আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ চউক’র নয়া চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)’র নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। গতকাল বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাঁর নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। আগামী তিন বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ঈদের আগে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার গুঞ্জন উঠে নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে নিয়ে। পরে তা হাওয়ায় মিলিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছের নাম উঠে আসে। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুছের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। যদিও চেয়ারম্যান পদে দৌঁড়ে নাম উঠেছিল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিডিএর সাবেক বোর্ড সদস্য মফিজুর রহমান এবং উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সিডিএর সাবেক বোর্ড সদস্য ইউনুছ গণি চৌধুরীর।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৮ এর ধারা-৭ অনুযায়ী জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ, পিতা: মরহুম নুর হোসেন-কে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ০৩ (তিন) বছর মেয়াদে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ ১৯৫৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকে সম্পৃক্ত ছিলেন ছাত্র রাজনীতির সাথে। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত দুই মেয়াদে চট্টগ্রাম শহর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দি অবস্থায় চট্টগ্রাম শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাবেক সিটি মেয়র আজম নাছির উদ্দীন।
এছাড়া চট্টগ্রাম কারাগার থেকে বি.কম পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ। তিনি হাটহাজারীর নুর আলী মিয়ার হাট ফরহাদাবাদ গ্রামের হিম্মত মুহুরী বাড়ীর মরহুম নুর হোসেনের সন্তান। তাঁর বাবা ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের উচ্চতর হিসাব কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ যোদ্ধা ফোরাম ‘৭৫ এর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোণায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩ মে) জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন মূল সড়কে র‌্যালি ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার মোক্তারপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার আহবায়ক মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোচক প্রফেসর ননী গোপাল সরকার।

এ সময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিনিয়র সাংবাদিক অরবিন্দ ধর, সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক বিজয় দাস, সাংবাদিক সুস্হির সরকার,সাংবাদিক সারোয়ার, সাংবাদিক মোনায়েম খান, সাংবাদিক মানিক মিয়া, প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম খান সোহেল,মেহেদী হাসান,সম্পাদক ও প্রকাশক ডেইলি নেত্রনিউজ,সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম সাগর,সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান,মাহবুব আলম, রফিক প্রমুখ।

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগে যুবককে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার ২ মে বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলাধীন খানমরিচ ইউনিয়ন এর মহিষবাথান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা-
মো: আলহাজ্ব আফজাল প্রাং, সাং-মহিষবাথান, ভাঙ্গুড়া, পাবনা কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মিজানুর রহমান। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কার্যক্রম চলছিল, যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ