নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্কাউটস সমাবেশে-যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান

এস এম শরিফুল ইসলাম নড়াইল:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আহসান হাবীব বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতি ও খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। এদিক থেকে যশোর শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে লোহাগড়া অন্যতম। শিক্ষার সাথে লোহাগড়া উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কো-কারিকুলামে আরো এক ধাপ এগিয়ে দেশের সুনাম অর্জন করছে। খেলাধুলায় লোহাগড়া সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেক গুলো স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

লোহাগড়া সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে গত ৮ হতে ১১ তারিখ পর্যন্ত চার দিন ব্যাপি এ সমাবেশে উপজেলার ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ২৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা স্কাউটসের সভাপতি অনিমেশ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর এম আব্দুর রহিম,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড.বিশ্বাস শাহীন আহমেদ, উপ পরিচালক ড.এ এস এম রফিকুর রহমান,ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন,সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরিন জাহান,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ ভূইয়া,নড়াইল জেলা স্কাউটসের সাধারন সম্পাদক লোহাগড়া সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এস এম হায়াতুজ্জামান, উপজেলা স্কাউট কশিশনার এবং ক্যাম্প চিফ মোঃ সিদ্দিকুর রহমান,শাহ আলম,হান্নান বিশ্বাস,শাহ সুরুজসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষকবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম ওয়াসা সাড়ে দশ হাজার নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার পরিবর্তন করছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার গ্রাহকদের অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার তথা গড় বিল জারী হওয়া মিটারসমূহ পরিবর্তনের জন্য গত ১৭সেপ্টেম্বর ২০২৬তারিখে এলটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করা হয়। এপ্রেক্ষিতে ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় সাড়ে দশ হাজার মিটার পরিবর্তন করার কাজ চলছে। গ্রাহক সেবা সহজীকরণ, গড় বিলের অভিযোগ এবং সর্বোপরি রাজস্ব আদায়ের স্বচ্ছতার স্বার্থে এই অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার প্রতিস্থাপন কাজ হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। পানির মিটার নষ্ট/অচল বা চুরি হলে অনেক সময় গ্রাহকদের গাফেলতি বা বিলম্বে মিটার পরিবর্তনের ফলে নিয়ম অনুযায়ী ওয়াসা গ্রাহকের কাছে গড় বিল জারী করে। গড় বিল জারীর ফলে নিয়মিত বিলের সাথে পার্থক্য পরিলক্ষিত হলে গ্রাহক বিল বেশি আসছে অভিযোগ, ওয়াসার বিল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে। এই অহেতুক ঝামেলা ও গ্রাহকদের নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির বিষয়টি চিন্তা করে চট্টগ্রাম ওয়াসা সাড়ে দশ হাজার গ্রাহকের অচল/নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার প্রতিস্থাপন করছে।

০৪ নভেম্বর ২০২৬ (বুধবার) চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম সকাল ১১:০০ টায় হালিশহর বড়পোল এলাকায় সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে তিনি মিটার প্রতিস্থাপন কাজের প্রয়োজনীয়তা, গ্রাহকদের সমস্যা ও মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, প্রতিকার নিয়ে গ্রাহকদের সাথে কথা বলেন। গ্রাহকগণ মিটার প্রতিস্থাপন কাজের ফলে গড় বিলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম ওয়াসায় যোগদানের পর থেকে পানি সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতির চেষ্টা ও রাজস্ব আদায়ে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য গ্রাহকগণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা সম্মানিত গ্রাহকদের সেবা সহজীকরণের বিষয়ে বদ্ধপরিকর। চট্টগ্রাম ওয়াসায় যোগদানের পর থেকে গড় বিল, বেশি বিল, ভুতড়ে বিল এসব অভিযোগ নিয়ে গ্রাহকগণ স্বশরীরে বা লিখিতভাবে অভিযোগ নিয়ে আসছেন। এসব সমস্যার মুল কারণ বের করলে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় গ্রাহকের মিটার নষ্ট/অচল বা চুরি হয়ে গিয়েছে। গ্রাহক মিটার প্রতিস্থাপনে বিলম্ব বা অনেক সময় অনীহা প্রকাশ করায় চট্টগ্রাম ওয়াসা আইন অনুযায়ী গড় বিল জারী করতে বাধ্য হয়। গ্রাহকদের সুবিধার্থে সাড়ে দশ হাজার মিটার চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিস্থাপন করে দিচ্ছে। এর ফলে সম্মানিত গ্রাহকগণ মিটার রিডিং অনুযায়ী বিল পাবেন এবং ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ থেকে আমরাও রক্ষা পাবো। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে পানির মিটারের সঠিক রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল জারি হলে রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পাবে। একাজে গ্রাহকগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সরেজমিনে মিটার প্রতিস্থাপন কাজ পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) মিজ্ শারমিন আক্তার, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মিজ্ সাজিয়া পারভীন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রুমন দে, রাজস্ব কর্মকর্তা এরফানুল করিম সাজ্জাদ ও সংশ্লিষ্ট মিটার পরিদর্শক।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৬০ বছরের পথচলা পূর্ণ করতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার ছয় দশক পূর্তি উপলক্ষে আগামী ১৮ নভেম্বর বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী। এ উপলক্ষে জেমসের সংগীত পরিবেশনা, র‌্যালি, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন বাস্তবায়নে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
জানা গেছে, হীরকজয়ন্তী উদযাপন ঘিরে ইতোমধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। এতে অংশ নিতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় দশকের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে হীরকজয়ন্তীর আয়োজন নানা কর্মসূচিতে সাজানো হয়েছে। হীরকজয়ন্তী উদযাপনকে কেন্দ্র করে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে আয়োজকরা।
হীরকজয়ন্তীতে দিনের প্রথম কর্মসূচিতে থাকবে বর্ণাঢ্য র‌্যালি। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেবেন। র‌্যালি শেষে আলোচনা সভা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় দশকের পথচলা, ইতিহাস ও উল্লেখযোগ্য অর্জন নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। আর দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এছাড়াও সাংস্কৃতিক আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন সংগীতশিল্পী ও ব্যান্ড তারকা জেমস। তার সংগীত পরিবেশনা ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।হীরকজয়ন্তী উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী উৎসব উদযাপন হবে। উৎসবে নানা আয়োজন থাকবে। সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করেছি। রেজিস্ট্রেশন চলমান রয়েছে, সেই সঙ্গে সাংস্কৃতিক আয়োজন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ অন্যান্য প্রস্তুতি চলছে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ