আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের ভূমী উপ-সহকারি কর্মকর্তাদের উপর হামলা আটক ১৫ জন।

সোহেল হোসেন লক্ষীপুর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদ করায় লক্ষ্মীপুরে দুই ইউনিয়ন পরিষদের (ভূমি) উপ-সহকারী আরিফুর রহমান (৪৪) ও মোহাম্মদ ওমর ফারুককে এলোপাতাড়ি মারধর করার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদিয়া হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের শ্রমিকদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ শ্রমিককে হোটেল থেকে আটক করে।

জানিয়েছে পুলিশ। আহত ভূমি কর্মকর্তারা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি ঢাকা মেইলকে নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলি উল্লাহ।

আহত মো. আরিফুর রহমান রায়পুর উপজেলার চর বংশি ইউনিয়ন (ভূমি) উপ-সহকারী ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বাঞ্ছানগর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আহম্মদের ছেলে। ওমর ফারুক সদর উপজেলার উত্তর হামছাদি ইউনিয়ন (ভূমি) উপ-সহকারী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজায়েতর উল্ল্যার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উত্তর তেমুহনী এলাকায় মোহাম্মদীয়া হোটেল কর্তৃপক্ষ বিকৃতভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় ওই হোটেলে খাবার খেতে এসে পতাকার অবমানার প্রতিবাদ করেন ইউনিয়ন (ভূমি) কর্মকর্তা ওমর ফারুক। এতে হোটেলের ম্যানেজার রাকিবের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে চড়থাপ্পড় দেওয়া হয় হোটেল ম্যানেজারকে।

এতে হোটেলের শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুকের ওপর হামলা চালায়। ফারুককে রক্ষা করতে গিয়ে আরিফুর রহমানও হামলার শিকার হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদিকে জাতীয় পতাকা অবমাননার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ ওই হোটেলের ১২ কর্মচারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এটি ফৌজদারি অপরাধ। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা নিতে সদর থানাকে বলা হয়েছে

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা গুনল ৪ বাস কাউন্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার মহানগরীর গরিবুল্লাশাহ মাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন তীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ।

মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, গরীবুল্লাহশাহ মাজার এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। এসময় ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় সেন্টমার্টিন পরিবহনেকে ৫ হাজার টাকা, রিলাক্স পরিবহনকে ৩ হাজার, দেশ ট্রাভেলস ৩ হাজার ও রয়েল মত্রি সার্ভিসকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদে যাতে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ