আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুন, ২০২৬

যাচাই-বাছাইয়ে বাগেরহাটের তিন উপজেলায় সব প্রার্থীর মনোয়ন বৈধ

বাগেরহাট প্রতিনিধি মেহেদী হাসান পারভেজ 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাগেরহাটে প্রথমধাপে তিনটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে যাচাই-বাছাইয়ে সকল প্রার্থীদের মনোয়নপত্র বৈধ হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন। এসময় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার নাসির উদ্দিন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রিজিয়া পারভিন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে সরদার মাসুদুর রহমান, শেখ মাহমুদ আলী, মো. আমিরুল ইসলাম ও খান রেজাউল ইসলাম। এদের মধ্যে একক প্রার্থী হওয়ায় চেয়ারম্যান পদে সরদার নাসির উদ্দিন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রিজিয়া পারভিন বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হচ্ছেন।
কচুয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মহিলা নাজমা সরোয়ার, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কেএম ফরিদ হাসান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস এবং প্রায়ত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মাহফুজুর রহমানের ছেলে যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান বাবু। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাধবী  রানী , হনুফা খাতুন ও মোসা. ইয়াসমিন আক্তার এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফিরোজ আহমেদ ও শেখ সুমন।
রামপাল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে  বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জামিল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোঃ আবু সাইদ, রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল মান্নান ও জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখার সহকারি সেক্রেটারী মোঃ ইকবাল হোসেন।
এছাড়া এই উপজেলায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোসাঃ হোসনেয়ারা ও মোসাঃ ছায়রা খাতুন এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে নুরুল হক, মোল্যা মাসুদ বিল্লাহ, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. আসাদুজ্জামান ও মেহেদী হাসান (মিন্টু)।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে সকল প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন প্রার্থী রছেন। বাগেরহাট সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী রয়েছেন। তফসিল অনুযায়ী, প্রথমধাপে জেলার বাগেরহাট সদর, রামপাল ও কচুয়া উপজেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল, ২১ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি, ২২ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়, ২৩ এপ্রিল প্রতিক বরাদ্দ এবং ৮ মে ভোট গ্রহন হওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিক্ষিত রাজনীতিবীদ সাংসদ এরশাদ উল্লাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাজ্জাদ হোসেন খাঁন : আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আস্তা-বিশ্বাস ও ধৈর্য শব্দটির তাজ্জবতা অতি গুরুত্বপূর্ণ, যা আমার নিজের দু চোখ এই ৩টি শব্দ সমূহের বাস্তব স্বাক্ষী। যাকে নিয়ে কথা গুলো বলছিলাম, আমাদের চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বর্তমান আহবায়ক এবং চট্টগ্রাম ৮ -সংসদীয় আসনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের প্রতি আস্তাশীল যেমন-তেমনি শহীদ জিয়ার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আর্দশের প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস ও নিজের ধৈর্য শক্তির পরিক্ষাতেও উত্তির্ণ রাজনীতিবীদ পরিক্ষিত থেকে ভাগ্য প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার অন্যন দৃষ্টান্ত এমপি এরশাদ উল্লাহ।

২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর পরর্বতী বিস্ময় এর এক রাজনৈতিক আচমকা সংকটের মূখে প্রিয় স্বদেশ যার সংকেপে বলতে গেলে তৎকালীন ১/১১ “ওয়ান ইলেভেন”। ঠিক সেই রাজনৈতিক কঠিন সংকটময় মূর্হতে বীর চট্টলার গুটি কয়েকজন মধ্যম সারির নেতাদের মধ্যে নীতিনির্ধারকের ভূমিকায় নানান কৈাশলে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে এরশাদ উল্লাহর আবির্ভাব যেন দিশেহারা তৃণমূল কর্মীদের জাগিয়ে ছিল আশার আলো আর এ আলোকে আরো আলোকিত করেছিল ডা: শাহাদাত, নাজিমুর রহমান, শ্রমিক নেতা নাজিম উদ্দিন, কমিশনার শামসুল আলম, এডভোকেট আব্দুস সত্তার সহ আমরা অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের জুনিয়র কিছু সহযোগি কর্মী হিসেবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সীমিত আকারে দলীয় কর্মকান্ড শুরু করি অতি গোপনীয়তা রক্ষা করে এরি মাঝে চলমান ছিল মঈন-ফখরুদ্দীনের জারী করা জরুরী অবস্থায় এবং তাদের শাসন ব্যবস্থা।

এরশাদ উল্লাহর মূল শক্তি বিএনপির তৃণমূল কর্মীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। আমি একজন যা নিজের দু চোখ কখনো ভুল বলতে পারেনা তারপর শুরু হয়ে গেল কিছুটা জরুরী অবস্থার শিথিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনীয় ডামা-ঢোল প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকান্ড ঘরোয়া পরিবেশের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম, এরশাদ উল্লাহ বিএনপির মনোনিত তৎকালীন চারদলীয় জোট প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশনেন আর সেই নীল নকশার ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে পরাজিত হয়েও মানুষ এবং দলীয় কর্মীদের প্রতি রেখে দিয়েছেন আস্তা বিশ্বাস ও পরিপূর্ণ ভালোবাসা যেন পিছু ছাড়েনি এরশাদ উল্লাহর তারপর আবারো দৃঢ় অবস্থান ব্যাক্তিগত সদিচ্ছা অনিশ্চায়তাকে হার মানিয়ে নানান ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে পথচলার তার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নিজের উপর আস্তা-বিশ্বাস এরশাদ উল্লাহর আজকের সফলতা ২০২৬ সালের সধ্য সমাপ্ত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস উদ্দীন সে দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
জুলহাস উদ্দীন ৫০ সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গীপুকুর গুচ্ছগ্রামের মৃত ছামাদ আলীর ছেলে। 

তিনি পেশায় একজন দিন মজুর, গেল এক বছর থেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তিনি। নিজস্ব কোন জমি না থাকায় সরকারের আশ্রয়ের প্রকল্পের ঘরে বসবাস করছেন। অসচ্ছলতার কারণে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। টাকার অভাবে ঘরের মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পরিবারের অন্য কেউ হাল ধরার মতো নেই আশপাশের মানুষের সহযোগিতায় চলতে হয় তাকে।

গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা জানান দীর্ঘদিন থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে বিছানায় আছেন দিনমজুরের কাজ করতেন জুলহাস, কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আর কাজে যেতে পারছেন না। মানুষটিকে বাঁচাতে হলে অর্থের প্রয়োজন তাই সমাজের বৃত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।এদিকে জুলহাস জানান ডাক্তারের কথা অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন। যেটা হলে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে। তার কোন কিছুই নেই যেটা বিক্রি করে চিকিৎসা নিবেন। টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তাই তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।সকলের সহযোগিতায় একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে 01760918282 যোগাযোগ করতে পারেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ