আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুন, ২০২৬

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মারা গেছেন।

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, বিশিষ্ট সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ছেলে ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)।

শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রাজু আহমেদ।
তিনি জানান, গুলশানে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১০ ডিসেম্বর) বাদ যোহরের পর সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এদিকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ১৯৪০ সালের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি স্কুলের শিক্ষা লাভ করেন কলকাতা, পিরোজপুর ও ঢাকায়। ঢাকার নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হইতে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি নিতে ব্যারিস্টারি পড়তে লন্ডন যান এবং মিডল টেম্পল-ইন এ ভর্তি হন।
১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি ব্যারিস্টার হিসেবে বার এ যোগ দেন এবং একই বছর ডিসেম্বরে ঢাকা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
লন্ডন অবস্থানকালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের লন্ডনস্থ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় তিনি কমনওয়েলথ প্রেস ইনস্টিটিউটেরও একজন সদস্য ছিলেন।
১৯৬৯ সালে বাবার মৃত্যুর পর ইত্তেফাক সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ইত্তেফাকের সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হন।
১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে পিরোজপুর (বরিশাল) জেলার ভান্ডারিয়া-কাঠালিয়া নিয়া গঠিত নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি নিউ নেশন পত্রিকার প্রকাশক।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি ও প্রেস কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশে প্রথম গঠিত প্রেস কমিশনেও তিনি সদস্যও ছিলেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত (২০০০-২০০১) ছিলেন।
ওয়ান-ইলেভেনের পর তিনি এক বৎসর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাজধানী ঢাকাসহ দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকাসহ দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর উৎপত্তিস্থল ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।আজ সোমবার রাত সাড়ে নয়টায় কম্পন অনুভূত হয়।

বর্তমান অর্থবছরে বিটিভি,র আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) আয় হয়েছে ৮ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং ব্যয় ২৫৪ কোটি ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের দেয়া তথ্যে বর্তমান সরকারের ৩ মাস এবং অন্তবর্তী সরকারের ৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের এহিসাব।

আজ সোমবার ২২ জুন জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে সংসদকে এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

চলতি অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত বিটিভির মোট আয়ের মধ্যে বিজ্ঞাপন খাত থেকে এসেছে ৫ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার ৪১৭ টাকা। সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক অর্থবছরেও বিটিভির আয় ও ব্যয়ের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তুলে ধরা হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ