ঠাকুরগাঁওয়ে ‘সার্বজনীন পেনশন স্কিম’ বাস্তবায়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মো আসাদুজ্জামান ঠাকুরগাঁও সংবাদাতা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নে সার্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৯ মার্চ) বিকেলে ৫ টার দিকে আকচা ইউনিয়নের ফাঁড়াবাড়ি হাটে ঐ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আকচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বেলায়েত হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকার। এছাড়াও বক্তব্য দেন, আকচা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বিজয় চন্দ্র, আব্দুর রশিদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ার শাহাদাত হোসেন, পুরাতন ঠাকুরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমেশ চন্দ্র বর্মন, কমল সিংপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র রায়, আকচা ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হরি প্রসাদ বর্মন প্রমূখ।

সভায় জানানো হয়, ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সি যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা এই চারটি স্কিমের মধ্যে যে কোনো একটি স্কিম গ্রহণ করতে পারবেন। অতিদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষজন সমতা পেনশন স্কিম গ্রহণ করতে পারবেন। তাদের মাসিক চাঁদার অর্ধেক সরকার বহন করবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার কথা ভেবে এই পেনশন স্কিম গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে এর কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।সভাপতির বক্তব্যে আকচা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার বর্মন বলেন, সরকার প্রবর্তিত এই সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সব শ্রেণির মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি ১ নং আকচা ইউনিয়নের বসবাসকারী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় স্কিমে অংশ নিতে আহ্বান জানান।তিনি উপস্থিত সবাইকে পেনশন স্কিমের উপকারিতা অন্যান্যদের মাঝে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনকে পেনশন স্কিমে অংশ নিতে উৎসাহ প্রদানের জন্য অনুরোধ জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘সার্বজনীন পেনশন সুবিধা গ্রহণ করতে আমরা জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে অবহিতকরণ সভা করে এটি ছড়িয়ে দিবো। সার্বজনীন পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সব নাগরিকের টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিতের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের একটি মহৎ উদ্যোগ। পেনশন স্কিমের অর্থ করমুক্ত এবং প্রবাস থেকে প্রেরণে ২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে প্রণোদনাও মিলবে।’এ সময় ব্যবসায়ী নেতা, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মীগণ, সাধারন এলাকাবাসী এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পদ্মার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ দুর্যোগের সময়ে বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলা বাজার-উদয়নগর এলাকায় বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) উদ্যোগে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী (চাল, ডাল, তেল, আটা ও লবণ) বিতরণ করা হয়।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

দুর্যোগের এই সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদয়নগর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চারদিকে পানি উঠায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি। না ছিল খাওয়ার ব্যবস্থা, না ছিল চলাচলের উপায়। এই কঠিন সময়ে বিজিবির কর্মকর্তারা নিজ হাতে আমাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকেই ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর রাখছে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বানভাসি মানুষদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে আমাদের এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। দুর্গম ও প্লাবিত এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল ও পর্যবেক্ষণ জোরদার রয়েছে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেষে বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অর্পিত দায়িত্বের অংশ। পদ্মার পানি বাড়ায় এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমরা সাধ্যমতো খাদ্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি এবং বন্যাকবলিত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশির রিমান্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় ‘অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহিদুল ইসলাম এ আদেশ দেন।একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ৬৩ বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতারের ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থা সিটিইউকে ২০ দিনের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে, গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানির সময় তারাও এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। পরে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় রিমান্ডের আবেদন করে। মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর মহানগরের একটি কুরিয়ার থেকে ১১৮ গ্রাম কোকেন উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার মোহাম্মদ মহসিনকে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে করা মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানান, গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে মহসিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের থাকার জন্য তিনি একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন। ওসি আরও জানান, কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে কোকেনের চালানটি ফেরত আসে। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।

কোকেনের মামলায় সেই মহসিনেরী রিমান্ড : ১১৮ গ্রাম কোকেনের সূত্র ধরে নগরের খুলশী থানার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় ৬৩ বিদেশি নাগরিকের ‘আস্তানা’র তথ্য বেরিয়ে আসার ঘটনায় গ্রেপ্তার মোহাম্মদ মহসিনকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে খুলশী থানার সাইবার অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর নগরের খুলশী এলাকা থেকে মহসিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। তিনি নগরের কর্ণফুলী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিসি (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোকেনের মামলায় মহসিনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।একইসঙ্গে তাকে আইসিটি আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মহসিনের পাঠানো ১১৮ গ্রাম কোকেনের সূত্র ধরেই খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবনে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়।

পুলিশ জানায়, কয়েক দিন আগে কুরিয়ারের মাধ্যমে ঢাকায় এক ব্যক্তির কাছে কোকেন পাঠিয়েছিলেন মহসিন। পরে কোকেনগুলো ফেরত এলে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে খুলশীর ওই ভবনে বিদেশি নাগরিকদের অবস্থানের তথ্য সামনে আসে। ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে মহসিনের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তার মাধ্যমেই তাদের জন্য আটতলা ভবনটি ভাড়া নেওয়া হয়। এমনকি বিদেশিদের পাসপোর্টও তার কাছে জমা ছিল বলে দাবি পুলিশের।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ