ভোটকেন্দ্রের ভেতর এবং ভোট গণনা কক্ষে দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনী।

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে এবং ভোট গণনা কক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাসদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। রিটার্নিং বা প্রিজাইডিং অফিসারদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সেনাসদস্যদের এ দায়িত্ব পালন করবে।
একই সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকেও (র‍্যাব) এ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজন হলে বিজিবি ও র‍্যাব হেলিকপটার ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করতে পারবে।
নিজস্ব যানবাহনের বাইরে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা রিটার্নিং অফিসার অথবা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বেসরকারি যানবাহন অধিযাচনপূর্বক ব্যবহার করতে পারবে। ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তায় মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোতায়ন সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে এসব ব্যবস্থার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া নির্দেশনার আলোকে গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত এই সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, এবারের নির্বাচনে ৫ লাখ ১৬ হাজার আনসার সদস্য, ১ লাখ ৮২ হাজার ৯১ পুলিশ ও র্যাব সদস্য, ২ হাজার ৩৫০ কোস্ট গার্ড সদস্য এবং ৪৬ হাজার ৮৭৬ বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।

এর আগে ২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচেন ইভিএমে ভোট নেওয়া ছয়টি আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে কারিগরি সহয়তা দেওয়ার জন্য সেনা সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এবার ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন সম্পর্কে পরিপত্রের ৯-এ বলা হয়েছে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত (যাতায়াত সময়সহ) ‘ইন এইড টু দি সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ফৌজদারী কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ‘ইনস্ট্রকশন রিগার্ডিং এইড টু দি সিভিল পাওয়ার’-এর ৭ম ও ১০ম অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োজন অনুসারে উপজেলা-থানায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা দেবে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা-উপজেলা-মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্যান্য আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

৯ (ঘ) তে বলা হয়েছে, রিটার্নিং অফিসার বা প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনা কক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দায়িত্ব পালন করবে। এ বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে। উপকূলবর্তী এলাকায় নৌবাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকি বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে প্রতিটি জেলায় নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা কম-বেশি করা যাবে এবং এ বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিমান বাহিনী প্রয়োজনীয়সংখ্যক হেলিকপটার ও পরিবহন বিমান জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও বাহিনীসমূহের অনুরোধে উড্ডয়ন সহায়তা দেবে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুসারে এলাকাভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

২৫ জেলার ৭২ উপজেলা দুর্গম, ১২টি আসনে কোস্ট গার্ড মোতায়েন: নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের ২৫টি জেলার ৭২টি উপজেলাকে দুর্গম এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ১২ সংসদীয় আসনের ১৩টি উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৪২টি ইউনিয়নে কোস্ট গার্ড মোতায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাকায় আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউরেনিয়ামবাহী বিমানটি ভারতে যাত্রাবিরতি করে ঢাকায় আসবে

 

ঢাকায় আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম

 

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি বিমান রাশিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। শুক্রবার ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

 

শুক্রবার  এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি জানান, রাশিয়া থেকে রওনা হওয়া ইউরেনিয়ামবাহী বিমানটি ভারতে যাত্রাবিরতি করে ঢাকায় আসবে।মন্ত্রী বলেন, বিমানটি ঢাকায় পৌঁছানোর পর ইউরেনিয়ামের চালান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থায় চালানটি রূপপুরে নেওয়া হবে।

 

জানা গেছে, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে মোট নয়টি ফ্লাইটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি দেশে আনা হবে। এর মধ্যে প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি রয়েছে।

রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামের এসব চালান কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাবে।এর আগে ২০২৩ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জ্বালানি দেশে আসে। চলতি বছরের মে মাসে ওই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়।

 

বিমানবন্দরে ঘটনার জেরে গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামী  নেতা আখতারুজ্জামান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক সেনা কর্মকর্তা  ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ওমেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২ অক্টোবর শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কাজে বাধা ও বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন অভিযোগে শুক্রবার দুপুরে বিমানবন্দর থানায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। গ্রেপ্তারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ