সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। রোববার (৮ নভেম্বর) নগরের ষোলশহর এলজিইডি মিলনায়তনে চট্টগ্রাম সমবায় বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবসের আলোচনা সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমবায় সমিতিগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে সমবায়ভিত্তিক নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সমবায় সমিতিগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

এবারের জাতীয় সমবায় দিবসের প্রতিপাদ্য—‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী গৃহীত নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক কর্মসূচি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে সমবায় সমিতিগুলোকে উদ্যোগী হতে হবে।নিজস্ব ছাদ কিংবা উপযুক্ত স্থানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে এ খাতে সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা সম্ভব। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।এ ক্ষেত্রে সমবায় আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে হবে।

বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী এবং সমবায় কার্যালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ দুলাল মিঞা। আলোচনা সভার আগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমবায়ী নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সফল সমবায়ীদের বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাবি এলাকায় লাগাতার ককটেল বিস্ফোরণে আটক – ৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) পৃথক স্থানে ৫টি ককটেল নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করেছেন শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন ৮ নভেম্বর রোববার এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

নীলক্ষেত একটি, সিনেট ভবনের সামনে একটি, টিএসসিতে এলাকায় দুইটি এবং শাহবাগ মোড়ে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় উপস্থিত শিক্ষার্থী ও লোকজন সন্দেহভাজন হিসেবে ৩ জনকে আটক করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, টিএসসি এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় তাদের আটক করা হয়। এ সময় উপস্থিত লোকজন তাঁদের মারধর করেন। আটক দুজনের পরিচয়ও বিস্তারিত জানা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং গণমাধ্যমকে বলেন, ইতোমধ্যে শাহবাগ থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার ৮ নভেম্বর সকাল ১১ টায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র কার্যলয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়। ভাঙ্গুড়া উপজেলা ও ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপি’র আয়োজনে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন ও সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক এর নেতৃত্বে র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ নুরুল ইসলাম বরাত, মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল রেজা, মো: আলতাব হোসেন খাঁন, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার, যুব দলের আহবায়ক মোঃ ফরিদুল ইসলাম, সাবেক পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শহিদুল ইসলাম টিটু, সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সায়েক মো: আবু সায়েম, সাবেক কৃষক দলের সভাপতি মো: হুমায়ন আহম্মেদ, বিএনপির নেতা মোঃ মতিউর রহমান,খান মরিচ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ,সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান খোকন, দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ লিয়াকত হোসেন লিটন,আসন্ন দিলপাশার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ হুমায়ুন কবির, পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শামীম হোসেন, দিলপাশার ইউনিয়ন এর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল ওহাব প্রাঃ ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ পিন্টু এছাড়া ছাত্রদল, যুবদল, কৃষকদল সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে থেকে আগত বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
র‍্যালিটি ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিস থেকে শুরু হয়ে ভাঙ্গুড়া ও শরৎনগর বাজার ও ভাঙ্গুড়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপির পার্টি অফিসে গিয়ে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে পার্টি অফিসের আলোচনা সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিবসটির গুরুত্ব, জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র এবং সামাজিক সংহতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে – জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রত্যেককে একে একে জবাব দেওয়া হবে। আজ ৭ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর দেশের মানুষ মুক্তভাবে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ পেয়েছে। তবে দেশের বিরুদ্ধে আবারও একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অতীতের মতো এবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এ দেশের মানুষকে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতার পেছনে মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। তারা সাধারণ মানুষকে দাবিয়ে রাখা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তবে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে নিতে না পারা একটি মহল বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বারবার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়েও জনগণের সেই অধিকার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে অপশক্তিকে পরাজিত করেছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলন শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারী শক্তিকেও দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের আন্দোলন ও অর্জন থামিয়ে রাখা যাবে না।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও একটি মহল দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বাধাগ্রস্ত করতে চায়। একই সঙ্গে জনগণের ভোটের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থা বন্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনা প্রমাণ করে, এ দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে জানে।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় ঐক্যের ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মতো এবারও ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব একে একে দেওয়া হবে। কোনো শক্তিই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ