াই, ত্যাগ ও প্রত্যাশার পর গণমানুষের আকাঙ্খা ধারণ করে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন জাতির জন্য আশার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো মাতৃভূমিতে আপনাকে জানাই হৃদয়ের গভীরতম অভিনন্দন ও উষ্ণ স্বাগতম।

এই প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার দেশে ফেরা নয়; এটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। দমন-পীড়ন, অন্যায় ও অন্ধকার সময় পেরিয়ে নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আপনার নেতৃত্বে দেশ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে, মানুষের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী হবে, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে-এই প্রত্যাশাই আজ সর্বত্র।

লাল-সবুজের প্রিয় মাতৃভূমি আপনাকে বরণ করে নিচ্ছে অগণিত মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আশার আলো নিয়ে। এগিয়ে যাক প্রিয় বাংলাদেশ-স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে।

লেখক: বি.এস.সি ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং,এল.এল.বি, সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ফয়সাল আমিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষপর্যন্ত মির্জা পরিবারের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিনই বিএনপি দলীয় প্রার্থী।

বিএনপির মহাসচিব থেকে এলজিআরডি মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল দায়িত্ব নিয়েছেন। শূন্য হওয়া এই আসনটিতে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফয়সাল আমিনকেই চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে বেছে নিচ্ছে দল।

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত -সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই রায়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ