আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

মৌলভীবাজার:

ধর্ষণের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, ব্যবসায়ী সামসুজ্জামান রানু মহালদার, মেয়েটির মা ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের কোর্টের মাধ্যমে হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কামিনীগঞ্জ লামাবাজারের শামসুজ্জামান রানু মহালদারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে সাগরনাল ইউনিয়নের ১৫ বছরের এক তরুণী কাজ করতেন।

ধন্যাঢ্য রানু মহালদারের দুই স্ত্রীর মধ্যে একজন আমেরিকা অপরজন সিলেট শহরে বসবাস করেন। তার বাসায় কাজ করতেন হোসেনাবাদ গ্রামের হাসনা বেগম। কিছুদিন পূর্বে হাসনা বেগম তার মেয়েকে ওই বাসায় কাজের জন্য দিয়ে যান।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুক্রবার (১লা মার্চ) পর্যন্ত দু’দিন তাকে ধর্ষণ করে। সে একাধিকবার প্রতিবাদ করলেও তার মা এবং শফিকুল ইসলাম নামে একজনের সহযোগিতায় তাকে ঘরের মধ্যে দরজা বন্ধ করে ধর্ষন করা হয়।
এ ঘটনায় তরুণী বাসা থেকে পালিয়ে জুড়ী থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ ধর্ষক শামসুজ্জামান রানু মহালদার, সহযোগী তরুণীর মা হাসনা বেগম ও অপর সহযোগী শফিকুল ইসলামকে সোমবার গ্রেপ্তার করে। পরদিন মঙ্গলবার তাদের কোর্টের মাধ্যমে হাজতে প্রেরন করা হয়।
শামসুজ্জামান রানু মহালদার জেলে থাকায় তার এক ভাতিজা বলেন, ঘটনাটি সাজানো হতে পারে। তিনি একজন পরহেজগার নামাজী মানুষ। ব্যবসায়ীক কোন দ্বন্দের জেরে হয়তো এ ধরনের নাটক সাজানো হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক মিয়া বলেন, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পর যদি তিনি অপরাধী গন্য হয় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হোক। ব্যক্তি অপরাধের দায়ভার দল বহন করবে না।
জুড়ী থানার ওসি এস এম মাইন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যা, মামলা করতে আগ্রহী নয় পরিবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবার শরিফে হামলা ও পীর আব্দুর রহমান শামীম (৬৫) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার। মামলার পেছনে ‘দৌড়ঝাঁপ’ করার সামর্থ্য নেই উল্লেখ করে পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে শামীমের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রোববার বিকেলে দাফনের পর রাতে পরিবারের সদস্যরা বসেছিলাম। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা মামলার জন্য বারবার বলেছেন ৷ কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওই পথে না হাঁটার।এর আগে রোববার ১০টার দিকে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, মামলার জন্য তার পরিবারের সদস্যরা আসবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি।

এ বিষয়ে সকালে পুনরায় জানতে চাইলে ওসি আরিফুর রহমান বলেন, উনারা মামলা করবেন না, এমন কিছু শুনিনি। আজকে তাদের আসার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ‘শামিম বাবার দরবার শরিফ’ নামে এক ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

এসময় হামলাকারীরা পিটিয়ে ও কুপিয়ে ওই দরবারের প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামিম ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৬৫) হত্যা করে। হামলায় আরও তিন অনুসারী—মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের—আহত হন।

রাতের আধারে জমির টপসয় কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে অবৈধভাবে কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কাটার অপরাধে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল রাতভর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান ফারুক।এসময় পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিদগ্রাম এলাকায় অভিযানকালে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য ফসলি জমির টপসয়েল কাটার সময় একটি এক্সক্যাভেটর জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। পরে পোপাদিয়া এলাকার মো. খোকনকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৭(খ) ধারা ভঙ্গের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ইউএনও মেহেদি হাসান ফারুক জানান, টপসয়েল কাটার অভিযোগে কানুনগোপাড়া, বেঙ্গুরা, বিদগ্রাম ও কঞ্জুরি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি এক্সক্যাভেটর জব্দ ও জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
অভিযানকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা, বোয়ালখালী থানা পুলিশের একটি দল এবং আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ