আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিরসরাইয়ে পাশ্ববর্তি জমি দখল করে ভবন নির্মান ।

মিরসরাই প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিরসরাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাশ্ববর্তি জমির একাংশ দখল করে ভবন নির্মানের অভিযোগ গনমাধ্যমকর্মীদের জানান জনৈক ভুক্তভোগী । পৌরসভার এস রহমান স্কুল রোডে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘাতের আশংকা ও উত্তেজনা পরিলক্ষিত হয়। ভুক্তভোগী নিজাম উদ্দিন ( ৫২) গনমাধ্যমকর্মীদের জানান তাঁর বিএস ২৪১৭ নং খতিয়ান হতে ৫ শতাংশ জমি তিনি মাহবুবুল আলম ( ৪০) এর কাছে বিক্রি করেছিলেন। কয়েক মাস পূর্বে তিনি হজ্বে থাকাকালীন সময় উক্ত ব্যক্তি মাপজোকের সীমানা পিলার ফেলে দিয়ে

আমার অবশিষ্ট জায়গার বৃহৎ অংশ দখল করে ফাউন্ডেশান দিয়ে ঘর নির্মান শুরু করে। আমি এসে বিষয়টি দেখতে পেয়ে মাপজোক করে সমাধানের প্রস্তাব দিলে তিনি মাফ জোক করে আমার জমির মূল্য পরিশোধ না করে আবারো জোরপূর্বক ২য়তলার ও ছাদ দিয়ে ফেলে। অবশেষে আমি চট্টগ্রাম জর্জকোর্টের অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে এই বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থার আবেদন করিলে আদালত মিরসরাই থানার মাধ্যমে গত ৬ জানুয়ারী থেকে উক্ত স্থানে ১৪৫ধারা জারি করে স্থিতিঅবস্থার নির্দেশ দেয় । কিন্তু এরপরও উক্ত ব্যক্তি আরো দ্রুত নির্মান কাজ অব্যাহত রাখে।

গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী ) রাতে এবার তড়িঘড়ি করে ৩ তলার ছাদ দিয়ে ফেলে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্বীকার করছি আমার অনুপস্থিতিতে কিছু জায়গা এদিকে বেশী চলে এসেছে। আমি সকলের বিচারে এখন মূল্য দিয়ে দিতে চাই। তবে ভুক্তভোগি নিজাম উদ্দিন জানান তিনি দাম দিবেন বলে ও দিচ্ছেননা বৈঠকেও বসছেন না জোরপূর্বক দখল করতে চাইছেন আমার জমি।
এদিকে এই বিষয়ে আশেপাশের কয়েকজন প্রত্যক্ষর্শী জানান উক্ত জমি ও নির্মান কাজ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ পরিলক্ষিত হচ্ছে যা থেকে বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা রয়েছে।

এই বিষয়ে উক্ত উক্ত অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা মিরসরাই থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই শাহিন আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত থেকে সমাধান করার জন্য এবং সমাধান পর্যন্ত চলমান কাজ না করার নির্দেশনা দিয়েছি। আবার আদালতের নির্দেশনায় স্থিতি ও শান্তি শৃংখলা রক্ষার চেষ্টা করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ