আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশে বানিজ্য বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব প্রাধান্য পাবে খাদ্য, জ্বালানি, লজিস্টিকস, উৎপাদন খাত

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সঙ্গে খাদ্য, জ্বালানি, লজিস্টিকস এবং উৎপাদন খাতে বাণিজ্য জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সৌদি বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি বৈঠকে এই বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের কথা জানান সৌদি আরবের ব্যবসায়ীরা।
দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআই এই বৈঠকের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবের বিনিয়োগবিষয়ক মন্ত্রী খালিদ এ. আল ফালিহ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সৌদি আরবের অন্যতম ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু। এতদিন সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শুধু কয়েকটি খাতে বিদ্যমান ছিল। তবে এখন সময় এসেছে আমরা কীভাবে উভয় দেশের জন্য পারস্পরিক সুবিধার জন্য বাণিজ্যকে সহজতর করতে পারি তার উপায়গুলো খুঁজে বের করার। বাংলাদেশের প্রতি সৌদি আরবের সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সৌদি আরবের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যাপক বাণিজ্য সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে বাংলাদেশ সরকার উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন,২০৪০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। সৌদি বিনিয়োগকারীদের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীদের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে ৩০০ একর জমি বরাদ্দ রেখেছে। বরাদ্দকৃত জমিতে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য সৌদি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

রূপকল্প ২০৩০-এর অংশ হিসেবে সৌদি আরবে এই মুহূর্তে দক্ষ শ্রমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষ তরুণরা এই চাহিদা পূরণ করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ থেকে দক্ষ তরুণ মানবসম্পদ নেওয়ার জন্য সৌদি আরবের প্রতি আহ্বান জানান।

সৌদি আরবের বিনিয়োগবিষয়ক উপমন্ত্রী বদর আই আলবদর বলেন, বাংলাদেশে আমরা বহুমুখী বিনিয়োগ করতে চাই। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত কয়েকটি খাত দিয়ে বাণিজ্য শুরু করলেও ভবিষ্যতে সৌদি আরব আরও বেশি খাতে বাণিজ্যে আগ্রহী বলেও জানান তিনি। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে সৌদি বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আয়াদ আল আমরি, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈশা ইউসেফ ঈশা আল-দুহাইলান, এফবিসিসিআই সহসভাপতি খায়রুল হুদা চপল, ড. যশোদা জীবন দেবনাথ, মো. মুনির হোসেন, পরিচালকবৃন্দ এবং বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের সুখবর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বিদেশিদের জন্য ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করেছে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি)।

এই ছাড়ের সময়সীমা এই বছরের ১০ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত বজায় থাকবে।এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জরিমানা ছাড়াই নিজেদের ভিসা বা আবাসিক অবস্থার বৈধতা নিশ্চিত করতে পারবেন অথবা দেশ ত্যাগ করতে পারবেন।

এই সুবিধা তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ইউএই ছাড়তে না পারায় আগে ‘ওভার স্টে’ জরিমানা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অঞ্চলজুড়ে পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বৈধভাবে দেশটিতে বসবাস ও কাজের সুযোগ বজায় রাখতে কিংবা স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে যেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইসিপি আরও বলেছে, এর আগে ওভার স্টে জরিমানা মওকুফের সিদ্ধান্ত ছিল জরুরি ও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে ভ্রমণকারী এবং দর্শনার্থীদের সহায়তা করার মানবিক পদক্ষেপের অংশ। সংস্থাটির ভাষ্য, বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় জরিমানা মওকুফের প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি আর বিদ্যমান নেই।

এই সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্টদের কোনো অতিরিক্ত প্রাথমিক আবেদন বা পদক্ষেপও নিতে হবে না। যারা ইউএইতে থাকতে চান, তারা গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে আবাসন বা কর্মসংস্থানের অবস্থা নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারবেন। আর যারা দেশ ছাড়তে চান, তারা বিদ্যমান প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সরাসরি চলে যেতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টদের সর্বশেষ নির্দেশনা ও তথ্য জানার জন্য সরকারি মাধ্যম অনুসরণ করার আহ্বানও জানিয়েছে আইসিপি।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায়: ওবামা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন- ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় আরও খারাপ হয়ে উঠেছে। ১৯ জুন মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, যুদ্ধের পেছনে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে।সামরিক বাহিনীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। কিন্তু এত বড় মূল্য চোকানোর পরও যুক্তরাষ্ট্র কার্যত আগের অবস্থানেই ফিরে এসেছে।

তারপরও আমরা যুদ্ধ শুরুর আগের জায়গাতেই ফিরে এসেছি। পরিস্থিতি এখন আরও খারাপ।
ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ওবামা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) বাতিলের সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন। তার মতে, ওই চুক্তি কার্যকর থাকলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতো। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে যাওয়ায় তেহরান আরও বেশি পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ওবামা। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে নাগরিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।
সংগৃহীত –

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ