পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পৌর মেয়র প্রার্থী মোঃ রফিকুল কমিশনারের গণ-সংযোগ

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন কে সামনে রেখে পৌর মেয়র প্রার্থী হিসেবে গণ-সংযোগ করেন তিনবারের নির্বাচিত সফল কাউন্সিলর মোঃ রফিকুল ইসলাম শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সকালে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি শরৎনগর বাজার ও ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন এলাকায় গণ-সংযোগ করেন।

এ সময় প্রায় চার শতাধিক এর বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক নিয়ে গণ-সংযোগে অংশ নেন। তারা শরৎনগর ও ভাঙ্গুড়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী, দোকানি ও পথচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আসন্ন ভাঙ্গুড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলামের পক্ষে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

গণ-সংযোগকালে মোঃ রফিকুল ইসলামের সমর্থকেরা বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের সুখে-দুখে পাশে ছিলেন। বিভিন্ন প্রয়োজনে তারা, সব সময় তার সহযোগিতা পেয়েছেন। এ কারণে আসন্ন ভাঙ্গুড়া পৌরসভা নির্বাচনে তারা মোঃ রফিকুল ইসলামকেই মেয়র হিসেবে দেখতে চান। তাদের দাবি, ইতোমধ্যে যেসব প্রার্থী মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন, তাদের মধ্যে মোঃ রফিকুল ইসলাম কে তারা যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনে করছেন। এ কারণেই তার গণসংযোগে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নিয়েছেন।

ভাঙ্গুড়া পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি পরপর তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছি এবং দীর্ঘদিন পৌরসভার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমার দল ক্ষমতায় না থাকায় পৌরবাসী কে প্রত্যাশা অনুযায়ী সব রকম সেবা দিতে পারিনি। এবার আমি মেয়র প্রার্থী হিসেবে সকলের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি। পৌরবাসী আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে ভাঙ্গুড়া পৌরসভাকে একটি আধুনিক, উন্নত ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।

তিনি আরও বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন, নাগরিকসেবা বৃদ্ধি, রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান।গণ-সংযোগে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তাদের কাছে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফরিদা ইয়াসমিন চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মিরসরাই থানার ফরিদা ইয়াসমিন। এর আগেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অবদানের জন্য মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মাসুদ আলম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ জানায়, ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মিরসরাই থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রথম নারী ওসি ফরিদা ইয়াসমিন অপরাধ দমন এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে সাফল্য দেখিয়েছেন।এছাড়াও ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতার, হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ছাড়াও জেলার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এই সম্মাননা মিরসরাই থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক, ফের উৎপাদনে ফিরল সিইউএফএল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)।দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

দীর্ঘদিন পর কারখানাটি পুনরায় চালু হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ও উৎসাহ ফিরে এসেছে।কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর আমরা উৎপাদনে ফিরেছি। এই দীর্ঘ সময়ে যে ক্ষতি হয়েছে, নিয়মিত উৎপাদনের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

সিইউএফএলের বিগত কয়েক বছরের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কারখানাটি মাত্র পাঁচ দিন চালু রাখতে পেরেছিল। ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হওয়ার দীর্ঘ সময় পর তা অক্টোবরে চালু হয়। এরপর ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস সংকটের কারণে বারবার কারখানাটি বন্ধ ও চালুর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। সর্বশেষ গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, যা দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পর ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় চালু হলো।

সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) উত্তম চৌধুরী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকালে আমাদের উৎপাদন প্রাথমিকভাবে শুরু হয়েছে। গত মাসের শেষের দিকে আমরা গ্যাস পেলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদনে ফিরতে পারিনি। এরপর একে একে সব যন্ত্রপাতি সচল করার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, আগামীকালের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় আসবে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর প্রথমে অ্যামোনিয়া উৎপাদন শুরু করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্ট চালুর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয়।

কাফকোর পাশেই অবস্থিত সিইউএফএলে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে আসছে। কারখানাটির পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। একসময় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বিভিন্ন কারণে বর্তমানে এর কার্যকর সক্ষমতা অনেকটাই কমেছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ