আজঃ রবিবার ৩১ মে, ২০২৬

৫ আগস্টের পর কিছু হয়রানিমূলক মামলা হয়েছে।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন- ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বেশকিছু মামলায় ব্যক্তিগত সুবিধা চরিতার্থ করার জন্য কিছু সাধারণ ও নিরীহ লোকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। কিছু সুবিধাবাদী শ্রেণি এই মামলাগুলো করেছে যেগুলো আমাদের নজরে এসেছে।
মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কিছু সুবিধাবাদী শ্রেণি এই মামলাগুলো করেছে যেগুলো আমাদের নজরে এসেছে। এগুলো যাচাই বাছাই করে আমরা সঠিক তথ্য খুঁজে বের করবো। তিনি আরও বলেন- আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। কেউ যেন অহেতুক হয়রানিমূলক মামলার শিকার না হন- সে বিষয়ে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবেবিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন এর আগে দেওয়া হয়। মামলা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে হত্যা, মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাদ দিয়ে শুধু রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, আমরা আরও বেশকিছু রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছি। মামলাগুলো সত্যিকার অর্থে রাজনৈতিক মামলা কি না তা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে দেখা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সন্ত্রাসীরা যাদেরই আশ্রয়ে থাকুক, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সন্ত্রাসীরা যাদেরই আশ্রয়ে থাকুক না কেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে মতবিনিময় সভায়

সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে কার্যকরভাবে এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী। সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা নির্মূল করতে হবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে যারা চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছে, তাদের আশ্রয়স্থল কোথায় আমরা দেখতে চাই। তাদের সর্বশেষ আস্তানাও আমরা নির্মূল করব।তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, সামরিক বাহিনী ও হেলিকপ্টারসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে অংশ নিয়েছে। প্রায় চার হাজার সদস্যের যৌথবাহিনী এখানে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সব বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে কাজ করবে। আমাদের প্রথম লক্ষ্য এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা। সন্ত্রাসীরা যাদেরই আশ্রয়ে থাকুক না কেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর এবং আশপাশের এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সরকারি স্থাপনা নির্মাণ ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নতুন কারাগার স্থাপনের স্থানও পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে এলাকাবাসীকে উচ্ছেদ করা হবে না এবং যাদের পুনর্বাসনের প্রয়োজন হবে তাদের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। গণমাধ্যমের প্রতি সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আপনারা যদি সঠিক তথ্য দেন এবং সহযোগিতা করেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য তা অত্যন্ত সহায়ক হবে। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে চট্টগ্রামের লিংক রোডের পাশে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকা পরিদর্শনে যান। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, এখানকার অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় প্রকৃত অধিবাসীদের কাউকেই উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার সেই ব্যবস্থা করবে।
তিনি বলেন, এই আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর, এই জায়গাটা আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসীদের এলাকা থাকবে না, অভয়ারণ্য থাকবে না। এর আশেপাশে দুইটা পাহাড় টিলা শ্রেণী আছে-একটা হচ্ছে বেতুয়া আরেকটা চা-বাগান।এই এরিয়াতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেখান থেকেও তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাঁড়াশি এবং যৌথ অভিযানের মাধ্যমে, পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে সারা দেশব্যাপী মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজি-এই চারটাকে আমরা অ্যাড্রেস করেছি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে। এগুলোকে আমরা নির্মূল করার চেষ্টা করব এবং তার জন্য আমরা আইনি সংস্কার করছি। কারণ দেখা যায়, ১৮৬৭ সনের জুয়া আইনের মধ্য দিয়ে জুয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না; এখন অনলাইন জুয়া, অফলাইন জুয়া, বিভিন্ন রকমের মডারেট জুয়া এবং বেটিং চালু হয়েছে অনেক বছর আগে থেকে। এগুলোকে আমরা কখনোই আইনিভাবে অ্যাড্রেস করতে পারছি না। কারণ আইনটাই নেই অথবা আইনটাই দুর্বল। সেই আইনটা আমরা আগামী সেশনে পার্লামেন্টে নিয়ে আসার চেষ্টা করব, তাহলে আইনি কাঠামোগতভাবে এগুলোকে আমরা অ্যাড্রেস করব।

তিনি বলেন, একই সাথে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে আমরা যাতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারি সেই সংশোধনীটাও আনব। এখানে হাজার হাজার মাদকের মামলা আছে যেগুলো বছরের পর বছর পেন্ডিং হয়ে আছে, সেগুলো নিষ্পত্তি হবে। এইভাবে আমরা আমাদের দেশকে বাঁচাতে পারি, যুব সমাজকে বাঁচাতে পারি।

আর কিশোর গ্যাংয়ের যে উৎপাত হয়েছে সেটার জন্য আমাদের কিছুটা আইনি সংস্কার আনতে হবে। কিশোর গ্যাং বলতে কত বয়স পর্যন্ত তাদেরকে কিভাবে কী সুবিধা দেয়া যায়, কারণ আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে কিশোরদের যে সুবিধা আছে (জুভেনাইল ডিলিনকোয়েন্সি) সেটা তারা নিচ্ছে। এই কিশোররা যারা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত তারা আক্রমণাত্মক ও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। সুতরাং এখানে আইনের সংস্কার দরকার আছে।

মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে নানা উপায়ে বিকৃত ও ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে : চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে একটি মহল নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার নগরের ষোলশহর ২ নম্বর গেট বিপ্লব উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে এখান থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিরোধ ও বিদ্রোহের আহ্বান জানিয়েছিলেন। পরে ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেন। তার নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও সাহসিকতা স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতির নতুন ধারা সূচনা করেন। একদলীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, বর্তমানে আমরা লক্ষ্য করছি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে নানা উপায়ে বিকৃত ও ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে সাম্য, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন শহীদ জিয়াউর রহমান দেখিয়েছিলেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও রেমিট্যান্স খাতে তার গৃহীত পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিকে নতুন গতি দিয়েছিল। তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।

মেয়র আরও বলেন, আজও বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনেক খাত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তার সুযোগ্য পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

চামড়া শিল্পের সংকটের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শাহাদাত বলেন, একসময় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা চামড়া শিল্প আজ নানা সংকটে বিপর্যস্ত। এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করা সম্ভব।
চট্টগ্রামকে দেশের পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শুধু স্বাধীনতার ইতিহাসের নয়, দেশের অর্থনীতিরও প্রাণকেন্দ্র। এই নগরী সবসময় জাতীয় আন্দোলন সংগ্রাম এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছে। বন্দর, শিল্প, পর্যটন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামকে প্রকৃত অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করতে হবে।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জাতীয় অর্থনীতির আরও শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

মেয়র বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেম, সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সংকটাপন্ন দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তার আদর্শ ধারণ করে দুর্নীতিমুক্ত, আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, আজকের দিনে আমাদের শপথ হোক, শহীদ জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ