রূপ ও লাবন্য বয়সকে আচ্ছন্ন করেনি

ঢালিউড তারকা পূর্ণিমার জন্মদিন আজ

বিনোদন রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌন্দর্য আর নিখুঁত অভিনয় পূর্ণিমা এখনো জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন ঢালিউড জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। বয়স বাড়ার পরও তার সৌন্দর্য ভক্তদের মুখ শুধু একই কথা—পূর্ণিমার বয়স বাড়ছে, সৌন্দর্যও বাড়ছে।
আজ এই নন্দিত অভিনেত্রীর শুভ জন্মদিন। তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে । সেই হিসেবে আজ তিনি ৪৫ বছরে পা রাখলেন (৪৪ বছর পূর্ণ করলেন)।

‘এ জীবন তোমার আমার’এসিনেমার মধ্যদিয়ে
১৯৯৮ সালে ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু পূর্ণিমার। জাকির হোসেন রাজু‘ পরিচালিত এসিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার।
প্রায় ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে প্রায় ৮০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা।দীর্ঘ ক্যারিয়ারে চলচ্চিত্রের ধারা ও সময়ের পরিবর্তন ঘটলেও পূর্ণিমার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের প্রকৃতি উদ্যান ও বিনোদনকেন্দ্রে ভ্রমণপিপাসুদের উপচে পড়া ভিড়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রকৃতি উদ্যান ও বিনোদনকেন্দ্রে ভিড় জমিয়েছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু। কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ঢলে প্রাণ ফিরে পেয়েছে এ অঞ্চলের পাহাড়, হ্রদ ও সমুদ্রতীরবর্তী এলাকাগুলো। ঈদুল আজহার ছুটিতে চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থানগুলোতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। রোববার বিকেল পর্যন্ত এ দৃশ্য দেখা গেছে।


নগরজীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে ঈদুল আজহার দিন বিকেল থেকে মুখরিত পতেঙ্গা সৈকত, ফয়’স লেক সি ওয়ার্ল্ড, চিড়িয়াখানা, পারকি সৈকত, জুলাই বিপ্লব পার্ক, আগ্রাবাদ জাম্বুরী পার্ক, লিংক রোড়, নেভাল একাডেমি, গুলিয়াখালী সি বিচ, ভাটিয়ারি সানসেট পয়েন্ট। সরেজমিনে দেখা গেছে, সাগরের ঢেউয়ের মায়ায় নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে জড়ো হতে থাকেন দর্শনার্থীরা। কেউ মেতেছিলেন ঢেউয়ের মিতালিতে, কেউ ব্যস্ত ছিলেন ফ্রেমবন্দি হতে। স্পিডবোট ও ঘোড়ার পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ সৈকতের আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল।

চট্টগ্রাম নগরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ও সি ওয়ার্ল্ডে দেখা গেছে দর্শনার্থীদের ছিল ব্যাপক সমাগম। ঈদের প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পরিবারগুলো শুক্রবার থেকে ভিড় বাড়তে থাকে। ৩০ মে বিকেলে সেখানে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে ভক্তদের চমকে দেন অভিনেত্রী ও গায়িকা নুসরাত ফারিয়া।বিকেল চারটার দিকে সি ওয়ার্ল্ড ওয়াটার পার্কে পৌঁছালে মুহূর্তেই দর্শনার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই মুঠোফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে শুরু করেন। ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নুসরাত ফারিয়া উপস্থিত সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে তিনি কুইজ পর্বে অংশ নেন এবং নিজের জনপ্রিয় গান ‘লোকে বলে’-এর কয়েকটি লাইন গেয়ে শোনান। গানের তালে নৃত্য পরিবেশনও করেন তিনি, যা উপস্থিত দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেয়।

চট্টগ্রামের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে নুসরাত ফারিয়া বলেন, এখানকার খাবারের প্রতি তাঁর বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। বিশেষ করে কালাভুনা ও মেজবানের প্রশংসা করে তিনি জানান, ঈদের দিনেও তিনি গরুর মাংসের কালাভুনা উপভোগ করেছেন।
কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের বিপণন ব্যবস্থাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, রোলার কোস্টার, ফেরিস হুইল ও পাইরেট শিপের মতো জনপ্রিয় পারিবারিক রাইডের পাশাপাশি এবার নতুন কয়েকটি আকর্ষণ যুক্ত করা হয়েছে। নতুন রাইডগুলোর মধ্যে রয়েছে টর্নেডো ৩৬০, এয়ারবোর্ন শট, ফ্লাইং বাস ও স্কাই হুপার। তিনি বলেন, ঈদের ছুটির পুরো সময় প্রতিদিন পাঁচ হাজারের বেশি পর্যটক আসেন।

কাছেই অবস্থিত চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা শিশুদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। চিড়িয়াখানার উপ-কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, এই পাঁচ দিনে প্রায় ৬০ হাজার দর্শনার্থী হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার মানুষ।তবে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মীদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২৪ জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল।
এদিকে নগরের বাইরে সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী এবং আনোয়ারার পারকি সমুদ্রসৈকতেও দেখা গেছে ভ্রমণপিয়াসীদের উপচেপড়া ভিড়। সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী সানসেট পয়েন্ট দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। অনেকে দিনের শেষে মনোহর সূর্যাস্ত উপভোগ করতে এখানে জড়ো হন।

শনিবার সকাল থেকে ভাটিয়ারী বাজারে বিনোদন কেন্দ্রকে ঘিরে উপচে পড়া ভিড় আর যানজট দেখা দিয়েছে। রোববারও ছিল একই অবস্থা। এছাড়া মিরসরাইয়ে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ মহামায়া ইকোপার্কও প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। পাহাড়ি ঝরনা ও স্বচ্ছ জলের মনোমুগ্ধকর সমন্বয় পর্যটকদের টানছে সেখানে।
পার্কটির ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক তাসলিম উদ্দিন তৌহিদ বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল থেকেই প্রায় ৫০০ পর্যটক সেখানে ভিড় করেন। তিনি বলেন, শুক্রবার থেকে ঈদের ছুটি কার্যত পূর্ণমাত্রায় শুরু হওয়ায় প্রতিদিন এক হাজারের বেশি দর্শনার্থীর লক্ষ্যমাত্রা আমরা সহজেই অতিক্রম করছি।

পর্যটকদের চাহিদা সামাল দিতে পার্কের সব ধরনের জলযান চালু রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬৪টি কায়াকিং বোট, যা তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়; ৫০ থেকে ৫৫টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা এবং স্থানীয় জেলেদের পরিচালিত ১২ থেকে ১৪টি পিনাকল বোট।
ভ্রমণকারী মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি চট্টগ্রাম শহরে থাকি, তবে ঈদের জন্য গ্রামে এসেছি। আবহাওয়া বেশ গরম হলেও পরিবারের সঙ্গে পাহাড় আর পানির মধ্য দিয়ে নৌকা চালানোর অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ।

পর্যটকদের এই ঢল জেলার ১৫টি উপজেলাজুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা এবং সীতাকুণ্ডের ব্যতিক্রমধর্মী গুলিয়াখালী সৈকতে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এ ছাড়া ডিসি পার্ক ও আরশিনগর ফিউচার পার্কেও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল সর্বোচ্চ।
এই বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে। পতেঙ্গা ও আশপাশের ব্যস্ত পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নজরদারি দল মোতায়েন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি উত্তম প্রসাদ পাঠক জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে ঘোরাঘুরি নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর টানা এক সপ্তাহ পুলিশ এই বিশেষ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

ব্যয় বেড়েছে ১০ কোটি টাকা আগামী মাসে চালু হচ্ছে পারকি কমপ্লেক্স

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মাণাধীন পারকি সৈকত পর্যটন কমপ্লেক্সের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত পারকিকে আন্তর্জাতিকমানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের নেওয়া এ প্রকল্প আগামী জুনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে আনোয়ারার পারকি সমুদ্রসৈকতে ১৩ দশমিক ৩৬ একর জমির ওপর আধুনিক পর্যটন কমপ্লেক্স নির্মাণকাজ শুরু হয়। শুরুতে ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে ধীরগতির কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরে কয়েক দফা সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭২ কোটি টাকা। সর্বশেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের প্রকল্প পরিচালক মাজেদুর রহমান জানান, অবকাঠামোগত কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে চলছে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। আগামী জুনের মধ্যেই পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রকল্প এলাকায় কটেজ, বহুতল ভবন, প্রবেশদ্বার, সীমানাপ্রাচীর ও পার্কিং জোনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে রং ও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জার কাজ।

প্রকল্পে থাকছে ১০টি সিঙ্গেল কটেজ, চারটি ডুপ্লেক্স কটেজ, তিনতলাবিশিষ্ট মাল্টিপারপাস ভবন, রেস্তোরাঁ, সার্ভিস ব্লক, সাবস্টেশন ভবন, অভ্যন্তরীণ সড়ক, নিরাপত্তাকক্ষ, পিকনিক শেড, শিশুদের খেলাধুলার স্থান এবং একটি হ্রদ।

তবে প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। পারকি বিচ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম অভিযোগ করেন, শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। এছাড়া পানি নিষ্কাশনের দুর্বল ব্যবস্থার কারণে প্রকল্পের সীমানাপ্রাচীরের কিছু অংশ ধসে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।

যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রকল্পের সাইট ইঞ্জিনিয়ার অসীম শীল বলেন, ত্রুটিগুলো পরবর্তীতে সংস্কার করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতির কারণেই কাজ শেষ হতে বেশি সময় লেগেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আশা, পর্যটন কমপ্লেক্সটি চালু হলে পারকি সৈকতে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একই সঙ্গে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ