কুষ্টিয়ায় সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক-১।

হৃদয় রায়হান কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে সাড়ে ৫ লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী পণ্য উদ্ধার হয়েছে। গতকাল রবিবার বিকেল ৪টার দিকে বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবি সূত্র জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ’ মহিষকুন্ডি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৫৩/৫-এস হতে আনুমানিক ৬ কি. মি. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ডাংমড়কা চেকপোষ্টে হাবিলদার মো. মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে বিজিবি’র টহল দল অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ১৩ বোতল মদসহ মো. হাসিম আলী (৪৩) কে আটক করেছে।

আটক মাদক কারবারী রাজশাহী জেলার দামপুরা থানার শিতলাই গ্রামের আঃ আজিজের ছেলে। অপরদিকে শনিবার রাত আনুমানিক ১২.৪০টায় একই ব্যাটালিয়ন অধীনস্থ পশ্চিম ধর্মদাহ বিওপি দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৪৭/৪-এস হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাঁশঝাড় নামক স্থানে হাবিলদার মো. আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবি’র টহল দল অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২৪ বোতল মদ ও ৬০০ পিস সিলডিনাফিল ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এছাড়াও গতকাল রবিবার দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ মিরপুর রেলওয়ে ষ্টেশন এলাকায় হাবিলদার মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল অভিযান চালিয়ে ৬ হাজার ২০ প্যাকেট অবৈধ নকল বিড়ি উদ্ধার করেছে। বিজিবি’র পৃথক অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী পণ্যের সিজারমূল্য ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ৬০০ টাকা বলে বিজিবি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে মাদকসহ আটক মাদক কারবারীকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ধ্বংসের জন্য ব্যাটালিয়ন সিজার ষ্টোরে এবং অবৈধ নকল বিড়ি কাস্টম্স অফিসে জমা করা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

মাদক ও চোরাচালানী পণ্য উদ্ধারের বিষয়ে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মাদক পাচারসহ সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও চোরাকারবারীসহ মাদক আটকে বিজিবি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে উভয় পক্ষের লোকজন উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিরোধ মেটাতে ও পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্মানিত শিক্ষক বাবু মনোরঞ্জন রায় (৫৫)- কে প্রতিপক্ষের লোকজন এলোপাথাড়ি পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

সু-মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবতায় বিশ্বাসী সংগঠন ‘বাংলাদেশ হিন্দু সম্মিলন সংঘ, এর পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আপোষহীন সংগ্ৰামী সাধারণ সম্পাদক ডা. মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায় (ডা. এম কে রায়) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
একজন নিরীহ শিক্ষক, যিনি সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সালিশে মধ্যস্থতা করতে গিয়েছিলেন, তাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা শুধু হত্যাকাণ্ড নয়, এটি সভ্য সমাজ, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনার উপর সরাসরি আঘাত।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তিন দফা দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন -১. অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকল খুনিদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে।
২. নিহত শিক্ষক মনোরঞ্জন রায়ের শোকসন্তপ্ত পরিবারের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৩. পার্বতীপুর সহ সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভূমি দখল ও নির্যাতন বন্ধে এবং জানমালের নিরাপত্তা বিধানে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

একই সাথে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন ন্যায়বিচারের প্রতীক : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন শিক্ষা, মানবতা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক। তিনি নারী শিক্ষা, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ আজও আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক বাঙালি গড়ার কারিগর, অহিংস মতবাদের ধারক ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার মনীষী।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রপথিক ও খ্যাতিমান মনিষী মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৭৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানার উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অবিভক্ত বাংলা ও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রাম, শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজ সংস্কারে স্বাধীনতা সংগ্রামী ও প্রখ্যাত সাংবাদিক মওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর অবদান চিরস্মরণীয়।

এতিমখানা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও এস এম সালাউদ্দীনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, চবি অধ্যাপক জিনবোধি ভিক্ষু, শিক্ষাবিদ ও লেখক ড. শামসুদ্দিন শিশির, চট্টগ্রাম জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। বক্তব্য রাখেন কদম মোবারক মুসলিম এতিম খানার সিনিয়র সহ সভাপতি এস এম মোর্শেদ হোসেন, সহ সভাপতি হাফেজ আমান উল্লাহ, মুজিবুল হক সিদ্দিকী, সাধারণ সমম্পাদক প্রফেসর ডা. পারভেজ ইকবাল শরীফ, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, শিক্ষা সম্পাদক ড. মো. সানা উল্লাহ প্রমুখ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ