এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম, বিশেষ করে বড় আকারের মাছের সংকটে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ। সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এই মাছ। উপকূলীয় মৎস্যঘাটেও বড় ইলিশ ধরা পড়লেই তা উঠছে অস্বাভাবিক দামে।ঐতিহ্যময় গৌরব আর স্বাদ অহংকারের বড় ইলিশ এখন অনেকটাই দুষ্প্রাপ্য। এখন মিলছে কম, সাইজও ছোট। দাম আকাশছোঁয়া। এরকম পরিস্থিতিতে বাজারে এক দোকানির কাছে এসেছিল পৌনে তিন কেজির ওজনের একটি ইলিশ মাছ।
এতো বড় ইলিশ দেখে হতবাক সকলে। বলা হচ্ছে এ মৌসুমে চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি বাজারে এটিই সবচেয়ে বড় ইলিশ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মাছের রঙ, বিশাল আকার দেখে মুগ্ধ ক্রেতারা,তবে দাম শোনে ঢোক গিলেন। দোকানি লিটন জানালেন, মাছটি বরিশাল থেকে আনা হয়েছে। কেজি সাড়ে ৫ হাজার টাকা। এতো দাম দিয়ে কে খাবে ইলিশ? এই প্রশ্নে তার জবাব, কেউ না কেউ কিনবে। এতো বড় মাছ সবসময় বাজারে আসে না।
খানিক পরেই এলেন এক সৌখিন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী। ওজন দিয়ে দেখলেন। কানশা তুলে ঘ্রাণ নিয়ে মাছ কেমন স্বাদ হবে সেটিও পরখ করলেন। দরদাম নিয়ে কিছুটা কথা কাটাকাটি হলো। বাজারে যারা মাছ কাটে তাদের এনেও মাছ দেখালেন। কয় পিস হবে সেটিও জানতে চাইলেন তার কাছে।
সে জানালো, রেস্টুরেন্টে বিক্রির জন্য মাথা-লেজ বাদ দিয়ে ৮ পিস। শেষমেশ মাছটির দাম রফা হলো ১৪ হাজার ৩০০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি পিসের দাম প্রায় ১৮০০ টাকা। রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী মাছটি কিনে নিলেন। মাছের ছবি পাঠিয়ে স্টাফদের নির্দেশ দিলেন বড় ইলিশ কেনা হয়েছে। কে খাবেন কাস্টমার খোঁজ।১০ মিনিট পর রেস্টুরেন্ট থেকে এক স্টাফ ফোন দিয়ে জানালেন, দাম কত পড়বে? ১৮০০ টাকা পিস বিক্রির নির্দেশ দিয়ে মাছ নিয়ে চলে গেলেন ব্যবসায়ী। নাম জানাতে অনাগ্রহী ওই ব্যবসায়ী জানালেন, লাভের জন্য নয়, সুনামের জন্য কেনা হয়েছে মাছটি।












