আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

চবি ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ:

একাডেমিক বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সফল কর্মময় জীবন কামনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২৮ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ সকাল ১০ টায় চবি সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য একাডেমিক প্রফেসর বেনু কুমার। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মাননীয় উপাচার্য ও চবি ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এবং পিআইবি চট্টগ্রাম জেলা সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ নাজমুল হাসান। অনুষ্ঠানে চবি ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সভাপতি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মৌমিতা পাল, মোঃ মাজহারুল ইসলাম, প্রভাষক ফারজানা রহমান এবং প্রকাশ চন্দ্র রায় বক্তব্য রাখেন।
উপ-উপাচার্য একাডেমি তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও বিদায়ীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবপ্রতিষ্ঠিত বিভাগ ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ। এ বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যুগোপযোগী বিষয়ে পেশাগত শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ অলংকৃত করে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি এ বিশ^বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই প্রত্যাশিত। উপ-উপাচার্য একাডেমিক বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সফল কর্মময় জীবন কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ হিসেবে ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের যাত্রা শুরু হয়েছে। আশাকরি এ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দের আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশ-জাতির কল্যাণে নিজেদের নিবেদিত রেখে কাজ করবে এবং বিভাগকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাবে। তিনি নবপ্রতিষ্ঠিত এ বিভাগের প্রথম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সফল কর্মময় জীবন ও সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ উল্লাহ এবং মানপত্র পাঠ করেন মাহফুজা মায়েশা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থী নন্দিনী কর্মকার প্রাচী ও শাহরিয়ার আকাশ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে উক্ত বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কাতালগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, গড়ে উঠবে আধুনিক সবুজ পার্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের ব্যস্ততম চকবাজার–মুরাদপুর সড়কের কাতালগঞ্জ এলাকায় রাস্তার পাশে ইবনে সিনা হাসপাতাল-এর সামনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিতে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে চুক্তি লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন-এর নির্দেশনায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন-এর তত্ত্বাবধানে বুধবার এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা।

চসিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী ও স্থায়ী অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছিল, যা শুধু চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনই নয়, বরং পথচারীদের চলাচল ও আশপাশের পরিবেশের জন্যও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল। বিশেষ করে হাসপাতালসংলগ্ন হওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছিল এবং একটি অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল।

এ অবস্থায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে চসিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর, টিনশেড স্থাপনা ও অন্যান্য দখলকৃত অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় দখলদারদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে পুনরায় দখল বা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, উচ্ছেদকৃত জায়গাটি পুনরায় দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি এলাকাটিকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করে একটি নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, উচ্ছেদ হওয়া জায়গায় রাজধানীর রমনা পার্ক-এর আদলে একটি আধুনিক সবুজ পার্ক নির্মাণ করা হবে। এতে শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা, পথচারীদের বসার স্থান, ছায়াবৃক্ষ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে হাসপাতালে আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য এটি একটি স্বস্তির জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

চসিক জানিয়েছে, নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নগরকে বাসযোগ্য ও সুশৃঙ্খল রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।

সাংবাদিক আলী আকবরের মায়ের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও সিএমইউজের শোক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য ও বাংলাভিশনের সিনিয়র চিত্র সাংবাদিক আলী আকবরের মা নুর বানু বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (০৫ মে) এক শোকবার্তায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ এবং সিএমইউজে সভাপতি মো. শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, মা হারানোর শোক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শূন্যতা। এই শূন্যতা কোনো কিছু দিয়ে পূরণ হওয়ার নয়। এই কঠিন সময়ে সৃষ্টিকর্তা শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ওনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

নুর বানু বেগম বার্ধক্যজনিত রোগসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। মরহুমার জানাজার নামাজ বাদে জোহর হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম ফরহাদাবাদস্থ ‘হিম্মত মুহুরী বাড়ি’ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ছয় পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ