আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

ডাব মানেই উপকারী নয় – ডাবেরও কিছু ঝুঁকি আছে, ডা: সাকলায়েন রাশেল

নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

০১।সিকেডি বা কিডনি ফেইল্যর রোগীদের জন্যে এটা একেবারেই নিষিদ্ধ।
০২।কোন কোন হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রেও ডাব খাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আছে।
০৩।অনেকের ডাবে এলার্জি হয়…খেলেই হাচি শুরু হয়।
০৪.কারো কারো এসিডিটি বাড়ে ডাব খেলে।
০৫.কারো কারো ডায়রিয়া সৃষ্টি করে ডাব।
০৬.অতিরিক্ত খেলে ডাবের সোডিয়াম আপনার প্রেসার বাড়াতে পারে।
বাড়াতে পারে ডায়াবেটিসও।
৭. ডাব আপনার পটাশিয়াম লেভেল বাড়িয়ে দেয়। তাই বেশি খেলে হৃদস্পন্দন এলোমেলো হতে পারে।

ডাব একটি উপকারী পানীয়….তবে জীবন রক্ষাকারী নয়….প্রয়োজনে খাওয়া যেতে পারে….তবে খেতেই হবে এমন কথা নেই।

এমনকি…
ডেংগু রোগীর জন্যে ডাবের কোন বিশেষ ভূমিকাও নেই।

 

https://www.facebook.com/SMGSaklayen?mibextid=ZbWKwL

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা দিয়ে চলছেন-সিভিল সার্জন, চট্টগ্রাম। ==================================

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদ, বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন -হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা দিয়ে চলছেন। খুব কম লোক রয়েছে, যাহারা হোমিও ঔষধ খাননি।

এ পদ্ধতির চিকিৎসা সেবায় যারা রয়েছেন,সকলকেই আরো দক্ষ ও আন্তরিকতার সাথে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তিনি ৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিভাগীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভায় সাবেক অধ্যক্ষ ডাঃ আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে এবং সাবেক হোমিওপ্যাথিক বোর্ সদস্য ডাঃ এ কে এম ফজলুল হক এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

াচট্টগ্রাম বিভাগের প্রয়াত হোমিও ডাক্তারদের স্মরণ করে শোক প্রস্তাবের পর বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক -এডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ , এনএসডিএফ এর আহ্বায়ক ও বিশিস্ট চিকিৎসক ডাঃ হাবিবুর রহমান,ডাঃ কিরন শর্মা, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ডাঃ উজ্জ্বল দাস,ডাঃ সওকত ইমরান সুমন,ডাঃ কামাল হোসেন, ডা সাগর দে,ডাঃ ফয়সাল উদ্দিন, ডাঃ রুপম রুদ্র, ডাঃ দিপাল মিত্র, ডাঃ ফরিদ,ডাঃ লোকমান,ডাঃ জানে আলম, ডাঃআব্দুস সোবহান, ডাঃ শাহ আলম,ডাঃ আব্দুল করিম প্রমূখ।

বক্তাগণ বলেন -আগামী বিভাগীয় সম্মেলনে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্প্রসারণে ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশে করনাকালীন সময়ে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগণ নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের থেকে মানুষের সেবাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাছাড়াও
অন্য সময়েও মানবতার সেবায় সচেষ্ট থাকেন।


প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগ মানুষের সেবায় নিয়োজিত হোমিও ডাক্তারদের কল্যানে যথাযথ সম্মান ও মর্যাাদা প্রদান সময়ের দাবি। আশাকরি বর্তমান সরকার এলোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের কল্যানে কাজ করবে।

চট্টগ্রামে হাম উপসর্গে ৫৫, একদিনে হাসপাতালে ২৬ ভর্তি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলায় হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে ৮ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানা যায়।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) চট্টগ্রাম জেলায় হামের সংক্রমণ নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৫ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকার এনপিএমএল ও আইপিএইচ থেকে প্রাপ্ত ল্যাব রিপোর্টে এখন পর্যন্ত ৮ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই ৮ জনের মধ্যে ৬ জন নগরের এবং ২ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জেলায় ৯১টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৬টি নমুনা পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ৬টি নগর থেকে এবং ১০টি উপজেলা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।’

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ