কৃত্রিম মিষ্টি বা ডায়েট কোলা কি নিরাপদ

স্বাস্থ্য নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কৃত্রিম সুইটনার বা মিষ্টি হলো চিনির বিকল্প, যা রক্তে শর্করার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত না করে খাবার ও পানীয়কে মিষ্টি করতে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে চিনির বিকল্প, কম ক্যালরি মিষ্টি বা অপুষ্টিকর মিষ্টিও বলা হয়। এগুলো গতানুগতিক চিনির চেয়ে অনেক গুণ বেশি মিষ্টি হওয়ায় খাবারে পরিমাণে কম লাগে। চিনির তৈরি খাবারের চেয়ে কৃত্রিম মিষ্টি দিয়ে তৈরি খাবারে কম ক্যালরি থাকতে পারে।

কৃত্রিম চিনি
প্রচলিত সুইটনারগুলো হলো অ্যাসপার্টাম, দানাদার স্যাকারিন-হারমেসেটাস, সুক্রলোজ এসেসালফেম।

ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য কৃত্রিম চিনি দিয়ে তৈরি খাবার বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু আসলে কি এগুলো নিরাপদ? এ নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে।

গবেষণা বলছে, কৃত্রিম মিষ্টি, যা ওজনাধিক্য ব্যক্তিরা চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করেন, তা তাঁদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। ডায়াবেটিসের যেসব রোগী কৃত্রিম চিনি খান, তাঁরা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সফল হতে পারছেন না। তাঁদের অধিকাংশের পক্ষেই ওজন কমানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন ডায়াবেটিস রোগীদের কৃত্রিম চিনি খেতে নিরুৎসাহিত করে আসছে।

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে কৃত্রিম মিষ্টি গ্রহণের বর্তমান মাত্রা নিরাপদ। অবশ্য ফেনাইলকেটোনুরিয়া (একটি বিরল বিপাকীয় ব্যাধি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের অ্যাসপার্টামযুক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলতে বলা হয়।

ডায়েট কোলা
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সাধারণ কোলার (যেকোনো সোডা) পাশাপাশি ডায়েট কোলাকেও নিরুৎসাহিত করা হয়। কারণ, সোডায় অতিরিক্ত মিষ্টি, ক্যালরি ও ক্যাফেইন থাকে।

করণীয়
আদর্শ ওজন, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যকর, সুষম খাদ্য খেতে হবে, যাতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, চিনি ও লবণ কম থাকে। সবুজ সবজি, ফল, পূর্ণ দানা, ডাল, মাংস, মাছ, দুগ্ধজাতীয় পণ্য ইত্যাদি স্বাস্থ্যকর ডায়েটের অংশ। মিষ্টি ও প্রকৃত শর্করাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। সোডাযুক্ত মিষ্টি খাবার পরিহার করা উচিত। ক্যালরি পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

এতত্সত্ত্বেও আপনি যদি কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে পরামর্শের জন্য ডায়াবেটিস চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। পাশাপাশি উপাদানসহ সংশ্লিষ্ট সুইটনারের মোড়কের তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করুন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রোগীর দেহে হাম শনাক্ত নমুন পরীক্ষায় ভোগান্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে হামের সংক্রমণ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছেন এই ভাইরাসে। হামে আক্রান্ত শিশুদের শতকরা ৫ শতাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে দ্রুত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ছে। অনেক শিশুকে শেষ পর্যন্ত নিতে হচ্ছে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (পিআইসিইউ)। গত তিন মাসে ৫৬০ জন রোগীর দেহে শনাক্ত হয়েছে এই ভাইরাস।

এর মধ্যে জুলাই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি ছিল। চলতি বছরে হাম সন্দেহে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭ হাজার ৩৪ জন। এসব রোগীর মধ্যে বেশিরভাগই মহানগরের বাসিন্দা। তবে হামের সঙ্গে নতুন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে নিউমোনিয়া। এদিকে চট্টগ্রামে প্রায় প্রতিদিনই হাম সন্দেহে হাসপাতালে রোগী ভর্তি হলেও পরীক্ষা নিয়মিত হচ্ছে না। মূলত এখানে কোনো ধরনের পরীক্ষার ল্যাব না থাকায় নমুন পরীক্ষায় এমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলছেন, অপুষ্টি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং দেরিতে চিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতা শিশুদের হামের জটিলতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। অনেক শিশু জন্মের সময় কম ওজন নিয়ে জন্মায় বা পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ না পাওয়ায় তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। যখন একটি শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় চিকিৎসায় তাকে রুটিনমাফিক অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স করতে হয়। পরবর্তীতে সেই বাচ্চা হামে আক্রান্ত হয় তখন ওষুধের ধকল আর নিতে পারে না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে না।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি সময়ে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৯৬ জন। এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ১২ জন। তবে হামে শনাক্তের পর মারা গেছেন ৩ জন। গত তিন মাসে ৫৬০ জন রোগীর দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩০ জুন পর্যন্ত হামের রোগী চিকিৎসা নিয়েছে মহানগরে ৩ হাজার ৬২১ জন। ১৫ উপজেলায় ১৪৪ জন। মোট ৩ হাজার ৭৬৫ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৩১ জন, যাদের ২৭৬ জন নগরের ও ৫৫ জন উপজেলার বাসিন্দা। যেখানে ৩১ মে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৫৬ জন।

৩১ জুলাই পর্যন্ত হামের রোগী চিকিৎসা নিয়েছে ৫ হাজার ২৯০ জন। এর মধ্যে মহানগরে ৫ হাজার ৬৬ জন, ১৫ উপজেলায় ২২৪ জন। শনাক্ত রোগী ছিল ৫৭৫ জন। যা গত মাসের চেয়ে ২৪৪ জন বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে মহানগরের ৩৯৮ জন, উপজেলার ১৭৭ জন।
৩১ আগস্ট পর্যন্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছে ৬ হাজার ৯৭৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মহানগরে ৬ হাজার ৬৪৩ জন আর ১৫ উপজেলায় ৩৩৪ জন। এর মধ্যে পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ছিল ৭১৬ জন। এর মধ্যে মহানগরে ৪৭২ জন। উপজেলায় ২৪৪ জন। এ মাসে ১৪১ জনের শরীরে হাম ধরা পড়ে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ৮ ও ৯ এবং হামের জন্য নির্ধারিত স্পেসিফিক ওয়ার্ড-১-এ বর্তমানে ১৬১ জন সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২৪ জন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২৬ জন এবং হামের নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে ১১১ জন।
শিশু ওয়ার্ড ৮ ও ৯ ঘুরে দেখা গেছে, দুই ওয়ার্ডে মোট ৪৪১ জন শিশু রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২৪০ জন এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২০১ জন। অতিরিক্ত রোগীর চাপে শিশু ওয়ার্ডগুলোতে তৈরি হয়েছে ঠাসাঠাসি পরিস্থিতি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ মুছা বলেন, শিশু রোগীতে ঠাসা ওয়ার্ড। হঠাৎ করে আবারও সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। নিউমোনিয়া রোগীতে ওয়ার্ডে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। নিউমোনিয়া থেকে পরবর্তীতে হামে আক্রান্ত রোগীকে রিকভারি করা কঠিন হয়ে পড়ছে। পিআইসিউতে রোগী ট্রান্সফার করতে হচ্ছে। কিন্তু সেখানে সিট নির্ধারিত। আসলে পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে পড়ছে।জানা গেছে, চলতি মাসের ১৯ আগস্ট সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২৩ জনের। সেই হিসেবে নমুনা পরীক্ষা মোট রোগীর সংখ্যা ১৯৮০ জন। এর আগে ১৮ আগস্ট ৩৫ জন, ১৬ আগস্ট ৩০ জন রোগী নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডগুলোতে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে নিউমোনিয়ার জটিলতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৫ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে নিউমোনিয়া দেখা দিতে পারে। হামের কারণে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়লে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তখন নিউমোনিয়া দ্রুত মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা, কম ওজন নিয়ে জন্ম নেওয়া এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার শিশুদের ঝুঁকি বেশি। নিউমোনিয়ার পাশাপাশি ডায়রিয়া, বমি ও মারাত্মক পানিশূন্যতা দেখা দিলে শিশুর শারীরিক অবস্থা আরও দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে। দেরিতে হাসপাতালে আসার কারণেও অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা বাড়ছে।

চট্টগ্রামের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বাসনা মহুরী বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হলেও আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৯৫ শতাংশই সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যায়। তবে একটি অংশের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া কিংবা ব্রেইন ইনফেকশনের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। তিনি বলেন, মূল বিপদ ওই ৫ শতাংশকে ঘিরে; যাদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা ব্রেইন ইনফেকশনের মতো জটিলতা তৈরি হয়। হামের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিউমোনিয়ার ঝুঁকি আরও বাড়ে।

চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন যোগদানের পথে দুর্ঘটনার শিকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। কর্মস্থলে যোগ দিতে আসার সময় সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় কুমিরা এলাকায় তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটিকে একটি মিনিবাস ধাক্কা দেয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাজেদুর বলেলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। বড় কুমিরা নতুন সড়ক এলাকায় এলে পাশ থেকে একটি মিনিবাস আমাদের অ্যাম্বুলেন্সটিকে ধাক্কা দেয়। এতে এক পাশের কাচ ভেঙে যায় এবং ওই পাশটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
তিনি জানান, গাড়ির ভাঙা কাচ মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এসে পড়ে। একটি ঝাঁকুনি লাগে। পরে দুর্ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্সটি রেখে চট্টগ্রাম অফিসের গাড়িতে করে নতুন কর্মস্থলে আসেন।

এর আগে গত বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলমকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয় ঢাকার মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাজেদুরকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বদলি করা কর্মকর্তাদের ২৪ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে ২৫ আগস্ট থেকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বা স্ট্যান্ড রিলিজ বলে গণ্য হবেন তারা।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ