আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

রাঙ্গামাটির যমচুগ বনাশ্রম ভাবনা কেন্দ্রে ৪০তম কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাধু সাধু সাধু ধ্বনিতে হাজারো পুণ্যার্থীদের ভক্তি ও শ্রদ্ধায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বন্দুক ভাঙ্গা ইউনিয়নের যমচুগ বনাশ্রম ভাবনা কেন্দ্রে ৪০ তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গৌতম বুদ্ধের প্রধান সেবিকা মহাপুণ্যবতী বিশাখা কর্তৃক প্রবর্তিত কঠিন চীবর বুনন ও ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সোমবার শুরু হয়ে মঙ্গরবার বিকেলে দুইদিন ব্যাপী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে ছিলো, বুদ্ধপুজা, বুদ্ধমূর্তিদান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কঠিন চীবর দান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, সুত্রপাঠ, ধর্মীয় দেশনা, কল্পতরু প্রদক্ষিণ ও ফানুস বাত্তি উৎসর্গসহ উল্লেখযোগ্য।

কঠিন চীবর দানোৎসবে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো পুণ্যার্থী অংশ নেন। পুণ্যার্থীদের পদচারণায় মূখর হয়ে উঠে বিহার প্রাঙ্গণ। দুপুরে কল্পতরু ও কঠিন চীবরকে পুরো বিহার এলাকা প্রদক্ষিণ করে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হয়। সন্ধ্যায় জগতের সকল প্রাণীর হিতসুখ ও মঙ্গল কামনায় ৮৪ হাজার বাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে প্রথমে মঞ্চে উপস্থিত ভিক্ষু সংঘকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন ভক্তরা। পরে উদ্বোধনী ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পঞ্চশীল পাঠ করেন প্রদীপ চাকমা। বিশেষ প্রার্থনা পাঠ করেন বর্ষা চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি পূর্ণ চক্র চাকমা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রূপক চাকমা ও অরুণ কুমার চাকমা।

ধর্মীয় সভায় পুণ্যার্থীদের উদ্দেশে ধর্ম দেশনা দেন দীঘিনালা বনবিহারের উপাধক্ষ্য ভদন্ত শ্রীমৎ শুভবর্ধন মহাস্থবির। বিমুক্তিপুর ধ্যান কুটিরের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ প্রিয়ানন্দ মহাস্থবির, ধুতাঙ্গটিলা বনবিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ দেবধাম্মা মহাস্থবির, রাজবন বিহারের ভিক্ষু ভদন্ত শ্রীমৎ অগ্রজ্যোতি মহাস্থবির ও যমচুগ বনাশ্রম ভাবনা কেন্দ্রের বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ কল্যাণজ্যোতি মহাস্থবির।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৪১ তম শুভ আবির্ভাব তিথি পালন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গৌর পূর্ণিমা উৎসব’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-চট্টগ্রাম জেলা আয়োজিত ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিকাল নগরীর জে এম সেন হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়, এতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সীতাকুণ্ড শংকর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সভাপতি শ্রী দিলীপ কুমার মজুমদার, বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারম্যান শ্রী দুলাল মজুমদার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শ্রী শ্যামল কুমার পালিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ-চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুগ্রীব মজুমদার দোলন।

বক্তরা চৈতন্য মহাপ্রভুর হরি নাম প্রচারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধান অতিথি শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ আরো বলেন হরি নামে মুক্তি, হবে সবাইকে চৈতন্য মহাপ্রভুর আর্দশ অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করেন মানব কল্যানে।

ধর্মানুশীলন মানুষকে সুন্দরের পথে পরিচালিত করে : সিদ্ধার্থ শংকর দাশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়ায় শ্রীশ্রী হরিমন্দির প্রাঙ্গণে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা ও শ্রীশ্রী হরিমন্দিরের ১২৩তম তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ উপলক্ষে মহতী ধর্মসম্মেলন আজ সোমবার (২ মার্চ) বিকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মসম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সমাজসেবক সিদ্ধার্থ শংকর দাশ (সিধু)। হরিমন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিমন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন বাথুয়াপাড়া রাজ রাজেশ্বর বিগ্রহ ধামের সভাপতি সাধন কান্তি দাশ। মহান অতিথি ছিলেন গোলপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দির পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি সমাজসেবক আশুতোষ বিশ্বাস, পরৈকোড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মোরশেদ ও বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের সভাপতি পুলক চৌধুরী। সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক সাগর মিত্র ও সদস্য সচিব প্রদীপ কান্তি ধর। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক সমকালের ডিজিএম সুজিত কুমার দাশ, সমাজসেবক অজিত দাশ, হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি সুজিত সরকার, বাগীশিক দক্ষিণ জেলা সংসদের প্রচার সম্পাদক বাবুল ধর,

সমাজকল্যাণ সম্পাদক নিমাই সিংহ, বাগীশিক আনোয়ারা উপজেলা সংসদের সভাপতি অ্যাড. খোকন আইচ (অমিত), সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্টন সরকার, হিন্দু মহাজোট আনোয়ারা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. সবুজ কান্তি দেব। হরিমন্দির পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নীলকান্ত দাশ (বিষু) এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক হারাধন দাশ। এর আগে গীতা প্রশিক্ষক পূজা চক্রবর্তীর পরিচালনায় সমবেত গীতাপাঠ পরিবেশন করেন হরিমন্দির গীতা শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষার্থীরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন টিভি ও বেতার শিল্পী অদিতি দাশ, জয়শ্রী মজুমদার, অর্ণা দত্ত, আদ্রিকা বৈদ্য ও স্থানীয় শিল্পীরা। ধর্মসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিদ্ধার্থ শংকর দাশ সিধু বলেন, ধর্মানুশীলন মানুষকে সুন্দরের পথে পরিচালিত করে। ধর্মহীন জীবন কখনো আদর্শ জীবন হতে পারে না। তিনি শিশু-কিশোরদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্ম নীতি শিক্ষায় শিক্ষিত করার আহবান জানান।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ