জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে সাঈদ আল নোমান

জুলাই শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: সাঈদ আল নোমান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে জীবন বাজি রেখে লড়াই করা শহীদদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ দেশ নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই শহীদ পরিবারগুলোর সম্মান, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

রোববার দুপুরে নগরীর পাহাড়তলীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, ওষুধ বিতরণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাঈদ আল নোমান বলেন, “যেখানে একজন মা তাঁর সন্তানকে হারিয়েছেন, একজন সন্তান তাঁর বাবাকে হারিয়েছে, একটি পরিবারের স্বপ্ন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছে সেখানে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো তাদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা এমন কোনো কাজ করব না, যাতে শহীদ পরিবারগুলো কষ্ট পায় বা নিজেদের অবহেলিত মনে করে।”

তিনি আরও বলেন, সুখী, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে শহীদ পরিবারগুলোর যথাযথ মূল্যায়নের কোনো বিকল্প নেই। তাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করতে না পারলে সেটিই হবে সবচেয়ে বড় অবিচার। তিনি উল্লেখ করেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ পরিবারগুলোর কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। তাঁর মানবিক নেতৃত্ব, বিনয়ী আচরণ ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দর্শন ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয়ে গভীর আস্থা সৃষ্টি করেছে।”

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি; তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। ঘাতকের বুলেট তাঁর জীবন থামিয়ে দিলেও তাঁর স্বপ্ন থেমে থাকেনি। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান।”

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাঈদ আল নোমান বলেন, রাজনীতির মূল শক্তি সততা, বিনয় ও জনসেবা। মুখে বড় বড় কথা বলে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, সেবার মাধ্যমে এবং আদর্শিক আচরণের মধ্য দিয়েই প্রকৃত রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, “চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজনীতি করা যায় না। মানুষের বন্ধু হয়ে, মানুষের আস্থা অর্জন করেই রাজনীতি করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমান যে মানবিক ও গণমুখী রাজনৈতিক দর্শন সামনে এনেছেন, সেই দর্শনের বিপরীতে যে দাঁড়াবে, আমি তার বিপরীতেই অবস্থান নেব। নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই আমরা একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।”

অনুষ্ঠানে সাঈদ আল নোমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ওমর ফারুক ও ওয়াসিম আকরাম-এর পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। এছাড়া তিনি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক চিত্রপ্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজ্বী বাবুল হক। সরাইপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব ফখরুল ইসলাম রাজু-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস কে খোদা তোতন, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মেহেদী, শহীদ ওয়াসিমের বাবা শহীদুল আলম এবং শহীদ ফারুকের স্ত্রী সীমা আক্তার।

ফারুক উদ্দিন খাঁনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দিদারুল রহমান সুমন, খাজা আলাউদ্দিন, মজিবুল হক মজু, নূর আহমদ গুড্ডু, দিদারুল ফেরদৌস, ফজলুল হক সুমন, সাইফুল আলম, নূর সেলিম বাঙালী, আব্দুর রহিম, শওকত আলম রাজু, খালেদা বোরহান, মোহাম্মদ জাফর, তানভীর মল্লিক, কুতুব উদ্দিন, হাজী জহুর মিয়া, এনামুল কবির ও আলী রেজাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার মধ্যে দিনাতি পাত করছে। ঐ সমস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আইনগত সহায়তা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত সময়ে প্রান্তিক বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ হরতে হবে। সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের প্রচার বৃদ্ধি করতে হবে যাতে করে দেশের কোন অসহায় বিচারপ্রার্থী আইনের আশ্রয় বঞ্চিত না হয়”।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বুধবার বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় জেলা জজ আদালত চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব কাজী আবদুল হান্নান। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) জনাব সুব্রত দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এজিএম মনিরুল হাসান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সোহাগ তালুকদার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব মোঃ আরফাতুল রাকিব, যুগ্ম জেলা জজ জনাব মুমিনুন্নেছা খানম,

বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সিভিল জজ জনাব লাবণী শর্মা ও জনাব মোঃ জোবায়ের রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব রাসেল পিপিএম (বার), ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মৌনম বড়ুয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, বিজ্ঞ সরকারি কৌসুলী (জিপি) জনাব মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, বিজ্ঞ জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এড. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, বিজ্ঞ মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর জনাব এড. মফিজুল হক ভূঞা, বিজ্ঞ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, লিগ্যাল এইড প্যানেল আইনজীবীবৃন্দ, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের সদস্যবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমূখ। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার জানান বিগত ০৮ মাসে ১৪৩৬টি আবেদনে (মামলায়) আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তৎমধ্যে ২৭৮টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। উক্ত সময়ে ৮০৬টি প্রি-কেইস এডিআর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এডিআরের মাধ্যমে ৮৮৪ বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আদালত হতে পোস্ট কেইস বিরোধ মিমাংসার জন্য ৬৩টি মামলা রিসিভ হয়েছে এবং ৭৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে (বিগত বছরের জেরসহ)। বিরোধ মিমাংসার মাধ্যমে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রন্থ পক্ষকে প্রদান করা হয়েছে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ