সিটি স্ক্যাপের এমডি কারাগারে

আমেরিকা প্রবাসীর নাম ব্যবহার করে প্রতারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বয়োবৃদ্ধ আমেরিকা প্রবাসীর নাম ব্যবহার করে কোম্পানী গঠন, ব্যাংক হতে কোটি কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ, ফ্ল্যাট বিক্রয় করে বিভিন্ন লোকদের নিকট হতে অর্থ আত্মসাতের মামলায় সিটি স্ক্যাপ প্ল্যানার্স কোম্পানির এমডি মোঃ মোমেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ২০২৪ আসামী মোঃ মোমেন (৪৭) আদালতে আত্মসমর্পণ করলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল আলম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মোঃ মোমেন চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ থানার মুসাপুর চাদেঁরগো বাড়ির মৃত আবদুল বাতেনের ছেলে।
এডভোকেট ফয়সাল নূর জানান, সন্দ্বীপ উপজেলার ইয়াছিন সুকানির বাড়ির মৃত মোহাম্মদ ইয়াছিন মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ বাবুল মিয়ার (৬৭ বছর) দায়ের করা প্রতারণা মামলায় পিবিআই’র তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে এই আসামীসহ ১৪ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার অপর আসামীরা হলেন: সন্দ্বীপ উপজেলার মুসাপুর গ্রামের আবুল খায়েরের পুত্র মোঃ আরাফাত (৪০), বর্তমানে হালিশহরের আনন্দধারা আবাসিকে বসবাস করছেন। মাষ্টার শফিক উদ্দিনের পুত্র শিহাব উদ্দিন (৪৩), মোহাম্মদ ইসার পুত্র মোহাম্মদ নাজমুস সাকিব (৪০), মৃত ইয়াছিনের পুত্র মাহবুবুর রহমান (৪৫), এ এস এম সুফিয়ানের পুত্র এএসএম রফিকুল ইসলাম (৪১), এসএম সাইফুল ইসলাম (৩৯), ইকরামুল কবিরের পুত্র মোহাররামুল কবির (৪৯), গোপাল চন্দ্র রায়ের পুত্র পিযুষ চন্দ্র রায় (৪০), জাহিদুল ইসলামের কণ্যা সুরাইয়া বেগম (৬১), মৃত মোঃ ইমরান সওদাগরের পুত্র মোহাম্মদ শাহজাহান (৮০), আবুল খায়েরের কণ্যা জেসমিন মান্নান (৫১), মোহাম্মদ শামসুল আলমের পুত্র শাহরিয়ার মাহমুদ (৩৯) ও রবিউল আলমের পুত্র রাশেদ হোছাইন (৩৫)।
মামলার সূত্রে জানা যায়, বাদী মোহাম্মদ বাবুল মিয়া দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক সময় ধরে স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস করছেন। তার অনুপস্থিতিতে আসামীরা তার নাম ব্যবহার করে এই ভুয়া কোম্পানী ও বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্ট সৃজন করে বেশ কয়েকটি অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান হতে কোটি কোটি টাকা ঋন গ্রহন করে। আসামীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয়-বিক্রয় এবং জমিতে সুউচ্চ ইমারত নির্মাণের পরিকল্পনা করে ফ্ল্যাট বিক্রয়ের জন্য বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে বিক্রয়ের লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারন মানুষকে আকৃষ্ট করে। তারা প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রতারক চক্র বাদীকে এই ভুয়া কোম্পানীর কখনো চেয়ারম্যান, কখনো ব্যবস্থাপনা পরিচালক বানিয়েছেন। আসামীরা ফ্ল্যাট ক্রয়কারীদের নিকট ফ্ল্যাটের দখল বুঝিয়ে না দেয়ায় এবং গৃহীত ঋণ পরিশোধ না করায় বাদী সহ আসামীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী আইনে মামলা দায়ের করে।
আরো জানা যায়, বাদী দেশে বেড়াতে আসলে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি বিষয় জানতে পেরে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পিবিআই (মেট্রো), চট্টগ্রাম মামলার তদন্ত করে বিভিন্ন কাগজপত্র জব্দ করে ৭০৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দেয়। জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফারমস এর বিভাগীয় অফিস এবং জুবিলি রোডের যমুনা ব্যাংকের কাগজপত্রসহ বাদীর টিপ ও সাক্ষর পরীক্ষা করে চট্টগ্রাম সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবরেটরির হস্তলিপি বিশারদের মতামতের প্রেক্ষিতে বাদীর ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামীরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বাদীর সাক্ষর নিজেরা দিয়ে সিটি স্ক্যাপ প্ল্যানার্স লিমিটেড ডেভেলপার কোম্পানী গঠন, ব্যাংক হতে ঋণ গ্রহণ, ফ্ল্যাট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন লোকদের নিকট হতে অর্থ আত্মসাত করেছে। এসব ঘটনায় বাদীর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলে এমডি. আকতার হোসেন শাহিন নামে কোনো সহ-সভাপতি নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল চট্টগ্রাম মহানগর’র পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে এই মর্মে অবহিত করা যাচ্ছে যে, মহানগর যুবদলে এমডি. আকতার হোসেন শাহিন নামে কোন সহ-সভাপতি নেই। এমডি. আকতার হোসেন শাহিন নামে জনৈক ব্যক্তি ভিজিটিং কার্ডে যুবদলের ভূয়া পদবী ব্যবহার করে নানা ধরনের তদবির, অবৈধ প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। যা মহানগর যুবদলের নজড়ে এসেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ সংশ্লিষ্ট সকল কে এ ধরনের প্রতারক থেকে সর্তক থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদল যুব-ঐক্য-প্রগতির মূল মন্ত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর আর্দশের সংগঠন। যুবদলের নাম ভাঙিয়ে যারা নানা ধরনের অপরাধে লিপ্ত তাদের বিষয়ে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রশাসনকে অনুরোধ করেন।

 

বাইসালের বৈঠার ছন্দে মাতোয়ারা নৌকা প্রেমী দর্শক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গুমানি নদীর বুকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার পানশী নৌকা বাইচ উৎসব-২০২৬; সিজন-১’। তিন দিন ব্যাপি ১০,১১ ও ১৩ অক্টোবর ভাঙ্গুড়া উপজেলার নৌবাড়িয়া এলাকায় আয়োজিত এ উৎসব কে ঘিরে গুমানি নদীর দুই পাড়ে লাখো মানুষের ঢল। ঢাক ঢোলের বাদ্য, বাইসালের বৈঠার ছন্দে গুমানির নদীর পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দ, মাঝির হালের বৈহারিক চাপ, চরনদারের হুংকার, ঝাঁজের সতর্কবাণী আর দর্শকের মুহুর মুহুর করতালিতে পানশী নৌকা প্রতিযোগীদের শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে উৎসব মুখর হয়ে ওঠে পুরো গুমানি নদীর দুই পাড় এলাকা।

শনিবার,রবিবার ও মঙ্গলবার এই তিন দিন ব্যাপী এই আয়োজনে দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীরা ভীড় করেন। গুমানি নদীর বুকে সারিবদ্ধ পানশী নৌকার প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই তীরে অবস্থান নেন অসংখ্য নৌকা বাইচ প্রেমী সাধারণ দর্শক। পানশী নৌকার গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের উল্লাস ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে গুমানি নদীর দুইপাড়। স্থানীয়দের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নৌকা বাইচ প্রেমীদের উপস্থিতিতে নৌবাড়িয়া পরিণত হয় এক মহা মিলন মেলায়।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়- প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক পানশী নৌকা বাইচ উৎসব ২০২৬; সিজন-১’ এর প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। উদ্বোধন করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন। উক্ত প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক পানশী নৌকা বাইচ উৎসব-২০২৬, সিজন-১’ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল মতিন রাজু।
সার্বিক আয়োজনে ছিলেন উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মোঃ আখিরুজ্জামান মাসুম।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ, ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আজম, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান, সাবেক আহ্বায়ক রাজিউল হাসান বাবু প্রমূখ।
এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম বরাত, আবু হেনা মুস্তফা কামাল রেজা,আলতাব হোসেন খান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুল ইসলাম বুরুজ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরিদুল ইসলাম,যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শাহিনুর রহমান শাহীন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এস এম হুমায়ুন কবির,উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন আহমেদ মুন ও সদস্য সচিব মোঃ লিখন সরকার, সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক বায়েজিদ হোসাইন, সদস্য সচিব নিহাজ অভি ডাবলু, ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শামসুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আহমেদ, খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোকন, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ আল-আমিন হোসেন, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব রহমান সরদার, দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ লিয়াকত হোসেন লিটন, আসন্ন নির্বাচনে দিলপাশার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ হুমায়ুন কবির সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। পুরস্কার ঘিরে প্রতিযোগীদের বাড়তি উৎসাহে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা কে আকর্ষণীয় করে তুলতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় নগদ অর্থ সহ বিভিন্ন পুরস্কার। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, প্রথম স্থান অধিকারী পানশী নৌকার জন্য এক লাখ, দ্বিতীয় স্থানের জন্য ৬০ হাজার, তৃতীয় স্থানের জন্য ৩০ হাজার ও চতুর্থ স্থানের জন্য ২০ হাজার টাকা পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী পানশী নৌকার জন্য রাখা হয় আকর্ষণীয় উপহার বক্স।
আয়োজকদের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, দুপুর ২ টা থেকে নৌকা বাইচের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ১৩ অক্টোবর ফাইনাল নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হবে।।

প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের জন্য রেজিষ্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল দুই হাজার টাকা। রেজিষ্ট্রেশনের শেষ সময় ছিলো ৮ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত।
রেজিষ্ট্রেশনের দায়িত্বে ছিলেন বিডি নৌকা বাইচ গ্রুপের সভাপতি জিএম শান্ত মন্ডল, উপদেষ্টা প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার ও প্রধান সমন্বয়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম।

ঐতিহ্য রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নৌকা বাইচ বাংলার নদীমাতৃক জনপদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এক সময় বর্ষা মৌসুমে গ্রাম বাংলার নদী-নালা ও জলাশয়ে নৌকা বাইচ ছিল মানুষের অন্যতম প্রধান বিনোদন। সময়ের পরিবর্তনে আধুনিক বিনোদনের বিস্তারে অনেক এলাকায় এ ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। এমন পরিস্থিতিতে নৌবাড়িয়ার গুমানি নদীতে প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক পানশী নৌকা বাইচের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
উৎসবে আসা দর্শনার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; বরং বর্তমানে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। নিয়মিত নৌকা বাইচ উৎসব আয়োজন করা হলে স্থানীয় সংস্কৃতির বিকাশের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।
সব মিলিয়ে, পাবনার ভাঙ্গুড়ার নৌবাড়িয়া এলাকায় গুমানি নদীর বুকে আয়োজিত” প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক পানশী নৌকা বাইচ উৎসব–২০২৬; সিজন-১’ হয়ে ওঠে ঐতিহ্য, আনন্দ ও সম্প্রীতির এক বর্ণিল আয়োজন। গুমানি নদীর ঢেউয়ে বৈঠার ছন্দ আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় গ্রাম বাংলার চিরচেনা নৌকা বাইচের ঐতিহ্য।

প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক পানশী নৌকা বাইচ উৎসব-২০২৬; সিজন-১’ এর বাঁশি বাজিয়ে নৌকা বাইচ পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার ও মোঃ খাইরুল ইসলাম সরদার। সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় ছিলেন বিডি নৌকা বাইচ গ্রুপ।

 

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ