আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বহিবিশ্ব:

বাংলাদেশি দুই প্রবাসীর মৃ*ত্যুদণ্ড কা*র্যকর করল সৌদি আরব।

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুখে কী*টনাশক ছিটিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তিকে হ*ত্যার দায়ে সৌদি আরবের রাজকীয় আদালত দুই বাংলাদেশিকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। আদালতের চূড়ান্ত রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ওই দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃ*ত্যুদণ্ড কা*র্যকর করেছে সৌদি আরব। শনিবার সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মু*খে কীটনাশক ছিটিয়ে ভারতীয় এক প্রবাসীকে হ*ত্যার দায়ে আদালতের চূড়ান্ত রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সৌদি আরবে বাংলাদেশি দুই প্রবাসীর মৃ*ত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। আর্থিক বিবাদের কারণে ওই দুই বাংলাদেশি ভারতীয় নাগরিককে হ*ত্যা করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। তবে কবে, কখন ভারতীয় ওই প্রবাসীকে হ*ত্যা করা হয়েছে, সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইংরেজি দৈনিক গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাদের মৃ*ত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তারা বাংলাদেশি নাগরিক। ভারতীয় এক নাগরিককে প্রলুব্ধ করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন তারা। ঘটনার দিন ভারতীয় নাগরিককে একটি গাড়িতে উঠিয়ে উন্মুক্ত মাঠে নিয়ে যান তারা। পরে পেছন থেকে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে তার শ্বাসরোধ করা হয়। এ সময় তার মৃ*ত্যু নিশ্চিত করার জন্য মুখে কী*টনাশক ছিটিয়ে দেন অভিযুক্তরা।

এই ঘটনার পর ভারতীয় ওই নাগরিকের ম*রদেহ গু*ম করার জন্য মাটিতে পুঁ*তে ফেলার চেষ্টা করেন ওই দুই বাংলাদেশি। কিন্তু তার আগেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন তারা। দীর্ঘ তদন্তের পর বাংলাদেশি ওই দুই প্রবাসীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দেশটির আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেন।

অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সৌদির সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। পরে সৌদি আরবের রাজকীয় আদালতের নির্দেশে তাদের চূড়ান্ত সাজা বহাল রাখা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইজিপ্টে ইকামাহীনদের বিরুদ্ধে অভিযান, অনিশ্চয়তার মুখে আজহারি ছাত্রসমাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইদানীং মিসরে ইকামা (আবাসিক অনুমতি) বিহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এই অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে আল-আজহার কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যেখানে ইকামা বিহীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে বহু বাংলাদেশি নাগরিককে মিসরীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অভিবাসন আইন প্রয়োগের স্বাভাবিক পদক্ষেপ মনে হলেও, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের জটিল ও উদ্বেগজনক এক বাস্তবতা, যা ধীরে ধীরে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে।

মিসরকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপে অবৈধভাবে মানুষ পাচারের একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। এই চক্র বাংলাদেশ থেকে মানুষ এনে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখায় এবং নৌপথে ইজিপ্ট হয়ে ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব মানুষ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার আগেই মিসরীয় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এর ফলে একটি জাতিগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশিরা প্রশাসনিক সন্দেহের আওতায় চলে যাচ্ছে।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কিছু ব্যক্তি নিজেদের ছাত্র পরিচয় ব্যবহার করছে। এমনকি কিছু বাংলাদেশি অবৈধ ব্যবসায়ী ছাত্রদের নাম ব্যবহার করে বা ভুয়া ছাত্র পরিচয়ে এই নোংরা ব্যবসার অংশ হয়ে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি ও গ্রুপ খুলে আকর্ষণীয় পোস্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। দিন দিন এই ধরনের তৎপরতা বেড়েই চলেছে, যা মিসরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে মিসরীয় প্রশাসন বিষয়টিকে শুধু অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে না; বরং জাতীয় নিরাপত্তা, মানবপাচার রোধ এবং জীবন রক্ষার প্রশ্ন হিসেবেই দেখছে। সে কারণেই ইকামাহীনদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই অভিযানের প্রভাব নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের জীবনেও এসে পড়ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসী ছাত্রদের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ইকামা ও কাগজপত্র দ্রুত হালনাগাদ করা, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও অনলাইন প্রলোভন থেকে দূরে থাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলাই এখন একমাত্র নিরাপদ পথ।

ইজিপ্টে আগত শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যেই এখানে অবস্থান করছেন—তারা কোনো অপরাধী নন। কিন্তু কিছু অসাধু ও লোভী চক্রের কারণে পুরো একটি সম্প্রদায় আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, যখন অপরাধ নীরবে বাড়ে, তখন তার মূল্য অনেক সময় নিরপরাধকেও দিতে হয়।

এই সংকট কেবল প্রশাসনিক নয়; এটি সচেতনতা, নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধেরও এক কঠিন পরীক্ষা।

ভারত শতাধিক যুদ্ধবিমান কিনে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অস্ত্রচুক্তির পথে…

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একবারে শতাধিক যুদ্ধবিমান কিনে ভারত ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অস্ত্রচুক্তির পথে চলেছে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফট কর্মসূচির আওতায় ফ্রান্স থেকে ১১৪টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি রুপির একটি চুক্তি এই সপ্তাহেই দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেতে পারে।

চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে এটি হবে ভারতের সবচেয়ে বড় অস্ত্র কেনার চুক্তি। এই চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ১১৪টি রাফালের মধ্যে ১০০টি যুদ্ধবিমান ভারতে উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকবে। চুক্তিটি কার্যকর হলে রাফায়েল যুদ্ধবিমানের অন্যতম বৃহৎ অপারেটর হিসেবে আরও সুদৃঢ় হবে ভারতের অবস্থান।রাফায়েল একটি দ্বি-ইঞ্জিন বিশিষ্ট মাল্টি-রোল ফাইটার জেট, যা বিশ্বে সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধবিমানগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ও নিখুঁত হামলা চালানোর ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত কার্যকর। বর্তমানে ভারতের কাছে ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান রয়েছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ ‘সি’ ভ্যারিয়েন্ট রাফায়েল গ্রহণ করেছে।


নৌবাহিনীর এই চুক্তির আওতায় চারটি টুইন-সিট ট্রেইনার বিমান, বহরের রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্থানীয় এমআরও চুক্তির অধীনে জনবল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই রাফায়েল ‘এম’ যুদ্ধবিমানগুলোর ডেলিভারি ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাফায়েল ‘এম’ ভ্যারিয়েন্টগুলো ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত এবং আইএনএস বিক্রমাদিত্যে মোতায়েন করা হবে।
অন্যদিকে, বিমান বাহিনীর জন্য সরবরাহকৃত ‘সি’ ভ্যারিয়েন্ট রাফালগুলো দুইটি স্কোয়াড্রনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘গোল্ডেন অ্যারোজ’ নামে পরিচিত নম্বর ১৭ স্কোয়াড্রন অবস্থান করছে আম্বালায়। আর নম্বর ১০১ স্কোয়াড্রন ‘ফ্যালকনস’, মোতায়েন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায়।এই রাফায়েল যুদ্ধবিমানগুলো ইতোমধ্যেই বাস্তব যুদ্ধাভিযানে অংশ নিয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে পেহালগাম সন্ত্রাসী হামলার জবাবে ভারতের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুরে’ এগুলো ব্যবহৃত হয়। যদিও পাকিস্তানে চালানো ওই অভিযানে পাল্টা আঘাতে কয়েকটি রাফায়েল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ধ্বংস করার দাবি করে ইসলামাবাদ।

অপারেশন সিঁদুর চলাকালে মোতায়েনকৃত রাফায়েল যুদ্ধবিমানগুলো থেকে এসসিএএলপি এয়ার-লঞ্চড ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত নিখুঁত ও স্টেলথ সক্ষমতার জন্য পরিচিত, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম। রাফায়েল যুদ্ধবিমানগুলো মিটিওর দীর্ঘপাল্লার এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল, হ্যামার স্ট্যান্ড-অফ স্ট্রাইক অস্ত্র, উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট ‘স্পেকট্রা’ পাশাপাশি অত্যাধুনিক রাডার ও টার্গেটিং সিস্টেম বহনে সক্ষম।

এর আগে গত বছরের জুন মাসে ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিগুলো ফরাসি নির্মাতা দাসো অ্যাভিয়েশন এবং টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেডের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর জন্য রাফায়েল সরবরাহের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।এই চুক্তির অংশ হিসেবে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস হায়দরাবাদে একটি অত্যাধুনিক উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করবে। সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমানের গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত অংশ তৈরি করা হবে।

সূত্র -এনডিটিভি-
সংকলনে -বাংলা খবর পত্রিকা /banglakhaborpatrika

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ