আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

প্রচন্ড তাপদাহে অতিষ্ট ও তৃষ্ণায় কাতর মানুষের জন্য শরবত ও সুপেয় পানি নিয়ে রাস্তায় নামলেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

অনুসন্ধানি বিশ্লেষকদের দেয় তথ্যমতে বিগত ৭৬ বছরেও বর্তমান তাপমাত্রা কোথাও লক্ষ করা যায়নি। প্রচন্ড তাপদাহে অতিষ্ট ও তৃষ্ণার্তদের কষ্ট লাগবে এবার পথে নামলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। তিনি তার নিজস্ব উৎস থেকে মিনারেল বোতলের পানি দিয়ে বরফ, চিনি, লেবু, অরেঞ্জসহ বিবিধ আইটেম যুক্ত করে মিনারেল পানির বোতলে বোতলজাত করে তৈরী শরবত ও মিনারেল বোতলের পানি নিজস্ব শিতাতপ ভ্যানগাড়ী করে ৫০ জন কর্মীর সহায়তায় চট্টগ্রাম নগরীর মোড়ে মোড়ে তৃষ্ণার্তদের হাতে হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে শরবত ও সুপেয় পানি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম ২৭ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি: শনিবার বেলা ১১ ঘটিকায় নগরীর অলংকার চত্বরে এবং বিকেল ৩টায় দেওয়ানহাট চত্ত্বরে উপস্থিত হয়ে পথচারী, রিকসা ও ভ্যান চালক, বিভিন্ন গাড়ীর চালক, বৃদ্ধ যাত্রী, নারী ও শিশুসহ তৃষ্ণার্তদের হাতে হাতে সরবতের বোতল ও সুপেয় পানি তুলে দিয়ে মানব সেবার এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষে উপস্থিত সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, পরিবেশ বিপর্যয় এর কারণে বাংলাদেশে অতি গরমে অতিষ্ট মানুষদের সেবা দিতে আমি রাস্তায় এসেছি। অসহনীয় তাপমাত্রায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো নিদারুন কষ্টে পতিত হয়েছে। তারাই গায়ের ঘাম এবং শ্রম দিয়ে সভ্যতাকে আখরে রেখেছে। তাদের হাতে এক বোতল শরবত দিয়ে আমি আমার কর্তব্য পালন করছি। আল্লাহর সৃষ্টি সকল প্রাণী তীব্র এ গরমে অতিষ্ট। এধরনের সেবাকে আমি মানবিক সেবা বলেই মনে করি। বিত্তবান ও চিত্তবান মানুষগুলো এ গরমে তৃষ্ণার্তদের পাশে দাড়ঁলে মানুষ আরো উপকৃত হবে। ১ম দিনের এ কর্মসূচীতে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ১০ হাজার শরবতের বোতল এবং ১০ হাজার মিনারেল ওয়াটার বিতরণ করা হয়। মোস্তফা হাকিম গ্রুপের এবং ওয়েলফেয়ার ও ট্রাস্টের পরিচালকবৃন্দের মধ্যে আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, সাবেক অধ্যক্ষ বাদশা আলম ও আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি লোকমান আলীসহ স্থায়নীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোণায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩ মে) জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন মূল সড়কে র‌্যালি ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার মোক্তারপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার আহবায়ক মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোচক প্রফেসর ননী গোপাল সরকার।

এ সময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিনিয়র সাংবাদিক অরবিন্দ ধর, সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক বিজয় দাস, সাংবাদিক সুস্হির সরকার,সাংবাদিক সারোয়ার, সাংবাদিক মোনায়েম খান, সাংবাদিক মানিক মিয়া, প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম খান সোহেল,মেহেদী হাসান,সম্পাদক ও প্রকাশক ডেইলি নেত্রনিউজ,সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম সাগর,সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান,মাহবুব আলম, রফিক প্রমুখ।

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগে যুবককে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার ২ মে বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলাধীন খানমরিচ ইউনিয়ন এর মহিষবাথান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা-
মো: আলহাজ্ব আফজাল প্রাং, সাং-মহিষবাথান, ভাঙ্গুড়া, পাবনা কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মিজানুর রহমান। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কার্যক্রম চলছিল, যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ