আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নোয়াখালী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউরের বিরুদ্ধে।

রিপন মজুমদার নোয়াখালী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আতাউর রহমান ভূইয়ার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন একই আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ মোরশেদ আলম।

বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এই লিখিত অভিযোগ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৯, নোয়াখালী ২ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আতাউর রহমান ভূইয়া প্রতীক বরাদ্দের আগেই প্রকাশ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে গিয়ে ভোট প্রার্থণা করছেন।

পাশাপাশি সেনবাগ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে উপজেলা প্রশাসনের সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে সরাসরি বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ করছেন। যা নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করছে।

অভিযোগে আরো বলা হয়, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আতাউর রহমান ভূঁইয়া তার পৌরসভাস্থ নিজ বাড়িতে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতাকর্মীদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে জনসমাগম করছেন। এ পরিস্থিতিতে, নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন।  তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জামানত ফেরত পাবেন না ৭১ প্রার্থী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারিয়েছেন চট্টগ্রামের ৭১ প্রার্থী। চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে ১১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিক আংশিক) আসনে ফলাফল বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়নি। এ আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে ৭১ জন জামানত খুইয়েছেন। অর্থাৎ প্রার্থীদের ৬৭ শতাংশ জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের আইন মতে, প্রদত্ত ভোটের (কাস্টিং ভোট) ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকার জামানত ফেরত পাবেন না তারা।
জানা গেছে,

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আলোচিত প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ জামানত হারিয়েছেন। তিনি ছিলেন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের চট্টগ্রামের একক প্রার্থী। তবে ওই আসনে জামায়াত প্রার্থী ডা. আবু নাছেরও মাঠে ছিলেন। জোটের এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে ছিল নানা টানাপোড়েন। শেষতক জোটের দুই প্রার্থীই মাঠে ছিলেন।শুধু জোবাইরুল আরিফ নন, এ জোটের প্রার্থীদের মধ্যে পটিয়া আসনের জামায়াত প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম ও এলডিপির এম এয়াকুব আলীও জামানত হারিয়েছেন। সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ জামানত হারিয়েছেন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের ১৫টি আসনের প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আলোচিত প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ জামানত হারিয়েছেন। তিনি ছিলেন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের চট্টগ্রামের একক প্রার্থী। তবে ওই আসনে জামায়াত প্রার্থী ডা. আবু নাছেরও মাঠে ছিলেন। জোটের এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে ছিল নানা টানাপোড়েন। শেষতক জোটের দুই প্রার্থীই মাঠে ছিলেন।শুধু জোবাইরুল আরিফ নন, এ জোটের প্রার্থীদের মধ্যে পটিয়া আসনের জামায়াত প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম ও এলডিপির এম এয়াকুব আলীও জামানত হারিয়েছেন। সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ জামানত হারিয়েছেন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের ১৫টি আসনের প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া যায়। জামানত হারালেন যারা:
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) সংসদীয় আসনে ভোট পড়েছে দুই লাখ ২৪ হাজার ১২০ ভোট। বিধিমতে, জামানত রক্ষা করার জন্য প্রার্থীকে ২৮ হাজার ভোট পেতে হবে। সেই হিসাবে এই আসনের ৫ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, জেএসডির এ কে এম আবু ইউছুপ, ইসলামী আন্দোলনের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিখার বুলবুল চৌধুরী, জাপার সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন। আর জামানত রক্ষা করেছেন বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও জামায়াতের মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে পড়েছে দুই লাখ ২৩ হাজার ৫১৩ ভোট। ৭ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির সরোয়ার আলমগীর ও জামায়াতের নুরুল আমিন ছাড়া জামানত হারিয়েছেন ৫ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির, জিন্নাত আকতার, জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান, গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান ও সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে পড়েছে এক লাখ ২০ হাজার ৯৫০ ভোট। চার প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা ও বিজিত প্রার্থী জামায়াতের মুহাম্মদ আলা উদ্দিন ছাড়া অন্য দুই প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ইসলাম আন্দোলনের আমজাদ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও চসিক আংশিক) আসনে পড়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার ৬১৬ ভোট। ৬ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও খেলাফত মজলিমের মো. নাছির উদ্দিন ছাড়া চার প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, ইসলামী আন্দোলনের মতিউল্লাহ নূরী, ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ, লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে পড়েছে এক লাখ ৬৪ হাজার ১০৫ ভোট। চার প্রার্থীর মধ্যে শুধু জামানত হারিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দিন তালুকদার। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ছাড়া জামানত রক্ষা করেছেন জামায়াতের মো. শাহাজাহান মঞ্জু ও ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াস নূরী।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে পড়েছে এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৭৬ ভোট। আট প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন জামানত খুইয়েছেন। তারা হলেন, ইসলামী আন্দোলনের আবদুল্লাহ আল হারুন, কমিউনিস্ট পার্টির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া, এবি পার্টির মো. আবদুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দিন, জাপার মো. মেহেদী রাসেদ। জামানত রক্ষা করেছেন বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী, বিজিত প্রার্থী জামায়াতের ডা. এ টি এম রেজাউল করিম ও ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাসান।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ বায়েজিদ আংশিক) আসনে পড়েছে দুই লাখ ৬০ হাজার ৯৫৮ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, জামায়াতের ডা. মো. আবু নাছের ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়্যদ মুহাম্মদ হাসান ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে পড়েছে এক লাখ ৭৪ হাজার ৯৪৪ ভোট। পরাজিত প্রার্থী জামায়াতের ডা. এ কে এম ফজলুল হক ছাড়া আট প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলনের আবদুস শুক্কুর, ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈদ উদ্দিন, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, সমাজতান্ত্রিক দলের মো. শফি উদ্দিন কবির, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী ও গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারূপ।

চট্টগ্রাম-১০ (খুলশী-পাহাড়তলী- হালিশহর) আসনে পড়েছে দুই লাখ ১৪ হাজার ১৫৪ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির সাঈদ আল নোমান ও জামায়াতের সামশুজ্জামান হেলালী ছাড়া ৭ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) আসমা আকতার, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. লিয়াকত আলী, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী, জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী ও লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা-ডবলমুরিং) আসনে পড়েছে দুই লাখ ২ হাজার ৫৩৬ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিজিত প্রার্থী জামায়াতের শফিউল আলম ছাড়া অন্য নয় প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার, গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক, ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ আবু তাহের, সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মো. নিজামুল হক আল কাদেরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. আজিজ মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মো. নুর উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে পড়েছে এক লাখ ৯৪ হাজার ৪৯৩ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির এনামুল হক ও বিজিত প্রাথী ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু ছাড়া অন্যরা জামানত হারিয়েছেন। এ আসনে জামায়াতের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম জামানত হারিয়েছেন। অন্যরা হলেন, ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নূর, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন, এলডিপির এম এয়াকুব আলী।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে পড়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ৩৫ ভোট। বিজয়ী বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম এবং জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান, ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান জামানত রক্ষা করেছেন। অন্য চার প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) মোহাম্মদ এমরান, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা, জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী, গণধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে পড়েছে এক লাখ ৮৬ হাজার ২৯০ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদ ও এলডিপির ওমর ফারুক ছাড়া অন্য ছয় প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী, মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ।

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিজয়ী তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিজয়ী জামায়াত ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী, বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের শরীফুল আলম চৌধুরী জামানত হারিয়েছেন।

পাবনাবাসী শিমুল বিশ্বাস কে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাবনা জেলা সদর থেকে কাউ কে মন্ত্রী করা হয়নি। মন্ত্রী করা হয়েছে জেলা সদরের বাইরে। এবার পাবনা সদর-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। মন্ত্রী হওয়ার সব যোগ্যতাই তার আছে। তিনি সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এবং বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ছিলেন। এসব দায়িত্ব পালন কালে সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। স্বাধীনতার পর থেকে লাভের মুখ না দেখা বিআইডব্লিউটিসিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছিলেন।

মন্ত্রী, এমপি না হয়েও পাবনার উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। এবি ট্রাস্ট গঠন করে অসংখ্য মসজিদ, হাফেজ মাদ্রাসা, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিয়েছেন। বেকারদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছেন। মহৎ মনের এই মানুষটি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।সাবেক এমপি মোঃ ওয়াজ উদ্দিন খান এবং শাজাহান খানের অবর্তমানে তিনিই এখন এই সংগঠনটির মু্খ্য দায়িত্ব পালন করেন। এমন একজন ব্যক্তি বিএনপি সরকারের মন্ত্রী পরিষদে থাকলে শ্রমিক আন্দোলনের সময় কাজে লাগতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা। তাই পাবনা জেলাবাসী শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ