আজঃ বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত আলহাজ্ব তাহের মনজুর ইসলামিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসাসহ ১২টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের আন্ত:মাদ্রাসা ক্রীড়া, নাত্, গজল ও একাডেমিক প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ খ্রি: শনিবার সকালে এইচ.এম ভবন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মেয়র,সামাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। সাবেক অধ্যক্ষ বাদশা আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ মাহফজুর রহমান চৌধুরী, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদুল আলম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মাহফজুর রহমান, প্রতিষ্ঠান প্রধান আবদুছ ছাত্তার মজুমদার, প্রধান শিক্ষক, মৌসুমী দাস, মাওলানা কামাল উদ্দিন, মাওলানা রিয়াজ হোসেন, মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহীম, আবু তৈয়ব, জাকির হোসেন, আঁকির হাসান, শেখ ফরিদ ও আবদুস শুক্কুর সহ অন্যরা। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, পবিত্র ইসলামের প্রচার ও প্রসার, সুন্নিয়তের খেদমতে আমরা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করেছি। তিনি বলেন, আমাদের মাদ্রাসাসমূহে পবিত্র কোরআন, হাদিস শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষা, খেলাধুলা, সহশিক্ষা, চরিত্র গঠনসহ নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের পারদর্শী করা হয়। পরে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম খেলাধুলা, নাত্ গজল ও একাডেমিক বিষয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় গ্রেফতার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দিয়েছেন আদালত। চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা আদালত এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সংশ্লিষ্ট মামলায় দুই মামলায় সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় আসামিরা কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ এবং তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নার বিরুদ্ধে দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলায় শহীদ ফজলে রাব্বী নিহত হন। এ ছাড়া নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী তামান্নার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

এসব মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফজলে রাব্বী হত্যা মামলায় খোরশেদ নামের আরও এক আসামিকেও গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। বর্তমানে সাজ্জাদ সিলেট কারাগারে এবং তামান্না ফেনী কারাগারে বন্দী আছেন। গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে ‘ছোট সাজ্জাদকে’ গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পরে তার স্ত্রী তামান্না ‘কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে আদালত ও জামিন’ কিনে নেওয়ার কথা বলে দেশের আইন ও নিরাপত্তা সংস্থাকে অপমান করেন। তার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) ভাইরাল হয়।

ভিডিওটিতে তামান্নাকে বলতে শোনা যায়, আমরা কাঁড়ি কাঁড়ি, বান্ডিল বান্ডিল টাকা ছেড়ে আমার জামাইকে নিয়ে আসব। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ গত ১০ মে নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ‘ছোট সাজ্জাদের’ স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

চবি প্রশাসনিক ভবনে তালা প্রো-ভিসির ‘বিতর্কিত’ বক্তব্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যের জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খানের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছে ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন। সোমবার বেলা ১২টার দিকে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।

ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে চবি উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে সংহতি জানিয়ে এসময় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জশদ জাকির, প্রচার সম্পাদক মুশরেফুল হক রাকিব, সদস্য ও অতীশ দীপংকর হল সংসদের ভিপি রিপুল চাকমা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদ শাহরিয়ার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক চন্দনা রানী, ছাত্র ইউনিয়নের দফতর সম্পাদক শেখ জুনায়েদ কবির ও নারী অঙ্গনের সংগঠক সুমাইয়া শিকদার উপস্থিত ছিলেন।

ভবনে তালা লাগানো শেষে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় চলে সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। জামাতিদের টাকায় নয়। বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনায় সভায় উপ-উপাচার্য শামীম উদ্দিন খান স্যার পাকিস্তানিদের যোদ্ধা বলেছে। অথচ এই পাকিস্তানি বাহিনী এদেশের জনগণকে হত্যা করেছে। আমাদের মা বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তার এ বক্তব্যর জন্য ক্ষমা চেয়ে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ ছাড়া আমরা তালা খুলব না।

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি ধ্রুব বড়ুয়া বলেন, শামীম স্যারের বক্তব্যকে আমরা ঘৃণাভরের প্রত্যাখ্যান করেছি। তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে বুঝা যায় তিনি ১৯৭১ সালে যদি তিনি থাকতেন, তাহলে রাজাকারের ভূমিকায় পালন করতেন। আমরা অবশ্যই তার পদত্যাগ দাবি করছি।

এর আগে, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে গত রোববার চবি প্রশাসনের আলোচনা সভায় অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খান বলেন, ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের দিন নির্ধারিত ছিল। তারা (পাকিস্তান সেনাবাহিনী) ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তারা জীবিত না মৃত অবস্থায় ফিরবে- সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা ছিল না।

এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করবে- এই ধারণা রীতিমতো অবান্তর। এটি একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। এই দেশকে অন্য একটি দেশের করদরাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্যেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ